মঙ্গলবার ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২৮ ১৪৩২, ২২ শা'বান ১৪৪৭

জাতীয়

প্রচার পর্ব শেষ, নিরাপত্তার চাদরে দেশ

 প্রকাশিত: ১১:১১, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রচার পর্ব শেষ, নিরাপত্তার চাদরে দেশ

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে আনুষ্ঠানিক প্রচারের সময় শেষ হয়েছে; নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে পুরো দেশ।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের জন্য মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত ভোটের প্রচারের সুযোগ ছিল। এরপর কেউ কোনোভাবে প্রচার করলে তা হবে আচরণবিধির লঙ্ঘন।

এদিকে প্রথমবারের মত জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে গণভোট আয়োজনে সব ধরনের প্রস্তুতি গুছিয়ে এনেছে নির্বাচন কমিশন। ব্যালট পেপারসহ সব ধরনের নির্বাচনি সরঞ্জাম বুধবার কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হবে।

জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯ আসেনে আগামী বৃহস্পতিবার ভোট হবে। প্রার্থীর মুত্যুর কারণে একটি আসনের ভোট স্থগিত হয়েছে।

বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টি, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ ৫১টি দল এবার ভোটে রয়েছে। দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে প্রার্থী রয়েছেন দুই হাজারের বেশি।

একইসঙ্গে জুলাই সনদে বর্ণিত সংস্কার প্রস্তাবগুলোর বিষয়ে নাগরিকদের সম্মতি নিতে হবে গণভোট হবে বৃহস্পতিবার। চারটি প্রশ্নের ওপর ভোটারদের ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোট দিতে হবে।

পৌনে ১৩ কোটি ভোটার এ দুই নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন। সারা দেশে প্রায় ৪৩ হাজার ভোট কেন্দ্রে সেই আয়োজন চলছে।

১১ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণার পর থেকে টানা দুই মাস ধরে বাকি কাজ গুছিয়ে এনেছে নির্বাচন কমিশন। ২২ জানুয়ারি থেকে প্রায় তিন সপ্তাহ প্রচার পর্ব শেষে এখন ভোটের রায় দেওয়ার অপেক্ষায়।

এবার প্রথমবারের মত আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছেন প্রাবাসী এবং দেশের তিন শ্রেণির নাগরিক। ইতোমধ্যে তারা ভোট দিয়ে ব্যালট দেশে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

১২ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টার মধ্যে সেসব ব্যালট রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে পৌঁছাতে হবে। তার পরে পৌঁছালে সেসব ব্যালট গণনা করা হবে না।

ভোটারের দুয়ারে, দুয়ারে ভোট

গত তিন সপ্তাহ রাজধানীসহ মাঠে, ঘাটে, শহরে-বন্দরে ভোটের প্রচারে চষে বেড়িয়েছেন প্রার্থীরা। তারা গেছেন ভোটারের দুয়ারে দুয়ারে।

প্রচারের শেষ সময়ে এসে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ নেতা ইতোমধ্যে বিটিভিতে ভাষণও দিয়েছেন।

এবারের ভোটের প্রচার পর্বে সংঘর্ষ, হামলা, সমর্থকদের মধ্যে মারামারিসহ নানা ধরনের গোলযোগও ঘটেছে। পাল্টপাল্টি অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনে নালিশ আর বাকযুদ্ধের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে ভোটের লড়াই।

তিন দশকের বেশি সময় নির্বাচন কমিশনে দায়িত্ব পালন শেষে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে অবসরে যাওয়া জেসমিন টুলী বলেন, “প্রথমদিকে তেমন ছিল না; শেষ দিকে প্রচার বেশ জমজমাট হয়েছে। এবার একটা পরির্তন দেখা গেল, প্রার্থীরা অন্তত ভোটারের কাছে গেছে। এটা ভালো দিক।”

প্রচারের প্রথম দিকে দুই পক্ষে ‘দোষারোপের রাজনীতি’ সবারই চোখে লেগেছে বলে মন্তব্য করেন নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের এই সদস্য।

তিনি বলেন, “আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি নির্বাচন কমিশন দেখছে, এখানে ইসি অনেক নমনীয় ছিল। সার্বিকভাবে প্রার্থীরা ভোটারের কাছে গেল, এটা আমার ভালো লেগেছে।”

তবে নির্বাচন সামনে রেখে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত না করা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির যথাযথ উন্নতি না হওয়া, প্রশাসনের বিরুদ্ধে ‘পক্ষপাতিত্ব’ ও নানা ধরনের অভিযোগ ও কমিশনের সমালোচনাও করেছেন অনেক প্রার্থী ও দল।

জেসমিন টুলী বলেন, “এখন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে রয়েছে। পরিস্থিতি যদি শান্ত থাকে, কোনো ধরনের হানাহানি বা মারপিটের দিকে না যায়, তাহলে ইলেকশন ভালো হবে।”

রাজনৈতিক দলগুলো ‘নিজেদের স্বার্থেই’ সংযত আচরণ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ভোটের ট্রেন ‘স্টেশনের কাছেই’

২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ এর নির্বাচনে অনিয়ম তদন্তে গঠিত কমিশনের সদস্য ও নির্বাচন বিশ্লেষক আব্দুল আলীম বলেন, “অনেকের মধ্যে শঙ্কা ছিল, ভয় ছিল পরিস্থিতি অন্য দিকে যেতে পারে–সেদিকে কিন্তু যায়নি। আচরণবিধির কিছু ব্যত্যয় ঘটেছে; কিন্তু ম্যাসিভ আকারে কোনো কিছু ঘটেনি।”

তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও আচরণবিধি প্রতিপালন নিয়ে যেসব শঙ্কার কথা আসছিল, তার বেশিরভাগই ‘সোশাল মিডিয়া নির্ভর’ ছিল; বাস্তবভিত্তি ছিল না।

“নানারকম রিউমার ছিল, গুজব ছিল-ইলেকশন হবে না। সব কিছু ছাপিয়ে দেশ নির্বাচনের ট্রেনে চড়ে যে গন্তব্যের দিকে যাচ্ছে, এখন একদম কাছাকাছি চলে এসেছি।

“প্রচার শেষ হয়েছে, আর কোনো ধরনের শঙ্কা নেই, বড় ধরনের সহিংসতাও এবার ঘটেনি। বাকি যে সময়টুকু রয়েছে, ভোটের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ থাকবে বলেই আশা করছি।”

আব্দুল আলীম বলেন, “ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে সে পরিস্থিতি থাকবে বলেই মনে হচ্ছে। সেনাবাহিনীসহ আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর উপস্থিতিতে দুষ্কৃতকারীরা সাহস পাবে না “

তার ভাষ্য, ইতোমধ্যে দেশের বেশ কয়েকটি জায়গায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার হওয়ায় ‘ইতিবাচক প্রভাব’ পড়ছে। এ ধরনের তৎপরতা অব্যাহত থাকলে ভোটারদের ‘কোনো শঙ্কা থাকবে না’।

তবে আওয়ামী লীগবিহীন এ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ২০০৮ সালের তুলনায় কম হতে পারে ধারণা করছেন এই বিশ্লেষক।

তিনি বলেন, “ভোটার উপস্থিতিটা এবার একটু কম হবে–এতে কোনো সন্দেহ নেই। আওয়ামী লীগের একটি ভোট ব্যাংক তো সারাদেশে রয়েছে, কম বা বেশি যা হোক তাদের একটা আছে। তাদের একটা অংশ ভোট দিতে কেন্দ্রে যাবে না।

“দ্বিতীয়ত, ভোট নিয়ে যে গুজব, পরিস্থিতি নিয়ে গুজব–এজন্য কিছু মানুষ কেন্দ্রে যাবে না। ২০০৮ সালে টার্নআউট ছিল ৮৭%, ওই রকম হয়ত দেখতে পাব না এবার। কিছুটা কম থাকবে।”

দলগুলোর আচরণবিধি প্রতিপালন কোনো কোনো নির্বাচনের চেয়ে ‘ভালো হয়েছে’ বলে মনে করেন আব্দুল আলীম।

এবারের প্রতিযোগিতার ধরনও ‘একটু ভিন্ন’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, “একটা নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের মধ্যে নির্বাচন হচ্ছে। আওয়ামী লীগ নেই। আগে ছিল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে মূল প্রতিযোগিতা; এবার বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নতুন বিষয়। একসময় তারা জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করেছে। এখন নতুন বাস্তবতায় তারা প্রতিদ্বন্দ্বী।”

ভোটার উপস্থিতি ও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতিই এখন ‘বড় চ্যালেঞ্জ’ বলে মনে করেন এ বিশ্লেষক।

তিনি বলেন, “ভোটের পরিবেশ পরিস্থিতি নিশ্চিত করছে নির্বাচন কমিশন। আর প্রার্থী ও দলগুলোর দায়িত্ব হল ভোটারদের কেন্দ্রে আনা।”

আব্দুল আলীম বলেন, “১৭ বছর পর ভোটারদের অংশগ্রহণে একটা ভোট হচ্ছে। সেক্ষেত্রে ৬০% এর কমবেশি ভোটার উপস্থিতি হতে পারে।”

নিরাপত্তার চাদরে দেশ

আইন শৃঙ্খলাবাহিনীসহ ভোটের সঙ্গে সম্পৃক্ত সবাই এখন নির্বাচনের মাঠে। নির্বাচনী সরঞ্জামও কেন্দ্রে পৌঁছানোর অপেক্ষায়।

নির্বাচন পরিচালনা ও আইন শৃঙ্খলা খাত মিলিয়ে এবার ৩ হাজার কোটি টাকার ভোট হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “আমরা পুরো প্রস্তুত। আমাদের খুব ভালো প্রস্তুতি। এখন আইন শৃঙ্খলাবাহিনী মাঠে…।”

সেনাবাহিনী এতদিন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি রুটিন দায়িত্ব পালন করে আসছিল। ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে তারা নির্বাচনকালীন দায়িত্বে। এক সপ্তাহ ধরে ভোটের কাজে মোতায়েন থাকছেন কয়েক লাখ সদস্য।

এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, “সবাই সম্পূর্ণ মাঠে নেমে গেছে। কাজেই আইন-শৃঙ্খলা পরিবেশ আরো শক্তিশালী হবে। এবং নিরাপত্তা চাদরে ঢাকা থাকবে। আমি বিশ্বাস করি, কোনো রকম অন্যায় হওয়ার সুযোগ এখানে নেই।”

সুষ্ঠু নির্বাচনের সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং কোনো ধরনের ‘শঙ্কারও কোনো কারণ নেই’ বলে আব্দুর রহমানেল মাছউদের প্রত্যাশা।

এ নির্বাচন কমিশনার বলেন, “নির্বিঘ্নে ভোটের পরিবেশ থাকবে। কোনো ধরনের কোনো শঙ্কা বা চিন্তিত হওয়ার কারণ নেই। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”

তফসিল ঘোষণার পর থেকে ভোটের পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “কোনো ধরনের সংঘাত ছাড়া, সহিংসতা ছাড়াই প্রচার শেষ হল। বার্তা দিতে পারেন- সম্পূর্ণ আইন-শৃঙ্খলা এবং সৌহাদ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকবে।

“আমরা বলেছি হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ–যারাই থাকুক এবং নারীদের জন্য ‘ভয়হীন, শঙ্কাহীন’ পরিবেশ বিরাজ করছে।

নির্বাচন কমিশনার রহমানেল মাছউদ বলেন, প্রচার এবার পরিচ্ছন্নভাবে হয়েছে। এটা আপনারা স্বীকার করবেন এবং এই কালচার আমাদের সৃষ্টি করতে হবে। আমরা মনে করি যে সম্পূর্ণ আমাদের পরিস্থিতি সুস্থ এবং সৌহারদ্যপূর্ণ রয়েছে।

“বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে যুদ্ধ, ভাইয়ে ভাইয়ে হলেও কিছু কথা কেউ কেউ কারো বিরুদ্ধে বলত। সেটা যার যার পলিটিক্যাল স্ট্রাটেজি থেকে হয়েছে। বড় ধরনের কোনো সংঘাত এবার হয়নি।”

সব আসনের ভোটের ফলাফল ১৩ ফেব্রুয়ারি সকালের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করছনে এই নির্বাচন কমিশনার।

তিনি বলেন, “ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করছি যে, ১৩ তারিখ সকালের মধ্যেই সব ফল আমরা প্রকাশ করতে পারব।”

>> ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে।

>> সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলবে।

>> একজন ভোটার দুটি ব্যালটে ভোট দেবেন। সংসদের ভোটের ব্যালট হবে সাদাকালো; গণভোটেরটি গোলাপী।

>> ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ পান প্রতিদ্বন্দ্বি প্রাার্থীরা। ২২ জানুয়ারি থেকে প্রচার শুরু হয়ে শেষ হয় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টায়।

>> নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ শুরুর পূর্ববর্তী ৪৮ ঘণ্টা এবং ভোটগ্রহণ সমাপ্তির পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত নির্বাচনি এলাকায় কোনো জনসভা, মিছিল বা শোভাযাত্রা করা যাবে না।

এবার সারাদেশে মোট ভোটার রয়েছে ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন। নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন। হিজড়া ভোটার ১ হাজার ২২০ জন।

এর মধ্যে পোস্টাল ব্যালটে নিবন্ধন করে ১৫ লাখ ৩৩ হাজারেরও বেশি।

সর্বনিম্ন ভোটার ঝালকাঠি-১ আসনে—২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ জন। আর সর্বোচ্চ ৮ লাখ ৪ হাজার ৩৩৩ জন ভোটার আছেন গাজীপুর-২ আসনে।

ঢাকা-১২ আসনে সবচেয়ে বেশি ১৫ জন প্রার্থী। আর পিরোজপুর-১ আসনে সবচেয়ে কম—মাত্র ২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করছে। এ নির্বাচনে ২৯৯ আসনে মোট প্রার্থী ২ হাজার ২৯ জন।

সারা দেশে মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হবে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি কক্ষে।

নির্বাচনি দায়িত্বে রয়েছেন প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা। আর নিরাপত্তা নিশ্চিতে থাকছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ৯ লাখের বেশি সদস্য।