রামিসা হত্যার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হওয়ায় ২ মন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ
রামিসা হত্যায় জড়িতদের দ্রুত বিচার সম্পন্ন হওয়ায় আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির সভায় তিনি এ অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন বলে সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “একটি নৃশংস ও হৃদয়বিদারক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত পরিচালনা, অপরাধীদের শনাক্তকরণ এবং গ্রেপ্তারের মাধ্যমে সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটেছে।”
রামিসা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে কার্যউপদেষ্টা কমিটির সভায় উপস্থিত সদস্যরাও ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রশংসা করেন। ভবিষ্যতেও অপরাধ দমনে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সভায় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল, বিরোধীদলের উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, বিরোধী দলীয় হুইপ নাহিদ ইসলাম, সংসদ সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, এ টি এম আজহারুল ইসলাম ও নওজাদ জমির উপস্থিত ছিলেন।
পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট থেকে গেল ১৯ মে দুপুরে রামিসার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। রামিসার লাশ পাওয়া যায় তাদের বাসার পাশের ফ্ল্যাটে। পরে আট বছরের এ শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয় সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে।
এই ধর্ষণ ও হত্যার মামলার ২০ দিনের মাথায় রোববার সোহেল ও স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত। মামলার বিচারকাজ শেষ হয় মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।