সোমবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ফাল্গুন ১১ ১৪৩২, ০৬ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

আমার দুঃসময়ে বিএনপির সহযোগিতা ছিল শতভাগ: রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত সরকার পছন্দের লোক বসাবে, এটাই স্বাভাবিক: তাজুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ নেপালে যাত্রীবাহী বাস গিরিসঙ্কটে পড়ে পর্যটকসহ নিহত ১৯ রোহিঙ্গাদের লাকড়ি সংগ্রহে উজাড় ভাসানচরের উপকূলীয় বন নড়াইলে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ৪ চট্টগ্রামে রান্নাঘরে গ্যাস `বিস্ফোরণে` দগ্ধ ৯, সবার অবস্থা ‘আশঙ্কাজনক` পদ্মার ১৭ চরে নেই স্কুল, শিক্ষাবঞ্চিত হাজারো শিশু মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই-বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত মেক্সিকোর শীর্ষ মাদক কারবারি ‘এল মেনচো’ সামরিক অভিযানে নিহত মালয়েশিয়ায় ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

প্রযুক্তি

মঙ্গলের আকাশে হেলিকপ্টার উড়ালো নাসা

 প্রকাশিত: ১৭:৪৪, ২০ এপ্রিল ২০২১

মঙ্গলের আকাশে হেলিকপ্টার উড়ালো নাসা

‌পৃ‌থিবী ও মঙ্গলগ্রহের আকাশের তফাৎ অনেক। মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল খুবই পাতলা। তাই পৃ‌থিবীর মতো ইচ্ছে করলেই মঙ্গলে বিমানযান ওড়ানো সম্ভব নয়। তবে কাজটিকে ছোট পরিসরে সম্ভর করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। তারা প্রথমবারের মত মঙ্গলগ্রহের পৃষ্ঠ থেকে সফলভাবে ছোট একটি হেলিকপ্টার (ড্রোন) ওড়াতে সক্ষম হয়েছে।

মঙ্গলের আকাশে ইনজেনুয়িটি নামের এই ড্রোন এক মিনিটের কম সময়ে ওড়ে। মঙ্গলগ্রহ থেকে একটি উপগ্রহের মাধ্যমে পৃথিবীতে পাঠানো তথ্যে এই খবর পৌঁছেছে।

মঙ্গলের আকাশে এই প্রথম যন্ত্রচালিত এবং নিয়ন্ত্রিত কোন যান ওড়ানোর সাফল্যে তারা উচ্ছ্বসিত নাসার গবেষকরা। কারণ মঙ্গলের মাটি থেকে কোন বায়ুযান গ্রহটির আকাশে ওড়ানো সহজ নয়। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ঘনত্বের মাত্র ১ শতাংশ ঘনত্ব গ্রহটির বায়ুমণ্ডলের। এর ফলে কোন পাখাওয়ালা বিমানযানের জন্য বাতাস কেটে খুব বেশি ওপরে ওঠা খুবই কঠিন।

মাত্র এক দশমিক আট কেজি ওজনের হেলিকপ্টারটি (ড্রোন) মঙ্গলের পৃষ্ঠ থেকে উড়ে ৪০ সেকেন্ড পর সফলভাবে অবতরণ করেছে। নাসা বলছে এই সাফল্য সামনের দিনগুলোতে আরও দুঃসাহসিক বিমান ওড়ানোর পথ প্রশস্ত করল।

ছবিতে দেখা যায়, মঙ্গলের বুক থেকে মাত্র এক দশমিক আট কেজি ওজনের এই ড্রোনটি প্রায় ৩ মিটার উপরে ওঠে। ড্রোনটি এদিক থেকে ওদিকে যায়, তার পাখাগুলো ঘুরতে দেখা যায়। প্রায় ৪০ সেকেন্ড পর ড্রোনটি আবার সফলভাবে মঙ্গলের মাটিতে অবতরণ করে।

নাসার রোভার পারসিভারেন্স এই হেলিকপ্টারটি বহন করে নিয়ে যায়। ফেব্রুয়ারিতে লাল গ্রহের মাটিতে পা রেখেই একের পর এক চমক দেখাচ্ছে পারসিভারেন্স। এর আগে ৩৩ মিনিট ধরে মঙ্গলে ঘোরাফেরা করে রোবটযানটি।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, ইনজেনুয়িটি ড্রোনটির প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা পরীক্ষা করার পর এটিকে এখন তারা আরও উঁচুতে এবং আরও দূর পর্যন্ত ওড়াতে চান। এরকম ড্রোন দিয়ে এরপর থেকে মঙ্গল বা অন্য কোনো গ্রহের ভূ-প্রকৃতি এবং পরিবেশ পর্যবেক্ষণ অনেক সহজ হবে।

প্রথম উড্ডয়ন সফল হবার পর আগামী দিনগুলোতে তারা আরও চারটি ফ্লাইট ওড়ানোর চেষ্টা করবেন গবেষকরা। প্রতিটি ফ্লাইটে হেলিকপ্টারটিকে একটু একটু করে বেশি দূর পর্যন্ত ওড়ানো হবে। সবমিলিয়ে এই সাফল্য তাদের জন্য মঙ্গলগ্রহকে জানার জন্য বিরাট সম্ভাবনার পথ খুলে দিল।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল