শুক্রবার ২৬ জুন ২০২৬, আষাঢ় ১২ ১৪৩৩

ব্রেকিং

বাংলাদেশ ও চীনের ১৩ সমঝোতা বাজেটের ‘ফরম্যাট’ পরিবর্তনের চেষ্টা চলছে: অর্থমন্ত্রী এক টাকা দুর্নীতির প্রমাণ মিললে সংসদ ছাড়ব: হাসনাত হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৯ জনের মৃত্যু দিনাজপুরে নদীতে গোসলে নেমে পানিতে ডুবে ৩ নারীর মৃত্যু সীমান্তের সমস্যা ‘দ্রুত’ ঠিক হয়ে যাবে, ‘আশা’ দীনেশ ত্রিবেদীর ফের চালু হচ্ছে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা, আবেদন নেওয়া হবে ২৮ জুন থেকে তারেক রহমান ও লি ছিয়াংয়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক বাসসের সাবেক এমডি মাহবুব মোর্শেদকে দুদকে তলব ডেঙ্গুতে আরো একজনের মৃত্যু ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৬৪, আহত ৯৭১ তিস্তা প্রকল্পে সহযোগিতার আশ্বাস চীনের চীনে বাংলাদেশের প্রথম বিনিয়োগ কার্যালয় খোলার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর দেশে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে একই পরিবারের ৩ জনকে গলাকেটে হত্যা ভারতের হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীকে মন্ত্রীর মর্যাদা ভিনিসিউসের জোড়া গোলে গ্রুপ সেরা ব্রাজিল

সংস্কৃতি

লেখায় যেসব ভুল দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে

 প্রকাশিত: ২০:৩৯, ১৯ মে ২০২৬

লেখায় যেসব ভুল দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে

 

সৌজন্যতা কখনও লিখবেন না। এটা অশুদ্ধ।

লিখবেন সৌজন্য। মানে সুজনের কাজ। তবে সুজনতা লেখা যায়।

সৌন্দর্যতা লিখবেন না। এটা অশুদ্ধ।

লিখবেন সৌন্দর্য। মানে সুন্দরতা। সুন্দরতা লেখা যায়।

দৈন্যতা লিখবেন না। এটা অশুদ্ধ। শব্দটি দীনতা। শুধু দৈন্য লেখা যায়।

ঐক্যতা লিখবেন না। লিখবেন ঐক্য। মানে একতা।

মাধুর্যতা লিখবেন না। লিখবেন মাধুর্য। মধুরতা লিখা যেতে পারে। অর্থ মিষ্টতা। মিষ্টির স্বাদ।

নাব্যতা না লেখা ভালো। শুধু নাব্য লিখবেন। গভীরতা বললেও পারেন। তবে নৌযান চলার উপযোগিতা বোঝাতে নাব্য শব্দটি ছাড়া চলে না।

কেউ কেউ ইদানীং করা হই, করা যাই, বলা হই, দেওয়া হই ইত্যাদি লিখছেন।

সঠিক হলো করা হয়, করা যায়, বলা হয়, দেওয়া হয়। হই বলতে হবে নিজেকে বোঝানোর জন্য। যেমন আমি হই। আহূত ( আহবান প্রাপ্ত) হই। মুগ্ধ হই। প্রীত হই।

মনে রাখতে হবে, মুখের বুলি যেমনই হোক, লেখা হতে হবে সঠিক নিয়মে ও বানানে। আমি হয়ে যাই, সে হয়ে যায়। আমি খাই, সে খায়। এটি বোঝা খুব সহজ।

সে হয়ে যাই। এভাবে কেন লিখেন?

একজন কয়ছে কেন লিখেন? শুদ্ধ হলো একজন কইছে।

ছাপার অক্ষর পড়া হয়না। পড়লে বুঝতেন কীভাবে কোন্ বানানটা লেখায় আসে। নিজের এলাকার উচ্চারণ লেখার মধ্যে অনেকে নিয়ে আসেন।

বলসি, করসি,দিয়েসে, বলেসে - এমন বানান ইদানীং অনেকে লিখছেন। এসব জায়গায় তো ছ ব্যবহৃত হয়।হঠাৎ স চালু হলো কেন? তবে সবাই লিখতে শুরু করলে স এর ব্যবহারও একসময় শুদ্ধ বলে গণ্য হতে পারে।

অনেকে না এর জায়গায় নাহ লিখতে শুরু করেছেন। এর দরকার কী? না মানে না। নাহ লিখে কী লাভ?

শতকরা ৯৮% জনের মতো মুহূর্ত বানানটি ভুল লিখে থাকেন। প্রায় সবাই লিখেন মুহুর্ত। এটি অশুদ্ধ। লিখতে হব মুহূর্ত।

মূল আরবি শব্দটির প্রতি খেয়াল রাখবেন, তাহলে আকাবীর লিখবেন না। লিখবেন আকাবির। মাগরীব না লিখে লিখবেন মাগরিব। মুহতামীম লিখবেন না, নিজ থেকেই লিখবেন মুহতামিম। কারণ এখানে কোনো শব্দেই ইয়া নেই, যে এক আলিফ টেনে দীর্ঘ ঈকার দিয়ে পড়তে হবে। শুধু কাসরার কারণে সব হবে হ্রস্ব ইকার।