বৃহস্পতিবার ২৫ জুন ২০২৬, আষাঢ় ১২ ১৪৩৩

ব্রেকিং

ডা. জাহেদের ঘটনায় দিল্লির ব্যাখ্যা প্রত্যাখ্যান করলো ঢাকা সরকার প্রতিটি স্তরে দলীয়করণ করছে: শফিকুর রহমান ৫ ইসলামী ব্যাংকের আমানত ফেরত নিয়ে সংসদে নানা প্রশ্ন সীমান্তে লাইট বন্ধ করে নারীসহ ৪ জনকে ‘পুশ ইন’, দিনাজপুরে আটক ‘সব ইহুদিই আপনার ওপর বিরক্ত’, গাজা শান্তিচুক্তির আগে নেতানিয়াহুকে ধমকেছিলেন ট্রাম্প বজ্রঝড়ের পূর্বাভাস: স্কটল্যান্ড-ব্রাজিল ম্যাচ স্থগিত হওয়ার আশঙ্কা মুদি দোকান, বিউটি পার্লারও আসছে সুনির্দিষ্ট ভ্যাটের আওতায় তালিয়ান থেকে বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের ইন-হাউস কোচিং করতেই হবে: শিক্ষামন্ত্রী হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৩ জনের মৃত্যু মাটিরাঙা ও দীঘিনালায় ইউপিডিএফের ২ সদস্য নিহত গ্রেপ্তারের পরদিন চট্টগ্রাম কারাগারে যুবলীগ নেতার মৃত্যু ২০২৭ সালের এসএসসি জানুয়ারিতে: শিক্ষামন্ত্রী কমেছে সোনা-রুপার দাম সীতাকুণ্ডে মসজিদের ভেতর থেকে ইমামের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সব সমালোচনার জবাব দিয়ে নির্ভার রোনালদো

শিশু

ঈদে হাসপাতালগুলোতে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ১৮ নির্দেশনা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের

 প্রকাশিত: ১৮:৫৩, ১৯ মে ২০২৬

ঈদে হাসপাতালগুলোতে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ১৮ নির্দেশনা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে দেশের হাসপাতালগুলোতে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে ১৮ দফা নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। 

আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অনুমোদনক্রমে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। 

নির্দেশনাগুলো হলো- 

১. জরুরি বিভাগে প্রয়োজনের অতিরিক্ত চিকিৎসক পদায়নের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক চিকিৎসকের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।

২. জরুরি বিভাগ ও লেবার রুম, ইমার্জেন্সি ওটি, ল্যাব, ব্লাড ব্যাংক, সিটি স্ক্যান এবং এমআরআই সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে।

৩. কর্মস্থলে পর্যাপ্ত জনবল ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ঈদের আগে ও পরে সমন্বয় করে জনবলকে পর্যায়ক্রমে ছুটি দেওয়া যেতে পারে।

৪. প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিরবচ্ছিন্ন জরুরি চিকিৎসা কার্যক্রম ও জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে ছুটি মঞ্জুর করতে পারবেন।

৫. সিভিল সার্জন ও বিভাগীয় পরিচালককে অবহিত করে ঈদের ছুটির সময় নিজ জেলার মধ্যে অতি প্রয়োজনীয় জনবল সমন্বয় করা যাবে।

৬. হাসপাতালের অন্তঃবিভাগ ইউনিট প্রধানরা প্রতিদিন তাদের বিভাগীয় কার্যক্রম তদারকি করবেন। মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল, জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি ল্যাব ও এক্স-রে সেবা সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে। উপজেলা পর্যায়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের ‘অন কল’ সেবা চালু রাখতে হবে।

৭. বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ড এবং হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিশ্চিত করতে হবে। ছুটির দিনসহ প্রতিদিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল সকাল-বিকাল দু’বেলা রাউন্ড দেবেন। 

৮. ছুটি শুরু হওয়ার আগেই পর্যাপ্ত ওষুধ, আইভি ফ্লুইড, কেমিক্যাল রি-এজেন্ট, সার্জিক্যাল সামগ্রী মজুত ও তাৎক্ষণিকভাবে সরবরাহের ব্যবস্থা রাখতে হবে। এক্ষেত্রে স্টোর কিপার অথবা ছুটি চলাকালে দায়িত্ব পাওয়া স্টাফ অবশ্যই নিজ জেলা ও উপজেলায় অবস্থান করবেন।

৯. অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে।

১০. ছুটি চলাকালে হাসপাতালের নিরাপত্তার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আগাম পত্র দিতে হবে।

১১. ছুটি চলাকালে সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিনির্বাপণ বিষয়ক সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

১২. প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও বিভিন্ন বিভাগের প্রধানরা ছুটিকালীন সেবা প্রদানকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করবেন এবং ঈদের দিন কুশল বিনিময় করবেন।

১৩. প্রতিষ্ঠানপ্রধান ছুটি নিলে অবশ্যই বিধি অনুযায়ী কাউকে দায়িত্ব দিতে হবে এবং দায়িত্ব গ্রহণকারী কর্মকর্তা সব দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালন করবেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম ও মোবাইল নম্বর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে।

১৪. প্রতিষ্ঠানপ্রধান ঈদের দিন রোগীদের উন্নতমানের খাবার পরিবেশন তদারকি করবেন এবং রোগীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

১৫. বহির্বিভাগ একাধারে ৭২ ঘণ্টার বেশি বন্ধ রাখা যাবে না। এর ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানপ্রধানরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেবেন।

১৬. ক) সকল বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালকে রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের অধীনে সার্বক্ষণিক জরুরি ও প্রসূতি বিভাগ এবং হাম ওয়ার্ড খোলা রাখতে হবে।

খ) কোনো রোগী রেফার করার আগে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা এবং যাত্রাপথের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।

গ) রেফার্ড রোগীরা যাতে অ্যাম্বুলেন্স পায়, সেজন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে হবে।

ঘ) উন্নত ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন ছাড়া রোগী রেফার করার প্রবণতা যথাসম্ভব পরিহার করতে হবে। 

১৭. পশুর হাটের নিকটবর্তী স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিশেষ প্রস্তুতি নিতে হবে।

১৮. যেকোনো দুর্যোগ বা অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা সম্পর্কে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুমকে তাৎক্ষণিকভাবে অবহিত করতে হবে।