আপনার জন্য চিন্তার একটি চমৎকার খোরাক
পৃথিবীতে বিরাজমান কোন কোন ধর্মের পুরোহিতরা বিবাহ করেনা, এ ধর্মের সকল অনুসারীরা যদি পুরোহিতোদের মতো ধার্মিক হয়ে যায় তাহলে মানব প্রজননের ধারাবাহিকতা থেমে যাবে । শত বছর পরে তাদের ভূখণ্ড মানব শূন্য হয়ে পড়বে ।
তখন কেবল মানব সভ্যতার ইতি ঘটবে না বরং ঐ ধর্মগুলোও নিশ্চিত হারিয়ে যাবে, ফলে ধর্মই ধর্মের মৃত্যু নিশ্চিত করল ।
যে ধর্মের মধ্যে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার উপকরণ নেই সে ধর্ম মানব সভ্যতাকে কিভাবে বাঁচিয়ে রাখবে ? খোঁড়া ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তি তো আর অন্য খোঁড়াকে চালানোর ক্ষমতা রাখেনা ।
আর যদি বলেন কিছু লোক ধর্ম মানবে আর কিছু লোক মানবে না, যারা মানবে না তারা বিবাহ করে মানব প্রজনন অব্যাহত রাখবে, তখন ধর্মকে টিকিয়ে রাখার জন্য অধর্মচর্চা ও বৈষম্যকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে । অর্থাৎ কারোর জন্য ধর্ম অবশ্যই পালনীয় কারোর জন্য তা একেবারেই পরিত্যাজ্য । এটাই তো বৈষম্য ও ধর্মহীনতা ।
ধর্ম সেটাই যেটা মানব সভ্যতাকে টিকিয়ে রাখে ও সমৃদ্ধ করে ধর্ম কখনো মানব সভ্যতার ক্ষতি ও ধ্বংসের কারণ হতে পারে না। এটাই হচ্ছে স্রষ্টার পাঠানো দ্বীন আর সৃষ্টির আবিষ্কৃত দ্বীনের মধ্যে মৌলিক কিছু পার্থক্য ।
কেউ কষ্ট পেলে ক্ষমা করে দিবেন ।
লেখক:খাদিমুত তলাবা : মিফতাহুল উলুম মধ্যবাড্ডা মাদ্রাসা, ঢাকা ।