ব্রেকিং:
করোনায় ৩৬ লাখ পরিবার পাবে প্রধানমন্ত্রীর `ঈদ উপহার` বিশ্বে কোভিড -১৯(করোনা ভাইরাসে) প্রায় ৩০ লাখ মানুষের মৃত্যু। সাবেক মন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরুকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন আব্দুল মতিন খসরুর জানাজা সম্পন্ন, বাদ আসর দাফন কারিগরির আকস্মিক দুর্বিপাকে আন্তঃব্যাংক চেক লেনদেন বন্ধ সাবেক আইনমন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরুর দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন ভারতে ৫ কোটি স্পুটনিক টিকা সরবরাহ করবে রাশিয়া বিপজ্জনক মোড় নিচ্ছে ইরান ও ইসরায়েলের ছায়াযুদ্ধ টিকা কিনতে বাংলাদেশ-বিশ্বব্যাংকের ঋণচুক্তি সই

শনিবার   ১৭ এপ্রিল ২০২১,   বৈশাখ ৪ ১৪২৮,   ০৪ রমজান ১৪৪২

সর্বশেষ:
প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য শনিবার থেকে বিশেষ ফ্লাইট চালু
৯৮

সারাদেশে আজ থেকে ৭ দিনের লকডাউন

প্রকাশিত: ৫ এপ্রিল ২০২১  

আজ ৫ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ১১ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত এসব নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। আজ (সোমবার) থেকে সারাদেশে শুরু হয়েছে সাত দিনের লকডাউন। আক্ষরিকভাবে লকডাউন বলা না হলেও সব ক্ষেত্রে নানা ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। বন্ধ রয়েছে সব ধরনের যাত্রীবাহী গণপরিবহন। পাশাপাশি বাজার-মার্কেট, হোটেল-রেস্তোরাঁয় দেওয়া হয়েছে বিধিনিষেধ। তবে সংবাদপত্রসহ সব ধরনের জরুরি সেবা থাকবে বিধিনিষেধের বাইরে।
 প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেওয়া ১৮ দফা নির্দেশনা অনুসরণ করে এসব নির্দেশনা দেওয়ার কথা জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
রবিবার জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সব প্রকার গণপরিবহন (সড়ক, নৌ, রেল ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা, জরুরি সেবার ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না। এছাড়া বিদেশগামী/বিদেশ প্রত্যাগত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না। আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন- ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর (স্থল, নৌ ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাকসেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিস এবং তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে। সব সরকারি/আধা-সরকারি/ স্বায়ত্তশাসিত অফিস ও আদালত এবং বেসরকারি অফিস কেবল জরুরি কাজ সম্পাদনের জন্য সীমিত পরিসরে প্রয়োজনীয় জনবলকে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় অফিসে আনা-নেওয়া করতে পারবে। শিল্পকারখানা ও নির্মাণকাজ চালু থাকবে। বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ শিল্পকারখানা এলাকায় নিকটবর্তী সুবিধাজনক স্থানে তাদের শ্রমিকদের জন্য ফিল্ড হাসপাতাল ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করবে। সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসাসেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই  বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। খাবারের দোকান ও হোটেল রেস্তোরাঁয় কেবল খাবার বিক্রি ও সরবরাহ করা যাবে। কোনো অবস্থায় হোটেল- রেস্তোরাঁয় বসে খাবার গ্রহণ করা যাবে না।

 


অনলাইন নিউজ পোর্টাল
অনলাইন নিউজ পোর্টাল
এই বিভাগের আরো খবর