শুক্রবার ০৫ জুন ২০২৬, জ্যৈষ্ঠ ২২ ১৪৩৩

ব্রেকিং

বিভাজন নয়, ‘উদার গণতন্ত্র’ প্রতিষ্ঠা করতে চাই: ফখরুল আইভীর বাড়ির সামনে পুলিশের নজরদারি, সিসি ক্যামেরা স্থাপন সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হবে ১০১ শয্যার সিরাজগঞ্জে বাড়ছে যমুনার পানি, নদীতীরে ভাঙন আতঙ্ক নিম্ন আয়ের মানুষের বিদ্যুতের খরচ বাড়ছে না আদ-দ্বীনে ৬ শিশুর মৃত্যু: হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ‘অবহেলা’ ছিল, বলছে তদন্ত কমিটি অবসরভাতা বঞ্চিত শিক্ষকদের ভাতা চালু করবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার রায় ৭ জুন হাম: আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, শনাক্ত ৬৯ ৩৮ ডিগ্রিতে পারদ, দিনাজপুরে তাপদাহে শ্রমজীবী মানুষের দুর্ভোগ হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের পর মমতার বিরুদ্ধে মামলা ফোনালাপে নেতানিয়াহুকে ‘উন্মাদ’ বলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক

ইউক্রেনে দীর্ঘ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিন : ন্যাটো প্রধান

 আপডেট: ১৫:০২, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩

ইউক্রেনে দীর্ঘ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিন : ন্যাটো প্রধান

ন্যাটো প্রধান জেনস স্টলটেনবার্গ সতর্ক করেছেন যে ইউক্রেন যুদ্ধের কোন দ্রুত সমাপ্তি হবে না। রাশিয়ার বিরুদ্ধে কিয়েভের অব্যাহত পাল্টা আক্রমণের মধ্যে রবিবার প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

জার্মানির ফাঙ্কে মিডিয় গ্রুপের সাথে একটি সাক্ষাৎকারে স্টলটেনবার্গ বলেছেন, ‘বেশিরভাগ যুদ্ধ প্রথম শুরু হওয়ার সময় প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সময় ধরে চলে।’

‘সুতরাং আমাদের অবশ্যই ইউক্রেনে দীর্ঘ যুদ্ধের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে।’

সংঘাত শুরু হয় ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে, যখন মস্কো তার বাহিনী ইউক্রেনে পাঠায়, এতে কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো ইউরোপে যুদ্ধ ফিরে আসে।

কিয়েভ জুনে তার পাল্টা আক্রমণ শুরু করে, দক্ষিণ এবং পূর্বে রাশিয়ান অবস্থানের বিরুদ্ধে পিছিয়ে যায়, কিন্তু এতে সীমিত সফলতা লাভ করেছে।

স্টলটেনবার্গ বলেন, আমরা সবাই দ্রুত শান্তি কামনা করছি।

‘তবে একই সময়ে আমাদের অবশ্যই স্বীকার করতে হবে: যদি প্রেসিডেন্ট (ভলোদিমির) জেলেনস্কি এবং ইউক্রেনীয়রা যুদ্ধ বন্ধ করে দেয়, তবে তাদের দেশ আর থাকবে না।’

‘যদি প্রেসিডেন্ট (ভ্লাদিমির) পুতিন এবং রাশিয়া তাদের যুদ্ধ বন্ধ করে তাহলে আমরা শান্তি ফিরে পাবো।’

ন্যাটোজোটে যোগদানে ইউক্রেনের উচ্চাকাক্সক্ষা সম্পর্কে স্টলটেনবার্গ বলেছেন: ‘এতে কোন সন্দেহ নেই যে ইউক্রেন শেষ পর্যন্ত ন্যাটোতে থাকবে।’

তিনি বলেন, জুলাইয়ে জোটের শীর্ষ সম্মেলনে কিয়েভ ‘ন্যাটোর কাছাকাছি চলে গেছে’।

তিনি বলেন, ‘যখন এই যুদ্ধ শেষ হবে, তখন আমাদের ইউক্রেনের নিরাপত্তার নিশ্চয়তার দরকার হবে। অন্যথায় ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে।’ 

ভিলনিয়াসে জুলাইয়ের শীর্ষ সম্মেলনে, ন্যাটো নেতারা সম্মত হন যে কিছু শর্ত পূরণ হলে ইউক্রেন জোটে যোগ দিতে পারে এবং মার্কিন ও জার্মান কর্মকর্তারা স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে এর মধ্যে গণতন্ত্র এবং আইনের শাসন রক্ষার জন্য কিয়েভের সংস্কার অন্তর্ভুক্ত থাকবে।