রোববার ০৭ জুন ২০২৬, জ্যৈষ্ঠ ২৪ ১৪৩৩

ব্রেকিং

সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে বিসিবি পরিচালক ও পরে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি তামিম হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৭ জনের মৃত্যু মতিঝিলে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাই বিশ্বকাপ ফুটবল: ৭২ কোটিতে মিডিয়া স্বত্ব কেনার প্রস্তাবে সরকারের সায় জেট ফুয়েলের দাম কমল আরেক দফা রামিসা হত্যার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হওয়ায় ২ মন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি, মে’তে ৯.৪২% সরকারের ১০০ দিন: সুশাসন ও নিরাপত্তা নিয়ে টিআইবির উদ্বেগ ২,৪০০ কোটি ডলার ছাড় না দিলে শান্তিচুক্তি নয়: যুক্তরাষ্ট্রকে ইরান ৬ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল শুরু হল বাজেট অধিবেশন এবার ‘ঘুরে দাঁড়ানোর’ পালা: প্রধানমন্ত্রী রায়ে জনপ্রত্যাশা পূরণ হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যে প্রত্যাশা-আকাঙ্ক্ষা ছিল, সেটা পেয়েছি: রামিসার বাবা রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড ঈদুল আজহার সড়কে ৪০২ মৃত্যু: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

লাইফস্টাইল

যেসব খাবার পুরুষের শুক্রাণু বাড়াতে সাহায্য করে

 প্রকাশিত: ২১:০১, ১ জুন ২০২৬

যেসব খাবার পুরুষের শুক্রাণু বাড়াতে সাহায্য করে

শুক্রাণু (স্পার্ম) হলো পুরুষের প্রজনন কোষ, যা সন্তান উৎপাদনের জন্য অপরিহার্য। শুক্রাণু শুধু প্রজননের একটি উপাদান নয়—এটি একজন পুরুষের দাম্পত্য জীবন, পরিবার গঠন ও ভবিষ্যৎ বংশধারার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুক্রাণু ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হয়ে ভ্রূণ তৈরি করে। এটি না থাকলে স্বাভাবিক গর্ভধারণ সম্ভব নয়। প্রতিটি শুক্রাণুতে ২৩টি ক্রোমোজোম থাকে, যা মায়ের ২৩টি ক্রোমোজোমের সঙ্গে মিলে সন্তানের জিনগত কাঠামো তৈরি করে। এর মাধ্যমে বাবার দিক থেকে সন্তানের গুণাবলি নির্ধারিত হয়। এজন্য এর স্বাস্থ্য ও গুণমান রক্ষা করা জরুরি। পুরুষের শুক্রাণু (স্পার্ম) সংখ্যা ও গুণগত মান বাড়াতে কিছু নির্দিষ্ট খাবার কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

১. ডিম: ডিম হচ্ছে প্রোটিন ও ভিটামিন সমৃদ্ধ একটি খাবার। আর প্রোটিন ও ভিটামিন স্পার্মের গঠন ও গতি উন্নত করে এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়।

 ২. বাদাম (বিশেষ করে আখরোট): বাদাম হচ্ছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর খাবার। যা শুক্রাণুর গতি ও সংখ্যা বাড়াতে সাহায্য করে।

৩. রসুন: রসুনে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও সেলেনিয়াম। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও সেলেনিয়াম স্পার্ম শক্তিশালী করে। নিয়মিত রসুন খেলে শক্তিশালী হবে স্পার্ম।

৪. কলা: কলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ব্রোমেলেইন এনজাইম ও ভিটামিন সি, বি১ এবং এ। আর এই উপাদানগুলো শুক্রাণুর উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে।

৫. ডার্ক চকলেট: ডার্ক চকলেট অ্যামিনো অ্যাসিড সমৃদ্ধ। যা শুক্রাণুর পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।

৬. সবুজ শাকসবজি: সবুজ শাকসবজি, বিশেষ করে পালং শাক ফোলেট ও আয়রন সমৃদ্ধ। এ উপাদানগুলোও স্পার্ম গঠনে সহায়ক।

৭. দই বা গ্রিক ইয়োগার্ট: জিঙ্ক ও প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার হচ্ছে দই। আর দইয়ের জিঙ্ক ও প্রোটিন শুক্রাণুর স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।

৮. ফলমূল : ফলমূল হচ্ছে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। বিশেষ করে আঙুর, স্ট্রবেরি, কমলা। ফলমূলেরএসব উপাদান স্পার্ম কোষ রক্ষা করে।

৯. সামুদ্রিক মাছ : সামুদ্রিক মাছ, যেমন স্যামন ও সারডিনে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩, ভিটামিন ডি ও সেলেনিয়াম থাকে। যা স্পার্মের উৎপাদনশীলতা বাড়ায়।

১০. পানি: শুক্রানুর মান বাড়াতে পানি রাখে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। শরীর হাইড্রেটেড থাকলে স্পার্মের ভলিউমও ভালো থাকে।

যেসব খাবার এড়িয়ে চলতে হবে

উপরে উল্লেখিত খাবারগুলো যেমন শুক্রানুর মান ও সংখ্যা বাড়াতে সক্ষম, তেমনি কিছু খাবার আছে, যেমন অ্যালকোহল, ধূমপান, অতিরিক্ত প্রসেসড ফুড, জাঙ্ক ফুড, এবং ক্যাফেইনের অতিরিক্ত গ্রহণ স্পার্মের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। নষ্ট করে ফেলতে পারে শুক্রানু।