শনিবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ফাল্গুন ৯ ১৪৩২, ০৪ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

গণমাধ্যমের অভিভাবক হওয়ার দায়িত্ব আমার: তথ্যমন্ত্রী মোংলা-খুলনা রেলপথে একাধিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: মন্ত্রী নাগরিক কমিটিকে সম্পৃক্ত করে টিসিবির কার্যক্রম স্বচ্ছ করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী কুষ্টিয়ায় গ্যাস লরির সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৫ তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম দিন: বৃক্ষরোপণ ও ডাকটিকিট অবমুক্ত ছুটির দিনে প্রথমবার তেজগাঁওয়ে অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘হ্যাঁ’-এর শপথের কোনো প্রয়োজন নেই: পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি বিএনপি নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ না করলে পরিণতি ভয়াবহ হবে: রুমিন ইরানে সীমিত আকারে হামলা হতে পারে, জানালেন ট্রাম্প আদালতের তিরস্কারের পর ট্রাম্পের ১০% শুল্ক ঘোষণা ইতিহাসে প্রথমবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জামায়াত আমিরের শ্রদ্ধা একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা দেশজুড়ে ভাষা শহীদদের স্মরণ, মানুষের ঢল মৌলভীবাজারে পিকআপ-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৩ প্রশান্ত মহাসাগরে সন্দেহভাজন নৌযানে মার্কিন হামলায় নিহত ৩

ইসলাম

ইফতারের আগে যে তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না

 প্রকাশিত: ১৮:৪০, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ইফতারের আগে যে তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না

রমজান আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে বান্দাদের জন্য এক বিশেষ নেয়ামত। এ মাসে রোজা পালন করা প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের জন্য ফরজ। ইসলামী বর্ণনায় উল্লেখ আছে—রমজানে কিছু সময় এমন আছে, যখন দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি। এর মধ্যে ইফতারের আগের মুহূর্ত বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

হাদিসে এসেছে, তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না—

১. পিতার দোয়া

২. রোজাদারের দোয়া

৩. মুসাফিরের দোয়া

(বাইহাকী ৩/৩৪৫; সিলসিলাহ সহীহাহ, হাদিস: ১৭৯৭)

আলেমদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, রোজাদার ব্যক্তি সারাদিন ক্ষুধা ও পিপাসা সহ্য করে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে সংযত রাখেন। এতে তার অন্তরে বিনয়, ভক্তি ও আন্তরিকতা বৃদ্ধি পায়—যা দোয়া কবুলের অন্যতম কারণ। বিশেষ করে ইফতারের ঠিক আগে, যখন রোজাদার দীর্ঘ সময়ের ইবাদতের পর আল্লাহর দরবারে হাত তুলে দোয়া করেন, তখন সেই দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

এ বিষয়ে আরেকটি হাদিসে এসেছে—

‘রোজাদারের জন্য ইফতারের সময় এমন একটি দোয়া থাকে, যা প্রত্যাখ্যান করা হয় না।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ; মুস্তাদরাকে হাকিম)

তবে এই হাদিসের সনদ নিয়ে মুহাদ্দিসদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। মুহাম্মদ নাসিরুদ্দিন আলবানী এটিকে দুর্বল বলেছেন। অন্যদিকে ইমাম বূসীরী, ইবনে হাজার আসকালানী ও আহমদ শাকের প্রমুখ আলেম এটিকে সহীহ বা হাসান হিসেবে গ্রহণযোগ্য মনে করেছেন।

সার্বিকভাবে আলেমদের অভিমত—হাদিসের মান নিয়ে মতভেদ থাকলেও সহীহ বর্ণনায় রোজাদারের দোয়া কবুল হওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত। তাই রোজা অবস্থায় বেশি বেশি দোয়া করা, বিশেষ করে ইফতারের আগের সময়টিকে গুরুত্ব দেওয়া—প্রত্যেক মুমিনের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।