মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ ৩০ ১৪৩২, ২৪ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা: ভারতের সেনাপ্রধান চতুর্থ দিনে আপিল মঞ্জুর ৫৩ জনের, না মঞ্জুর ১৭ চুয়াডাঙ্গায় সেই অভিযানে যাওয়া সব সেনা সদস্য প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি মোবাইল আমদানিতে শুল্ক কমল, দামি স্মার্টফোনে ৫৫০০ টাকা কমার আশা টেকনাফে গুলিবিদ্ধ শিশু: ঢাকায় মিয়ানমার রাষ্ট্রদূতকে তলব বাংলাদেশের অবস্থান বদলাতে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রদূতের পদত্যাগের ঘোষণা ‘প্লট দুর্নীতি’: হাসিনা, টিউলিপ, রূপন্তীর মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ এশীয় উচ্চশিক্ষা সম্মেলন শুরু, প্রধান উপদেষ্টার উদ্বোধন কিশোরগঞ্জ-২: রঞ্জন জামায়াতে, ছেলে খেলাফতে, মুক্তিযোদ্ধা ভাই স্বতন্ত্র শাবিতে নির্বাচন হবে? রাতভর বিক্ষোভ ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর ২৫% শুল্ক চাপালেন ট্রাম্প ট্রাম্প প্রশাসন এখনও ইরানের ওপর হামলার কথা বিবেচনা করছে ভারতে এই প্রথম আফগান দূতাবাসের দায়িত্বে তালেবান কূটনীতিক যুক্তরাষ্ট্র ‘যেকোনো উপায়ে’ গ্রিনল্যান্ড দখলে নেবে: ট্রাম্প ১১৬ রাজনৈতিক বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে ভেনেজুয়েলা সরকার

ইসলাম

এটি হাদীস নয়

 প্রকাশিত: ১৪:০৫, ২৯ ডিসেম্বর ২০২২

এটি হাদীস নয়

এক বক্তার ওয়াজে শোনা গেল, “রাসূলের মুয়াজ্জিন হযরত বেলাল রা. ‘আশহাদু’ ঠিকমত উচ্চারণ করতে পারতেন না। তিনি  ش(শীন) কে  س(সীন) পড়তেন। তার এই অশুদ্ধ উচ্চারণে লোকদের আপত্তির কারণে তাকে আযানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং তার পরিবর্তে অন্য একজন সহীহ উচ্চারণকারীকে মুয়াজ্জিন বানানো হয়। এরপর এক দিন অতিবাহিত হলে জিব্রীল আ. রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে তাশরীফ এনে বললেন, আজ কি আপনার মসজিদে আযান হয়নি? রাসূল সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যঁা, খুব সুন্দর আযান হয়েছে। আগের থেকে ভাল। জিব্রীল আ. বললেন, আগের আযান তো আরশ পর্যন্ত পৌঁছত। কিন্তু আজকের আযান তো আরশ পর্যন্ত পৌঁছেনি। “আল্লাহর নিকট বেলাল-এর সীন উচ্চারণ শীন ধর্তব্য হয়।” শুনে রাখুন, এটি একটি বানানো জাল ও মুখরোচক ভিত্তিহীন ঘটনা। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদীসের সাথে এটির সামান্যতম সম্পর্ক নেই। সহীহ হাদীসের স্পষ্ট বক্তব্য থেকে জানা যায়, বেলাল রা. খুব স্পষ্টভাষী, উঁচু আওয়াজ এবং সুমিষ্ট স্বরের অধিকারী ছিলেন। এজন্যই তাকে আযান দেওয়ার জন্য মনোনিত করা হয়েছিল। হাদীস পর্যালোচকগণ দৃঢ়ভাবে বলেছেন, উল্লেখিত বর্ণনার কোন ভিত্তি নেই।

আলমাসনু ফী মারিফাতিল মাওযূ ১১৩; আলমাকাসিদুল হাসানাহ ১৯৭; কাশফুল খাফা ১/৪১১