মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ৬ ১৪৩২, ০১ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

‘হ্যাঁ’তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে: প্রধান উপদেষ্টা এস আলমের সম্পত্তি দেখভালে রিসিভার নিয়োগ চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের গেজেট প্রকাশ ৫৯ শতাংশ ভোটকেন্দ্র ‘ঝুঁকিপূর্ণ’: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দোষারোপের রাজনীতিতে মানুষের পেট ভরে না: তারেক রহমান নাসা গ্রুপের সম্পত্তি বিক্রি করে শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ হচ্ছে শাকসু নির্বাচন ৪ সপ্তাহের জন্য স্থগিত ইসি যোগ্যতার সঙ্গেই নির্বাচন পরিচালনা করতে সক্ষম: ফখরুল রুমিন ফারহানাকে শোকজ, সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দাবি না মানলে নির্বাচন ভবনের ফটক অবরোধের হুঁশিয়ারি ছাত্রদলের অর্থ আত্মসাৎ: এস আলম, পি কে হালদারসহ ১৩ জনের বিচার শুরু আলিফ হত্যা: চিন্ময়সহ সব আসামির বিচার শুরুর আদেশ কুর্দিদের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আল-শারা ইরানের সরকারবিরোধী আন্দোলনের সমর্থনে যুক্তরাষ্ট্রে মিছিল সংসদ-গণভোট: ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ শুরু ২২ জানুয়ারি স্পেনে দুই হাইস্পিড ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ২১

ইসলাম

এটি হাদীস নয়

 প্রকাশিত: ১৪:০৫, ২৯ ডিসেম্বর ২০২২

এটি হাদীস নয়

এক বক্তার ওয়াজে শোনা গেল, “রাসূলের মুয়াজ্জিন হযরত বেলাল রা. ‘আশহাদু’ ঠিকমত উচ্চারণ করতে পারতেন না। তিনি  ش(শীন) কে  س(সীন) পড়তেন। তার এই অশুদ্ধ উচ্চারণে লোকদের আপত্তির কারণে তাকে আযানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং তার পরিবর্তে অন্য একজন সহীহ উচ্চারণকারীকে মুয়াজ্জিন বানানো হয়। এরপর এক দিন অতিবাহিত হলে জিব্রীল আ. রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে তাশরীফ এনে বললেন, আজ কি আপনার মসজিদে আযান হয়নি? রাসূল সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যঁা, খুব সুন্দর আযান হয়েছে। আগের থেকে ভাল। জিব্রীল আ. বললেন, আগের আযান তো আরশ পর্যন্ত পৌঁছত। কিন্তু আজকের আযান তো আরশ পর্যন্ত পৌঁছেনি। “আল্লাহর নিকট বেলাল-এর সীন উচ্চারণ শীন ধর্তব্য হয়।” শুনে রাখুন, এটি একটি বানানো জাল ও মুখরোচক ভিত্তিহীন ঘটনা। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদীসের সাথে এটির সামান্যতম সম্পর্ক নেই। সহীহ হাদীসের স্পষ্ট বক্তব্য থেকে জানা যায়, বেলাল রা. খুব স্পষ্টভাষী, উঁচু আওয়াজ এবং সুমিষ্ট স্বরের অধিকারী ছিলেন। এজন্যই তাকে আযান দেওয়ার জন্য মনোনিত করা হয়েছিল। হাদীস পর্যালোচকগণ দৃঢ়ভাবে বলেছেন, উল্লেখিত বর্ণনার কোন ভিত্তি নেই।

আলমাসনু ফী মারিফাতিল মাওযূ ১১৩; আলমাকাসিদুল হাসানাহ ১৯৭; কাশফুল খাফা ১/৪১১