রোববার ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২৬ ১৪৩২, ২০ শা'বান ১৪৪৭

জাতীয়

বিমানের সদ্য সাবেক এমডি ও তার স্ত্রীর জামিন শুনানি রোববার

 প্রকাশিত: ১১:৪২, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বিমানের সদ্য সাবেক এমডি ও তার স্ত্রীর জামিন শুনানি রোববার

শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের মামলায় গ্রেপ্তার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সদ্য সাবেক এমডি ও সিইও সাফিকুর রহমান এবং তার স্ত্রী বিথীসহ চারজন জামিন আবেদনের শুনানি হবে রোববার।

ঢাকার মহানগর হাকিম আদালতে দুপুরে জামিনের বিষয়ে শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই তাহমিনা আক্তার।

অপর দুই আসামি হলেন—বাসার দুই গৃহকর্মী রুপালী খাতুন ও সুফিয়া বেগম।

এর আগে রোববার গভীর রাতে উত্তরার বাসা থেকে সাফিকুর রহমানসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সোমবার আদালতে হাজির করে তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই রোমের মিয়া।

ঢাকার মহানগর হাকিম মোহাম্মদ রাজু আহমেদ শুনানি শেষে জামিন আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

বৃহস্পতিবার আসামিদের জামিন চেয়ে আবেদন করেন আইনজীবী জাকির হোসেন। ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান জামিন শুনানির দিন রোববার রাখেন।

শিশুটিকে নির্যাতনের ঘটনায় তার হোটেল কর্মচারী বাবা গোলাম মোস্তফা রোববার মামলা দায়ের করেন।

সেখানে বলা হয়, উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টরে সাফিকুর রহমানের বাসা। ওই বাসার নিরাপত্তাকর্মী জাহাঙ্গীর বাচ্চা দেখাশোনার জন্য অল্প বয়সী মেয়ে খুঁজছিলেন। পরে গোলাম মোস্তফার সঙ্গে তার দেখা হয়।

মেয়ের বিয়েসহ যাবতীয় খরচ বহন করার প্রতিশ্রুতি পেয়ে মোস্তফা গত বছরের জুন মাসে তার মেয়েকে ওই বাসায় কাজে পাঠান। সর্বশেষ গত বছরের ২ নভেম্বর ওই বাসায় গিয়ে মেয়েকে দেখে আসেন তিনি।

এরপর আর মেয়েটিকে পরিবারের সঙ্গে ‘দেখা করতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে মামলায়।

সেখানে বলা হয়, ৩১ জানুয়ারি বীথি ফোন করে মোস্তফাকে জানান, তার মেয়ে অসুস্থ। তাকে যেন নিয়ে যাওয়া হয়। পরে মেয়েকে আনতে যান গোলাম মোস্তফা। সন্ধ্যা ৭টার দিকে গোলাম মোস্তফার কাছে মেয়েটিকে বুঝিয়ে দেন বীথি।

মোস্তফা মামলায় বলেছে, তখনই তিনি মেয়ের দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থান গুরুতর জখম দেখতে পান। তার মেয়ে ভালোভাবে কথাও বলতে পারছিল না। কারণ জিজ্ঞাসা করলে বীথি এর ‘সদুত্তর দিতে পারেননি’।

পরে মেয়েকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান মোস্তফা। মেয়ে তাকে বলে, ওই বাসায় বিভিন্ন সময়ে তার ওপর নির্যাতন করা হত। তাকে ‘মারধর করার পাশাপাশি খুন্তি গরম করে শরীরে ছেঁকাও’ দেওয়া হত।