গাজার জন্য গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’-এ যাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ-পরবর্তী গাজার জন্য তার তথাকথিত ‘শান্তি বোর্ড’ এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বোর্ড গঠনের কাজ শুরু করেছেন।
গতকাল শনিবার একাধিক বিশ্ব নেতা জানিয়েছেন ‘বোর্ড অব পিস’-এ তাদের যোগদানের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ট্রাম্পের পরিকল্পনার অধীনে একটি প্রধান বোর্ড থাকবে, যার সভাপতিত্ব করবেন ট্রাম্প নিজেই। একটি ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি থাকবে যা যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলের শাসন পরিচালনার জন্য গঠিত হবে, এবং একটি দ্বিতীয় ‘কার্যনির্বাহী বোর্ড’ থাকবে যা আরও পরামর্শমূলক ভূমিকা পালন করবে বলে মনে হচ্ছে।
হোয়াইট হাউস কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্তদের একটি প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে যে, আরও নাম যুক্ত করা হবে।
হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে যাদের যুক্ত থাকার কথা বলা হয়েছে তাদের তালিকা এখানে দেওয়া হলো:-
শান্তি বোর্ড :
হোয়াইট হাউস বলেছে যে, শান্তি বোর্ড ‘শাসন ক্ষমতা বৃদ্ধি, আঞ্চলিক সম্পর্ক, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ পরিসরে তহবিল এবং মূলধন সংগ্রহ’ এর মতো বিষয়গুলো বিবেচনা করবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই বোর্ডে সভাপতি হিসাবে থাকবেন।
আরো যারা থাকবেন তারা হলেন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, স্টিভ উইটকফ, ট্রাম্পের বিশেষ দূত ও জামাতা জ্যারেড কুশনার, যুক্তরাজ্যের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, মার্কিন কোটিপতি মার্ক রোয়ান, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের ট্রাম্পের বিশ্বস্ত সহযোগী রবার্ট গ্যাব্রিয়েল।
গাজার প্রশাসনের জন্য জাতীয় কমিটি :
হোয়াইট হাউস বলেছে, ‘টেকনোক্র্যাটদের সমন্বয়ে গঠিত এই সংস্থাটি ‘মূল জনসেবা পুনরুদ্ধার, বেসামরিক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন এবং গাজার দৈনন্দিন জীবনের স্থিতিশীলতা তদারকি করবে।’
প্রাক্তন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের উপমন্ত্রী আলী শাথ (কমিটির প্রধান)।
গাজা নির্বাহী বোর্ড :
হোয়াইট হাউস জানায়, ‘এই বোর্ড ‘কার্যকর শাসনব্যবস্থা এবং গাজার জনগণের জন্য শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সর্বোত্তম পরিষেবা প্রদানে সহায়তা করবে।’
যারা থাকবেন- স্টিভ উইটকফ, জ্যারেড কুশনার, টনি ব্লেয়ার, মার্ক রোয়ান, বুলগেরিয় কূটনীতিক নিকোলে ম্লাদেনভ, গাজায় জাতিসংঘের মানবিক সমন্বয়কারী সিগ্রিড কাগ, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান, কাতারি কূটনীতিক আলি আল-থাওয়াদি, মিশরের গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক জেনারেল হাসান রাশাদ, আমিরাতের মন্ত্রী রিম আল-হাশিমি ও ইসরাইলি কোটিপতি ইয়াকির গাবে।
আরো যেসব নেতা বলেছেন তাদের যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে- তারা হলেন, আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী এদি রামা, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট জাভিয়ের মাইলি, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, সাইপ্রাসের প্রেসিডেন্ট নিকোস ক্রিস্টোডুলিডেস, মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান।