মঙ্গলবার ২৪ মার্চ ২০২৬, চৈত্র ১০ ১৪৩২, ০৫ শাওয়াল ১৪৪৭

ব্রেকিং

পিছু হটলেন ট্রাম্প, ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা স্থগিত ইরানকে সাহায্য করতে সোনা-রূপা নগদ অর্থ দিচ্ছে কাশ্মীরিরা ‘জাল ভোট’ নিয়ে ‘বিএনপি-জামায়াত’ সংঘর্ষে ৪০ বাড়ি ভাঙচুর, মুহুর্মুহু বোমা মার্চের মধ্যে ‘দখলদারদের’ ফুটপাত-সড়ক ছাড়তে বলল পুলিশ তেল সংকটে বগুড়ায় ৭২ পেট্রোল পাম্প বন্ধ, ভোগান্তি চরমে ইরানজুড়ে তীব্র বিস্ফোরণ: আহভাজে হাসপাতালে হামলা, মৃতের সংখ্যা বাড়ছে বাস-ট্রেন সংঘর্ষে ১২ মৃত্যু: ২ গেইটম্যানের বিরুদ্ধে মামলা ‘ব্যাংক বন্ধ থাকায়’ তেল সংকট, বলছেন পাম্প মালিকরা এক দশক পর পাবনায় ‘চরমপন্থিদের’ পোস্টার, আতঙ্ক ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি ইসরায়েলের দুই শহরে ইরানি হামলার পর উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা যেকোনো হুমকি মোকাবিলা করতে প্রস্তুত ইরান: মাসুদ পেজেশকিয়ান লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান সেতু উড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েল দক্ষিণ কোরিয়ায় কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৪ পিএসএল খেলতে পাকিস্তান গেলেন চার বাংলাদেশি ক্রিকেটার

ইসলাম

ঔষুধ খেয়ে মাসিক বন্ধ করে রোযা রাখলে রোযা হবে কিনা?

ইসলামিক রিসার্চ একাডেমি বাংলাদেশ, ঢাকা।

 আপডেট: ১২:৩১, ১২ মার্চ ২০২৩

ঔষুধ খেয়ে মাসিক বন্ধ করে রোযা রাখলে রোযা হবে কিনা?

প্রশ্ন: আমাদের মা-বোনেরা ৩০ রোজা পূর্ণ করার জন্য ঔষুধ খেয়ে নিজেদের মাসিক বন্ধ রাখতে পারবে কিনা? এবং তার রোজার কি হুকুম।


উত্তর: মনে রাখতে হবে মাসিক হওয়া মহিলাদের একটি স্বাভাবিক নিয়ম। এটা মহিলাদের সুস্থ্যতা ও স্বাভাবিকতার নিদর্শন। এতে তাদের শরীর থেকে নাপাক ও ক্ষতিকর রক্তগুলো বেরিয়ে যায়। তাই ঔষুধ বা পিল খেয়ে হায়েজ বন্ধ রাখা উচিত নয়। এতে করে তার শারিরীক ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। আল্লাহ তাআলা এ অবস্থায় মহিলাদের “মা’জুর” হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন।

তাই এ দিন সমূহে নামায ও রোযা না করায় আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে কোন পাকড়াও নেই। নামায একেবারেই মাফ। যদিও রোযা রমজান পরবর্তীতে কাযা করে নিতে হবে। এতে করে সওয়াবের মাঝে কোন কমতি হয় না। তাই উচিত হলো এ স্বাভাবিকতাকে মেনে নেয়া। এভাবে ঔষুধ খেয়ে মাসিক বন্ধ করার কোন প্রয়োজন নেই।

তবে কোন মহিলা তার হায়েজের রক্ত আসার আগেই ঔষুধ খেয়ে হায়েজ বন্ধ করে দেয়। তার রক্ত না আসে। তাহলে তাকে পবিত্র ধরা হবে। সেই হিসেবে তার নামায ও রোযা সবই শুদ্ধ হবে। পরবর্তীতে আর সেসব নামায বা রোযার কাজা করার কোন প্রয়োজন নেই।

তবে যদি রক্ত শুরু হবার পর ঔষুধ খেয়ে বন্ধ করে দেয়, তাহলে অন্য মাসে যে কয়দিন হায়েজ আসতো, সেই কয়দিন হায়েজের মাঝেই গণ্য হবে। সেই কয়দিন রোযা রাখলেও রোযা হবে না। পরবর্তীতে কাযা করতে হবে। রক্ত আসার আগেই বন্ধ করে দিলে রোযা রাখা যেমন শুদ্ধ হবে, তেমনি তার কাযাও পরবর্তীতে আবশ্যক হবে না।


- রদ্দুল মুখতার ১/৩০৮