সোমবার ১৬ মার্চ ২০২৬, চৈত্র ২ ১৪৩২, ২৭ রমজান ১৪৪৭

খেলা

তানজিদের সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানকে ২৯১ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

 প্রকাশিত: ১৬:৩৯, ১৬ মার্চ ২০২৬

তানজিদের সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানকে ২৯১ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

ওপেনার তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরিতে তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে জয়ের জন্য পাকিস্তানকে ২৯১ রানের লক্ষ্য দিয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। প্রথমে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৯০ রান করে টাইগাররা। ক্যারিয়ারের প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরির ইনিংসে ১০৭ বলে ১০৭ রানের নান্দনিক ইনিংস খেলেন তানজিদ।

আজ মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশকে দারুণ শুরু এনে দেন দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ। উদ্বোধনী জুটিতে ১০৯ বলে ১০৫ রান যোগ করেন তারা। 
১০ ওভারে ৫০ ও ১৮তম ওভারে দলের রান ১শতে নেন সাইফ-তানজিদ। এরমধ্যে ৪৭ বলে ওয়ানডেতে ষষ্ঠ হাফ-সেঞ্চুরির দেখা পান তানজিদ। 

১৯তম ওভারের প্রথম বলে সাইফকে বোল্ড করে পাকিস্তানকে প্রথম উইকেট এনে দেন পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি। ৩টি চারের সহায়তায় ৫৫ বলে ৩৬ রান করেন তানজিদ। 

দ্বিতীয় উইকেটে নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে ৫৩ রান যোগ করে বাংলাদেশের স্কোর দেড়শ পার করেন তানজিদ। ৩ বাউন্ডারিতে শান্ত ব্যক্তিগত ২৭ রানে পেসার হারিস রউফের বলে লেগ বিফোর আউট হলে ক্রিজে তানজিদের সঙ্গী হন লিটন দাস। 

লিটনের সাথে জুটিতে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৩০তম ম্যাচে প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পান ২০২৩ সালে এশিয়া কাপে পাল্লেকেলেতে শ্রীলংকার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে অভিষেক হওয়া তানজিদ। ৩৩তম ওভারের শেষ বলে পাকিস্তানের স্পিনার সালমান আগার বলে উইকেট ছেড়ে বোলারের মাথার উপর দিয়ে ছক্কা মেরে শতক পূর্ণ করেন এই বাঁ-হাতি ব্যাটার। 

সেঞ্চুরির পর ইনিংস বড় করতে পারেননি তানজিদ। ৩৭তম ওভারে দলীয় ১৯৪ রানে পাকিস্তানের স্পিনার আবরার আহমেদের বলে কভারে আফ্রিদিকে ক্যাচ দেন তিনি। ৬টি চার ও ৭টি ছক্কায় ১০৭ বলে ১০৭ রান করেন তানজিদ। 

তানজিদ ফেরার পর বাংলাদেশকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন লিটন ও তাওহিদ হৃদয়। চতুর্থ উইকেটে তাদের ৬১ বলে ৬৮ রানের জুটিতে আড়াইশ রানের কোটা পেরিয়ে যায় বাংলাদেশ। রউফের করা ৪৭তম ওভারে লিটন থামার পর নতুন ব্যাটার হিসেবে রিশাদ হোসেন গোল্ডেন ডাক মারেন। ১টি করে চার-ছক্কায় ৫১ বলে ৪১ রান করেন লিটন। 

এরপর ইনিংসের শেষ ২০ বল থেকে ২৮ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে বাংলাদেশকে ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৯০ রানের বড় সংগ্রহ এনে দেন হৃদয় ও আফিফ হোসেন। শেষ দশ ওভারে ২ উইকেটে ৭৭ রান যোগ করতে পারে বাংলাদেশ।

৪টি চারে ৪৪ বলে অপরাজিত ৪৮ রান করেন হৃদয়। ৮ বলে ৫ রানে অপরাজিত থাকেন আফিফ। 

বল হাতে পাকিস্তানের রউফ ১০ ওভারে ৫২ রানে ৩ উইকেট নেন।