শনিবার ০৭ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ২৩ ১৪৩২, ১৮ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

চুক্তিতে পৌঁছাতে জেলেনস্কিকে এগোতে হবে, পুতিন প্রস্তুত: ট্রাম্প ড্রোন হামলা ঠেকাতে ইউক্রেনের সহায়তা চায় যুক্তরাষ্ট্র খামেনিকে হত্যায় যুদ্ধ আইনের লঙ্ঘন হয়নি : ইসরাইল খলিলুর ও রিজওয়ানা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে জড়িত’ ছিলেন: জামায়াতের তাহের ‘হুজুগে’ পাম্পে পাম্পে তেল কেনার হিড়িক স্কুল ও কলেজের জন্য ‘র‍্যাংকিং সিস্টেম’ হবে: শিক্ষামন্ত্রী ‘দেশের পরিস্থিতি বিবেচনায়’ ইফতারের জাঁকজমক কমালেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে বিমানবন্দরের রাষ্ট্রাচার সীমিত, থাকবেন শুধু ৪ প্রতিনিধি খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ ঈদে এবার সাত দিনের ছুটি এক মামলায় জামিন পেলেন আনিস আলমগীর ট্রাইব্যুনালে আবু সাঈদ হত্যার রায় ৯ এপ্রিল ৯৬ শতাংশ পুলিশ চায় পুরোনো ইউনিফর্ম নারায়ণগঞ্জে মারামারিতে যুবক খুন, বন্ধু হাসপাতালে ইরানের নতুন কৌশলে নতুন করে হিসাব মেলাতে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রকে বড় পতনের পর এশিয়ার বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত

জাতীয়

জাতীয় নির্বাচন: আজ রাত থেকে ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ

 প্রকাশিত: ১১:১৭, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

জাতীয় নির্বাচন: আজ রাত থেকে ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশব্যাপী কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে সরকার। ভোটের পরিবেশ শান্ত ও সুশৃঙ্খল রাখতে একাধিক যানবাহনের ওপর সময়ভিত্তিক চলাচল নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত টানা ৭২ ঘণ্টা দেশের কোথাও মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। এই সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাঠে থাকবে বাড়তি পুলিশি নজরদারি, টহল ও চেকপোস্ট।

এদিকে ভোটগ্রহণের নির্ধারিত দিনের আগের মধ্যরাত থেকে ভোটের দিন শেষ হওয়া পর্যন্ত আরও কিছু যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল করতে পারবে না।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্বাচনের দিন এসব যানবাহন ব্যবহার করে ভোটকেন্দ্র প্রভাবিত করা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি বা সহিংসতার আশঙ্কা থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে জরুরি ও বিশেষ প্রয়োজনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার আওতায় শিথিলতা থাকবে।

এর মধ্যে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত নির্বাচন পর্যবেক্ষক, জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন, ওষুধ, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসামগ্রী পরিবহনকারী যানবাহন এবং সংবাদপত্র বহনকারী সব ধরনের যানবাহন।

এ ছাড়া বিমানযাত্রা সংক্রান্ত যাতায়াতের ক্ষেত্রে (টিকিট বা বৈধ প্রমাণ প্রদর্শন সাপেক্ষে) এবং দূরপাল্লার যাত্রী পরিবহন ও যাত্রীদের স্থানীয় যাতায়াতের প্রয়োজনে ব্যবহৃত যানবাহনের ক্ষেত্রেও প্রয়োজন অনুযায়ী ছাড় দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, ভোটের দিন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল ও ছোট যানবাহন ব্যবহার করে সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলার ঝুঁকি কমানোই এর মূল লক্ষ্য।

এ কারণে ভোটের আগে ও ভোটের দিনে যারা এসব যানবাহনে চলাচল করেন, তাদের আগেভাগেই বিকল্প যাতায়াত ব্যবস্থা ঠিক করে রাখার আহ্বান জানিয়েছে প্রশাসন।