রোববার ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ফাল্গুন ১০ ১৪৩২, ০৫ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কথা কম বলে, কাজ বেশি করতে চাই: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী ফেব্রুয়ারির ২১ দিনে প্রবাসী আয় এলো ২৩০ কোটি ডলার ১৬ বছর হলেই এনআইডি দেওয়ার সিদ্ধান্ত ইসির সংসদ বসছে ১২ মার্চ, সেদিনই স্পিকার নির্বাচন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ১৮ মাস পর ইউনূস সেন্টারে ফিরলেন মুহাম্মদ ইউনূস ঢাবি ভিসি অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খানের পদত্যাগ এপ্রিলের প্রথমার্ধে বগুড়া-৬, শেরপুর-৩ আসনে ভোট জানুয়ারিতে সড়কে ঝরেছে ৫৪৬ প্রাণ তেজগাঁও কলেজের ছাত্র ইকরাম হত্যায় দুজনের প্রাণদণ্ড ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে এবার শিক্ষার্থীরা সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ক ১৫ শতাংশ ‘জঙ্গি’ হামলার জবাব দিতে আফগানিস্তানে আক্রমণ পাকিস্তানের

জাতীয়

শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

 প্রকাশিত: ১৯:৪৮, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তবে কবে নাগাদ এই টার্মিনাল চালু হতে পারে, সে বিষয়ে কোনো নির্দেশনা আসেনি।

রোববার দুপুরে থার্ড টার্মিনাল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী পর্যালোচনা বৈঠক করার পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম।

সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে থার্ড টার্মিনাল নিয়ে এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিমানমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করছেন যাতে সামনে থার্ড টার্মিনাল চালু করা যায়। সে ব্যাপারে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন।”

কবে নাগাদ থার্ড টার্মিনাল চালু হবে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “কবে চালু হবে, এটা তো বলা যাবে না। এখন আলাপ আলোচনা হবে, তদন্ত হবে, কীভাবে আমরা তাড়াতাড়ি করতে পারি সেটা নিয়ে কাজ চলছে। তবে নির্দিষ্ট কোনো সময় দেওয়া যাবে না।”

২০১৭ সালে থার্ড টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্প হাতে নেয় তখনকার আওয়ামী লীগ সরকার। নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর। ব্যয় ধরা হয় প্রায় ২১ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থার্ড টার্মিনালের আংশিক উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেসময় বেবিচক জানিয়েছিল, ২০২৪ সালেই পুরোপুরি কার্যক্রম শুরু হবে থার্ড টার্মিনালের। কিন্তু তা আর হয়নি।

অন্তর্বর্তী সরকারও দফায়-দফায় চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত থার্ড টার্মিনাল চালু হয়নি। মূলত ‘গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং এবং অপারেশনের বিষয়ে’ সিদ্ধান্তে না পৌঁছাতে পারা এবং টার্মিনাল ভবনের ভেতরে কিছু কাজের কারিগরি ত্রুটির জন্যই এই টার্মিনাল চালু করা সম্ভব হয়নি।

৯৯ শতাংশের বেশি কাজ সম্পন্ন হয়েছে, তারপরও কেন থার্ড টার্মিনাল চালু করা সম্ভব হল না? জবাবে আফরোজা খানম বলেন, “কেন চালু হচ্ছে না, সেটা অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ছিল, প্রশ্নটা তাদের করতে পারতেন। এখন প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করছেন যাতে সামনে চালু করা যায়। সে ব্যাপারে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন।”

এরপর বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে হজ ব্যবস্থাপনা অগ্রগতি বিষয়ক পর্যালোচনা সভায় অংশ নেন বিমান মন্ত্রী।

বৈঠকে তিনি বলেন, “হজ যাত্রীরা যাতে কোনোভাবেই হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়া, হাজীদের সুষ্ঠুভাবে হজ সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাতে হবে। রাষ্ট্রের কর্মচারী হিসেবে এটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

সভায় বিমান প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, “আমরা দেখবো উপযুক্ত ব্যক্তি উপযুক্ত স্থানে দায়িত্ব পালন করছেন কী না।”

মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী হজ ক্যাম্প পরিদর্শন করে সরেজমিনে সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এছাড়া সভায় হজ ফ্লাইটের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়েও বিশদ আলোচনা হয়।

সভায় অন্যদের মধ্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরিন জাহান, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামাল উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।