শনিবার ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২৫ ১৪৩২, ১৯ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

রাশিয়ার বড় ধরনের হামলায় ইউক্রেনের বিদ্যুৎ গ্রিড ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকের ঋণ মওকুফ হবে : তারেক রহমান এমপি হয়ে প্লট, শুল্কমুক্ত গাড়ি নেব না: হবিগঞ্জে জামায়াত আমির হাদি হত্যার বিচার না পাওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরবো না: হাদির বোন কারাগারে মারা গেলেন সাবেক এমপি রমেশ চন্দ্র সেন এনসিটি ইজারা: রোববার থেকে লাগাতার ধর্মঘটের ডাক মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আহত সেই শিশুর মৃত্যু আবার বাড়লো সোনার দাম, প্রতি ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা ‘খুব ভালো’ হয়েছে : ট্রাম্প জামায়াতের সঙ্গে ঐক্য সরকার? তারেক বললেন, বিএনপি ‘একাই সক্ষম’ তারেক রহমানকে ওপেন ডিবেটের আমন্ত্রণ জামায়াত আমিরের আসন্ন নির্বাচনে বিএনপিকে ‘ফেভারিট’ বলল দ্য ইকোনমিস্ট দুর্নীতিতে ‘চ্যাম্পিয়ন’: নির্বাচনি ইশতেহারে তারেকের ব্যাখ্যা ও প্রতিশ্রুতি বিশ্বকাপ শুরু, ৩০ বছর পর নেই বাংলাদেশ ইউক্রেইনে ‘মার্চের মধ্যে’ শান্তি চুক্তি ও দ্রুত নির্বাচন ‘চায় যুক্তরাষ্ট্র’

আন্তর্জাতিক

মুসলিম ব্রাদারহুডের শীর্ষ নেতাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

 প্রকাশিত: ১৫:৫১, ৯ এপ্রিল ২০২১

মুসলিম ব্রাদারহুডের শীর্ষ নেতাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মিসরের রাজনৈতিক দল মুসলিম ব্রাদারহুডের শীর্ষ নেতা মাহমুদ ইজ্জতকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে সেনাবাহিনী সরিয়ে দেয়ার পর ইজ্জত জনগণকে সহিংস হওয়ার জন্য উস্কানি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছিল।

আগে ধারণা ছিল ৭৬ বছর বয়সী এই নেতা দেশ থেকে পালিয়েছেন। কিন্তু পুলিশ গত বছর অগাস্টে কায়রো থেকে তাকে গ্রেফতার করে। তার বাসভবন থেকে এনক্রিপ্টেড মেসেজ পাওয়া যায় বলে পুলিশ জানিয়েছিল। সেই সব বার্তা তিনি দেশ ও বিদেশের ব্রাদারহুডের সদস্যদের পাঠিয়েছিলেন।

ইজ্জতের বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ, তিনি ব্রাদারহুড সদস্য ও বিরোধীদের মধ্যে সংঘাতের সময় তার সংগঠনের সদস্যদের হাতে অস্ত্র তুলে নিতে বলেছিলেন। ২০১৫ সালে সাবেক প্রসিকিউটর জেনারেলের হত্যার ক্ষেত্রেও তার ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ। সাবেক প্রসিকিউটার জেনারেল ছিলেন মুসলিম ব্রাদারহুড আন্দোলনের বিরোধী।

ইজ্জতের আইনজীবীরা অবশ্য এই রায় সম্পর্কে কিছু বলেননি। তবে ব্রাদারহুড আগে জানিয়েছিল, ইজ্জতের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। এর আগে ২০১৫ সালে তার অনুপস্থিতিতে আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। তাকে গ্রেফতারের পর আবার বিচার শুরু হয়। ২০১৩ থেকে গ্রেফতার হওয়া পর্যন্ত তিনি ছিলেন মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রধান।

২০১৪ সাল থেকে সেনা প্রধান আবদুল ফাত্তাহ আল-সিসি প্রেসিডেন্ট হয়েছেন। তিনি নানাভাবে মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রভাব কম করার চেষ্টা করছেন। মুরসি ও ব্রাদারহুড সমর্থকরা ২০১৩ সালে কায়রোতে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। তখন সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে কয়েকশ মানুষ প্রাণ হারান। সাম্প্রতিক সময়ে মিসরের বিচারকরা কয়েকশ মুসলিম ব্রাদারহুড নেতা ও কর্মীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল