রোববার ১৪ জুন ২০২৬, জ্যৈষ্ঠ ৩০ ১৪৩৩

ব্রেকিং

স্থানীয়রা না থাকলে ঘটনা অন্যরকম হতে পারত: নাঈম হাসান হোয়াইটওয়াশ এড়াতে মরিয়া অস্ট্রেলিয়া ‘মরক্কো খুব শক্তিশালী’, দলকে সতর্ক করলেন আনচেলত্তি ‘আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি’ ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়তে রাজি ট্রাম্প সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে একটি করে গাছ লাগান: প্রধানমন্ত্রী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী প্রস্তাবিত বাজেট বড় হলেও বাস্তবায়নযোগ্য: এফবিসিসিআই একদিনে হাম সন্দেহে পাঁচ জনের মৃত্যু কুড়িলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল থেকে ১৪ জন গ্রেপ্তার ভারতের নতুন সেনাপ্রধান ধীরাজ শেঠ আসামে ভারতীয় বিমানবাহিনীর উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, নিহত ৫ বিরোধী দল ‘অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে চায়’: প্রধানমন্ত্রী ক্রিকেটারকে মারধরে জড়িত কাউকে ছাড় নয়: সিএমপি কমিশনার ক্রিকেটার নাঈমকে মারধর, পুলিশের ২ সদস্য সাময়িক বরখাস্ত নাঈমের গলায় পুলিশের থাবা: ক্রিকেটাররা ক্ষুব্ধ, বিসিবির নিন্দা মে মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬২২, আহত ১৬৫২: যাত্রী কল্যাণ সমিতি ইরানের বিলিয়ন ডলার ছাড় করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত

মতামত

সুদানে গণহত্যা নিয়ে যে প্রশ্ন তুললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

 প্রকাশিত: ১০:৫৫, ২ নভেম্বর ২০২৫

সুদানে গণহত্যা নিয়ে যে প্রশ্ন তুললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

আফ্রিকার দেশ সুদানে চলমান গণহত্যা ও মানবিক বিপর্যয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় ইসলামী বক্তা ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।

শনিবার রাতে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেন,

“বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবিক সংকটে পড়েছে আফ্রিকার দেশ সুদান। গত তিন দিনে সন্ত্রাসীদের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত দেড় হাজার মানুষ। নিহতদের মধ্যে হাসপাতালের প্রায় ৫০০ রোগী ও তাদের স্বজনরাও রয়েছেন।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “২০২৩ সালে শুরু হওয়া সংঘাতে এখন পর্যন্ত দেড় লাখের বেশি মানুষ মারা গেছেন। সন্ত্রাসীদের ভয়ে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।”

শায়খ আহমাদুল্লাহ দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, “এত ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। আফ্রিকায় শান্তিরক্ষা মিশনের কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে—তারা কি সত্যিই শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে, নাকি নিজেদের স্বার্থ রক্ষাতেই ব্যস্ত?”

তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, “শান্তিরক্ষা মিশনের নামের মর্যাদা রক্ষার্থেও কি তারা সুদানের সহিংসতা থামাতে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেবে না? এই হত্যাযজ্ঞ যদি কোনো উন্নত দেশে ঘটত, তবে কি বিশ্বজুড়ে এতটাই নীরবতা থাকত? গরিব এবং মুসলমান বলেই কি সুদানের মানুষের প্রাণের কোনো মূল্য নেই তথাকথিত সভ্য সমাজের কাছে?”