বুধবার ১৮ মার্চ ২০২৬, চৈত্র ৩ ১৪৩২, ২৯ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ইরান ইসরায়েলে নতুন দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান কিউবা নিয়ে যা খুশি তাই করতে পারি: ট্রাম্প ধর্ষণ রোধে সব মন্ত্রণালয়-সংস্থাকে সমন্বিত অ্যাকশনে যাওয়ার নির্দেশ গাড়িতে ট্রাকের ধাক্কা, অল্পের জন্য বেঁচে গেলেন এমপি আতিক মুজাহিদ ইরানের নিরাপত্তা প্রধান লারিজানিকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের পহেলা বৈশাখে সাড়ে ২১ হাজার কৃষক কার্ড দিচ্ছে সরকার কৃষকের মুখে হাসি না ফুটলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী বাগদাদে দূতাবাসে হামলা, নিহত ৪ তেল অবরোধে অন্ধকারে কিউবা, ‘দখল’ নেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের ঈদের সাত দিনের ছুটি শুরু, রাজধানী ছাড়ছে মানুষ সর্বকালের সর্বোচ্চ দরে মধ্যপ্রাচ্যের তেল ঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে সাড়ে ১২ হাজার ফ্লাইট বাতিল, অচলাবস্থা আফগানিস্তানের হাসপাতালে ‘পাকিস্তানের হামলা’, বহু হতাহত

ইসলাম

তারাবির নামাজে কোন রাকাতে খতম করা উত্তম?

 প্রকাশিত: ১৭:২৫, ১৭ মার্চ ২০২৬

তারাবির নামাজে কোন রাকাতে খতম করা উত্তম?

সচরাচর কুরআন শরিফ খতম হলে বা তারাবিহর নামাজেও কুরআন মজিদ খতম করার সময় হাফেজ সাহেবগণ সাধারণত ১৯তম রাকাতে খতম করে ২০তম রাকাতে সূরা বাকারাহ'র শুরু থেকে কিছু অংশ পড়েন। আবার অনেকে ১৮তম রাকাতে খতম করে শেষ দুই রাকাতে শুরু থেকে কিছু তিলাওয়াত করেন। এ আমলের ভিত্তি কী? আর খতমের উল্লেখিত দু'টি পদ্ধতির কোনটি উত্তম?

উত্তর : ফুকাহায়ে কেরাম বলেন, নামাযের ভিতরে ও বাহিরে কুরআন শরিফ খতম হলে সূরা বাকারার প্রথম অংশ ‘মুফলিহুন’ পর্যন্ত পড়া মুস্তাহাব। তাই তারাবিহ নামাযের ক্ষেত্রেও উক্ত হুকুম প্রযোজ্য। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত আছে, 'রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কুরআন খতম করতেন সূরা নাস পড়ে, তখন তিনি সূরা ফাতিহাসহ সূরা বাকারার শুরু থেকে "মুফলিহুন" পর্যন্ত তিলাওয়াত শুরু করতেন। এরপর খতমের দোয়া পড়তেন।' (দারেমি, ১/২৯৫)

ইমাম নববী রহ. বলেন, ‘খতম শেষ করে পুনরায় খতম শুরু করা মুস্তাহাব।’ (আততিবয়ান, পৃ. ১৫৯)

তবে তারাবিহতে উত্তম হলো, ১৯তম রাকাতে খতম ও ২০তম রাকাতে সূরা বাকারার শুরুর অংশ না পড়ে ১৮তম রাকাতে খতম করে শেষ দুই রাকাতে সূরা বাকারার কিছু অংশ তিলাওয়াত করা। যেন প্রথম ও দ্বিতীয় রাকাতে তিলাওয়াতের ধারাবাহিকতা বহাল থাকে। (আল ইতকান, ১/৩০০, খুলাসাতুল ফাতাওয়া, ১/৯৮, আদ্দুররুল মুখতার, ১/৫৪৬, আহসানুল ফাতাওয়া ৩/৫০৮)