রোববার ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ৫ ১৪৩২, ২৯ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

সাভারে পরিত্যক্ত কমিউনিটি সেন্টারে ফের মিললো দুই পোড়া লাশ গুলশান থেকে তরুণীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার ক্ষমতায় গেলে জুলাই শহীদ ও আহতদের পরিবারের জন্য মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে আলাদা বিভাগ হবে: তারেক রহমান ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ-সহিংসতায় নিহত বেড়ে ৫০০০ ওসমানী হাসপাতালের ইন্টার্নদের কর্মবিরতি প্রত্যাহারের ঘোষণা পুলিশ কোনো রাজনৈতিক দলের রক্ষক নয়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আর্টেমিস-২ মিশন: ৫০ বছর পর চাঁদে মানুষ পাঠাতে প্রস্তুত নাসা ইসির সামনে রাত পর্যন্ত অবস্থানের ঘোষণা ছাত্রদলের ‘প্লট দুর্নীতি’: হাসিনা, টিউলিপ, ববির মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বিরোধিতা: ইউরোপের ৮ দেশে শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের শুল্ক হুমকি ‘অগ্রহণযোগ্য’: ইউরোপীয় নেতারা ফেসবুকে শীর্ষদের তালিকায় ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে তারেক রহমান

জাতীয়

বঙ্গবন্ধু পরিবারের নাম ভাঙানো প্রতারকরা কারাগারে

 প্রকাশিত: ১৭:৪৭, ২১ মে ২০২২

বঙ্গবন্ধু পরিবারের নাম ভাঙানো প্রতারকরা কারাগারে

বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় ব্যবহার করে সরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন ও নির্মাণ প্রকল্পের কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন ঠিকাদারি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার মামলায় প্রতারকচক্রের মূলহোতা মনসুর আহমেদ এবং তার অন্যতম সহযোগী মো. মহসিন চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ শনিবার দুই দিনের রিমান্ড শেষে তাদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে পুলিশ। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিত ঢাকার মেট্রোপলিট ম্যাজিষ্ট্রেট ইশরাত জাহান তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

এর আগে ১৮ মে বুধবার দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর পল্টন থানায় দায়ের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় দুইজনের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশেক ইমাম প্রত্যেকের দুদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাবের যৌথ অভিযানে ১৭ মে মঙ্গলবার রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন দলিল ও ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট উদ্ধার করা হয়।এ ঘটনায় পল্টন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করা হয়েছে।

জানা যায়, আসামিরা একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। এ চক্রে পাঁচ থেকে সাতজন সদস্য রয়েছে। চক্রের মূল হোতা মনসুর। চক্রটি বিগত প্রায় তিন বছর ধরে বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে  প্রতারিত করে আসছিল।