সোমবার ০৯ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ২৫ ১৪৩২, ২০ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

ইরানের পাশে থাকার বার্তা পুতিনের, শুভেচ্ছা খামেনির ছেলেকে লেবাননে সাত দিনে ৮৩ শিশু নিহত হাদি হত্যার আসামিদের সাক্ষাৎ পেতে কনস্যুলার অ্যাকসেস চাইল বাংলাদেশ ভোজ্যতেলের দাম এক ফোঁটাও বাড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী যাত্রাবাড়ীতে রগ কেটে যুবককে হত্যা জঙ্গল ছলিমপুরে ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ প্রতিষ্ঠা হয়েছে, অস্ত্র উদ্ধার, আটক ১৫: ডিআইজি হাদি হত্যার আসামি ফেরাতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুই প্রসিকিউটর নিয়োগ, একজনের পদত্যাগ ইরানের নতুন নেতা নিয়ে ‘খুশি নন’ ট্রাম্প, চীন বলছে ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়’ ইরানি তেল স্থাপনায় ইসরায়েলি হামলায় ‘বিরক্ত, বিস্মিত’ যুক্তরাষ্ট্র মোজতবা খামেনি: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা জঙ্গল সলিমপুরে যৌথবাহিনীর অভিযান মাদারীপুরে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে ৪ ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ, শতাধিক হাতবোমার বিস্ফোরণ পিতার মত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হলেন মুজতাবা খামেনি ইরানি হামলায় ইসরায়েলে ১৩ জন নিহত, প্রায় ২০০০ জন আহত ইরানে ৬৫ স্কুল ও ৩২ চিকিৎসাকেন্দ্র হামলার শিকার: রেড ক্রিসেন্ট

ইসলাম

ঔষুধ খেয়ে মাসিক বন্ধ করে রোযা রাখলে রোযা হবে কিনা?

ইসলামিক রিসার্চ একাডেমি বাংলাদেশ, ঢাকা।

 আপডেট: ১২:৩১, ১২ মার্চ ২০২৩

ঔষুধ খেয়ে মাসিক বন্ধ করে রোযা রাখলে রোযা হবে কিনা?

প্রশ্ন: আমাদের মা-বোনেরা ৩০ রোজা পূর্ণ করার জন্য ঔষুধ খেয়ে নিজেদের মাসিক বন্ধ রাখতে পারবে কিনা? এবং তার রোজার কি হুকুম।


উত্তর: মনে রাখতে হবে মাসিক হওয়া মহিলাদের একটি স্বাভাবিক নিয়ম। এটা মহিলাদের সুস্থ্যতা ও স্বাভাবিকতার নিদর্শন। এতে তাদের শরীর থেকে নাপাক ও ক্ষতিকর রক্তগুলো বেরিয়ে যায়। তাই ঔষুধ বা পিল খেয়ে হায়েজ বন্ধ রাখা উচিত নয়। এতে করে তার শারিরীক ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। আল্লাহ তাআলা এ অবস্থায় মহিলাদের “মা’জুর” হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন।

তাই এ দিন সমূহে নামায ও রোযা না করায় আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে কোন পাকড়াও নেই। নামায একেবারেই মাফ। যদিও রোযা রমজান পরবর্তীতে কাযা করে নিতে হবে। এতে করে সওয়াবের মাঝে কোন কমতি হয় না। তাই উচিত হলো এ স্বাভাবিকতাকে মেনে নেয়া। এভাবে ঔষুধ খেয়ে মাসিক বন্ধ করার কোন প্রয়োজন নেই।

তবে কোন মহিলা তার হায়েজের রক্ত আসার আগেই ঔষুধ খেয়ে হায়েজ বন্ধ করে দেয়। তার রক্ত না আসে। তাহলে তাকে পবিত্র ধরা হবে। সেই হিসেবে তার নামায ও রোযা সবই শুদ্ধ হবে। পরবর্তীতে আর সেসব নামায বা রোযার কাজা করার কোন প্রয়োজন নেই।

তবে যদি রক্ত শুরু হবার পর ঔষুধ খেয়ে বন্ধ করে দেয়, তাহলে অন্য মাসে যে কয়দিন হায়েজ আসতো, সেই কয়দিন হায়েজের মাঝেই গণ্য হবে। সেই কয়দিন রোযা রাখলেও রোযা হবে না। পরবর্তীতে কাযা করতে হবে। রক্ত আসার আগেই বন্ধ করে দিলে রোযা রাখা যেমন শুদ্ধ হবে, তেমনি তার কাযাও পরবর্তীতে আবশ্যক হবে না।


- রদ্দুল মুখতার ১/৩০৮