শনিবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ফাল্গুন ৯ ১৪৩২, ০৪ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম দিন: বৃক্ষরোপণ ও ডাকটিকিট অবমুক্ত ছুটির দিনে প্রথমবার তেজগাঁওয়ে অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘হ্যাঁ’-এর শপথের কোনো প্রয়োজন নেই: পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি বিএনপি নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ না করলে পরিণতি ভয়াবহ হবে: রুমিন ইরানে সীমিত আকারে হামলা হতে পারে, জানালেন ট্রাম্প আদালতের তিরস্কারের পর ট্রাম্পের ১০% শুল্ক ঘোষণা ইতিহাসে প্রথমবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জামায়াত আমিরের শ্রদ্ধা একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা দেশজুড়ে ভাষা শহীদদের স্মরণ, মানুষের ঢল মৌলভীবাজারে পিকআপ-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৩ নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত অন্তত ৫০, অনেক নারী-শিশু অপহৃত

জাতীয়

শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের ঢল

 প্রকাশিত: ১৪:১৭, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের ঢল

রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে সাত দশক আগে যারা জীবন দিয়েছিলেন, তাদের স্মরণে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেমেছে মানুষের ঢল।

শিশু থেকে বৃদ্ধ—সর্ব বয়সিরাই এসেছেন শ্রদ্ধা জানাতে। কারো হাতে পুষ্পস্তবক, আর কারো হাতে ফুলের তোড়া; ফুলেল শ্রদ্ধায় ভরে উঠেছে শহীদ মিনার প্রাঙ্গন।

একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর শহীদ মিনার চত্বর সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

এরপর মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তিন বাহিনীর প্রধান এবং প্রথমবারের মত জামায়াতে ইসলামী পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

শুক্রবার বেলা ১১টায় দেখা যায়, বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পাশাপাশি পরিবার নিয়ে অনেকেই এসেছেন শ্রদ্ধা জানাতে।

মতিঝিল থেকে পরিবার নিয়ে আসা রিমা চক্রবর্তী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “প্রতিবছরের মত এবারও বাচ্চাদেরকে নিয়ে এসেছি। তাদেরকে বোঝাতে চাই, এদেশে ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছেন তারা, তাদেরকে যেন সবসময় শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।”

প্রথমবারের মত ছেলেকে নিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে আসা নাজমুল হোসেন বলেন, “এই যে বাংলা ভাষায় কথা বলি, এটা ভাষা শহীদদের অবদান। তাই তাদেরকে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি।

“এবার প্রথম আমার ছেলেকেও নিয়ে এসেছি। সেও জানুক, এ ভাষা সংগ্রামীদের ইতিহাস।”

ষাটোর্ধ্ব রানু সরকার বলেন, “আমি যুদ্ধের এক যুগ আগে জন্মগ্রহণ করেছি। মুক্তিযুদ্ধ আমার সুস্পষ্ট মনে আছে।

“এ মুক্তিযুদ্ধ হওয়ার পেছনে সবচেয়ে মূখ্য ভূমিকা ছিল এ ভাষা আন্দোলনের। যাদের কারণে আজ ভাষা পেয়েছি, দেশ পেয়েছি। সেই বীরদের স্মরণে আসলাম।”

প্রভাতফেরির পথে পথে কণ্ঠে কণ্ঠে সেই গান ঝরে- ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি… আমি কি ভুলিতে পারি’।

রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ১৯৫২ সালের এই দিনে বাঙালির রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল রাজপথ; ওই রক্তের দামে এসেছিল বাংলার স্বীকৃতি আর তার সিঁড়ি বেয়ে অর্জিত হয় স্বাধীনতা।

এদিন যারা শ্রদ্ধা জানিয়েছে, তাদের মধ্যে আছে—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল কেন্দ্রীয় কমিটি, সাংস্কৃতিক সংগঠন সমগীত, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদল, বাসদ (মার্ক্সবাদী), সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট।