বৃহস্পতিবার ১৮ জুন ২০২৬, আষাঢ় ৪ ১৪৩৩

ব্রেকিং

স্পিকারের চেয়ারের প্রতি সম্মান ‘যার যার ধর্মীয় রীতিতে’ ১৩৩৪৪ জন জুলাই যোদ্ধাকে মাসিক সম্মানী ভাতা দেওয়া হচ্ছে: মন্ত্রী একদিনে হাম সন্দেহে পাঁচ জনের মৃত্যু ভারি বৃষ্টি: কয়েক জেলায় নদী সংলগ্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আভাস ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির পর কমল তেলের দাম সময় টিভির সাবেক এমডি জোবায়ের কারাগারে পাকিস্তান ও বাংলাদেশে ‘হামাসের তৎপরতা রয়েছে’, দাবি ইসরায়েলি দূতের মুন্সীগঞ্জে বাড়ির উঠানে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, মোটরসাইকেলে আগুন কুমিল্লা বোর্ডের ৮ কলেজে কোনো এইচএসসি পরীক্ষার্থী নেই চুক্তি লঙ্ঘন করলে ইরানে ‘ভয়াবহ বোমা হামলার` হুমকি ট্রাম্পের অবশেষে যুদ্ধ বন্ধের সমঝোতা স্মারকে সই করল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

আন্তর্জাতিক

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির পর কমল তেলের দাম

 প্রকাশিত: ১৭:৩০, ১৮ জুন ২০২৬

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির পর কমল তেলের দাম

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ অবসান, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করা এবং ইরানের তেল রপ্তানির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিলের লক্ষ্যে একটি অন্তর্বর্তী চুক্তি স্বাক্ষরের পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম কমেছে।

বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮৯ সেন্ট বা ১ দশমিক ১২ শতাংশ কমে ৭৮ দশমিক ৬৬ ডলারে নেমে আসে।

একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৯৮ সেন্ট বা ১ দশমিক ২৮ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৭৫ দশমিক ৮১ ডলারে দাঁড়ায়।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তির ফলে ইরানের তেল দ্রুত বিশ্ববাজারে ফিরতে পারে-এমন প্রত্যাশায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিক্রির চাপ বেড়েছে।

ফলে তেলের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, ১৪ দফার এই সমঝোতার আওতায় আগামী ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত আলোচনার পথ তৈরি করা হবে।

পাশাপাশি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তবে চুক্তিতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির মতো জটিল বিষয়গুলো আপাতত আলোচনার বাইরে রাখা হয়েছে।

একই সঙ্গে ইরানের পুনর্গঠনের জন্য ৩০০ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন পরিকল্পনার বিষয়টিও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এদিকে, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা সতর্ক করে বলেছে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হলে ২০২৭ সালের মধ্যে বিশ্ববাজারে অতিরিক্ত তেল সরবরাহের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে চলতি বছর সুদের হার বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এমন সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং জ্বালানি তেলের চাহিদার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

সব মিলিয়ে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার ইতিবাচক প্রভাব আপাতত তেলের বাজারে দেখা গেলেও ভবিষ্যতে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি চাহিদার গতিপ্রকৃতি বাজারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সূত্র: রয়টার্স