ব্রেকিং:
লিবীয় উপকূলে নৌকাডুবি, ৫৭ অভিবাসীর মৃত্যুর আশঙ্কা ১৮ বছর পর ইরাকে ‘যুদ্ধ সমাপ্তির’ ঘোষণা মার্কিন প্রেসিডেন্ট রাজধানীতে আটক-জরিমানায় চলছে কঠোর লকডাউন

বৃহস্পতিবার   ২৯ জুলাই ২০২১,   শ্রাবণ ১৪ ১৪২৮,   ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

সর্বশেষ:
বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা ৪১ লাখ ৮২ হাজার ছাড়াল দেশে টিকার আওতায় এসেছ প্রায় এক কোটি ২১ লাখ মানুষ ঈদের আগে দেশে ১৫৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে প্রবাসীরা
১৪২

আফগানি দোভাষীদের সরিয়ে নেয়ার প্রস্তুতি: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত: ১৫ জুলাই ২০২১  

যুদ্ধের সময় মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনীকে সহায়তা করা দোভাষীদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তারা এখন খুব ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে বলে মনে করা হচ্ছে।

হোয়াইট হাউজ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সেই প্রক্রিয়া ‘অপারেশন এলাইস রিফিউজি’ শুরু হবে জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে।

১১ সেপ্টেম্বর থেকে আফগানিস্তান থেকে তাদের সেনাবাহিনী তুলে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এই ডেডলাইন ঘোষণা করেছেন।

হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র জেন সাকি ব্রিফিংয়ে বলেন, তারা খুব সাহসী ব্যক্তি। গত বেশ কয়েক বছর ধরে তারা যে ভূমিকা পালন করেছে, আমরা তার স্বীকৃতি এবং মূল্য নিশ্চিত করতে চাই।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা রয়টার্স বার্তা সংস্থাকে বলেছেন, প্রাথমিকভাবে সরিয়ে নেওয়া হবে প্রায় আড়াই হাজার লোককে। তাদের সামরিক সুবিধার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র বা তৃতীয় কোন দেশে নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরই মধ্যে ওইসব ব্যক্তির ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

২০০১ সালে শুরু হওয়া আফগানিস্তান যুদ্ধের সময় থেকে মার্কিন সরকার বা আমেরিকান নেতৃত্বাধীন সামরিক বাহিনী সঙ্গে কাজ করা ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ অভিবাসন ভিসা প্রোগ্রাম- এর সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

সম্প্রতি পুরো আফগানিস্তান দখলে তালেবান জঙ্গিদের যে অগ্রগতি, তাতে ওইসব দোভাষীদের উপর প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি আরও তীব্র হয়েছে। ইরান, পাকিস্তান, তাজিকিস্তান এবং তুর্কমেনিস্তানের সাথে ক্রসিংসহ আফগান বাহিনীর একাধিক সীমান্ত পোস্ট দখল করেছে তালেবানরা।

বুধবার তালেবান জঙ্গিরা কান্দাহারের কাছে পাকিস্তান সীমান্তের মূল স্পিন বোলডাক ক্রসিংয়ে তাদের পতাকা উড়িয়েছে বলেও জানা গেছে।

তবে আক্রমণ হলে আফগান সুরক্ষা বাহিনী পুরোপুরি ধসে পড়বে বলে আশঙ্কা অনেকের। তাই মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত ‘অবিশ্বাস্যভাবে খারাপ’ হবে বলেই ধারণা তাদের।

১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে ২০০১ সালে মার্কিন আক্রমণ পর্যন্ত আফগানিস্তানকে নিয়ন্ত্রণকারী তালেবানদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মানবাধিকার ও সাংস্কৃতিক আইন লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

তারা ইসলামিক শাস্তি যেমন, দণ্ডপ্রাপ্ত খুনীদের জনসাধারণের সামনে শিরোশ্ছেদ করা, টেলিভিশন, সংগীত ও সিনেমা নিষিদ্ধকরণ এবং ১০ বছরের বেশি বয়সী মেয়েদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ করাকে সমর্থন করে।


এই বিভাগের আরো খবর