মঙ্গলবার ০৬ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ ২৩ ১৪৩২, ১৭ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

অসত্য সংবাদ প্রকাশে আদালত অবমাননার দায় নিতে হবে: সুপ্রিম কোর্ট চুয়াডাঙ্গায় হিমশীতল বাতাসে কাহিল জনজীবন, তাপমাত্রা ৭.৫ ‘সাবেক কাউন্সিলর বাপ্পির পরিকল্পনায়’ হাদিকে হত্যা, অভিযোগপত্রে আসামি ১৭ এলপিজির ঘাটতি নেই, কারসাজি আছে: উপদেষ্টা আইপিএল থেকে মুস্তাফিজ বাদ: প্রতিক্রিয়া নিউটনের সূত্রের মত হয়েছে, বললেন অর্থ উপদেষ্টা নরসিংদীতে মুদি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা ব্রুকলিনের কুখ্যাত এমডিসি কারাগারে বন্দি মাদুরো দম্পতি আজ প্যারিসে ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিয়ে মিত্রদের বৈঠক মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত, তবু সেনাবাহিনী অনুগত: নির্বাসিত কর্মকর্তারা রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা, ১০ জেলায় শৈতপ্রবাহ পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা নামল ৮.৬ ডিগ্রিতে ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’: লন্ডনে ফিলিস্তিনের দূতাবাস উদ্বোধন আদালতে মাদুরো বললেন—আমি সৎ মানুষ, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ

ইসলাম

নেত্রকোনায় ২৩০ বছরের প্রাচীন স্থাপনা

 প্রকাশিত: ১৮:১৩, ৪ জানুয়ারি ২০২৬

নেত্রকোনায় ২৩০ বছরের প্রাচীন স্থাপনা

প্রাকৃতিক ক্ষয়-ক্ষতির দীর্ঘ পথ পেরিয়েও দাঁড়িয়ে আছে সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এক অনন্য স্থাপত্য স্বরমুশিয়া খাঁ বাড়ি তিন গম্বুজ জামে মসজিদ। ২৩০ বছরের এই প্রাচীন মসজিদটি শুধু ধর্মীয় উপাসনালয়ই নয়, বরং বাংলার মুসলিম স্থাপত্য ঐতিহ্যের জীবন্ত সাক্ষী।

নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার স্বরমুশিয়া ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামে ১২১৭ হিজরিতে বাংলার বারো ভূঁইয়া সর্দার ঈসা খাঁয়ের পুত্র মুসা খাঁ মসজিদটি নির্মাণ করেন। সে সময়কার স্থাপত্যশৈলী বিবেচনায় এটি ছিল অত্যন্ত টেকসই ও শৈল্পিক।

মসজিদের দেয়ালের পুরুত্ব ৬ থেকে ৮ ফুট, যা সাধারণত রাজপ্রাসাদ বা দুর্গে দেখা যায়। ফলে স্থাপত্যে রাজকীয় দৃঢ়তার পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে অতীতের ঐশ্বর্যের ছোঁয়াও।প্রথমদিকে মসজিদটিতে এক কাতারে ১৮ জন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারতেন। প্রায় তিন দশক আগে স্থানীয়দের উদ্যোগে বারান্দা সম্প্রসারণ করা হলে বর্তমানে সেখানে একসঙ্গে প্রায় ৭০ জন মুসল্লির নামাজ আদায় সম্ভব হচ্ছে।

সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে মেঝেতে নতুন টাইলস বসানোসহ বেশ কিছু সংস্কারও করা হয়েছে, যা মসজিদটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। মসজিদটির সবচেয়ে নজরকাড়া বৈশিষ্ট্য হলো এর তিনটি গম্বুজ।

২৩০ বছরের ঐতিহ্য বুকে ধারণ করে থাকা এ মসজিদ শুধু নামাজের স্থান নয়, এটি গ্রামীণ মুসলিম সংস্কৃতিরও অংশ। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মুসল্লিরা এখানে নামাজ আদায় করছেন এবং অনুভব করছেন আরবের পুরনো ইসলামী স্থাপত্যশৈলীর ছায়া।

মুসা খাঁয়ের বংশধর মোতাহার হোসেন খান জানান, এই মসজিদটি শুধু অতীতের ঐতিহ্য নয়; ভবিষ্যত্ প্রজন্মের জন্যও এটি এক অমূল্য ইতিহাসের আলো। স্থানীয়দের উদ্যোগে মসজিদটি সংরক্ষণ ও উন্নয়নের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা চলছে, যাতে এটি আরও বহু বছর ইসলামের আলো ছড়িয়ে যেতে পারে।