শনিবার ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২৫ ১৪৩২, ১৯ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

রাশিয়ার বড় ধরনের হামলায় ইউক্রেনের বিদ্যুৎ গ্রিড ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকের ঋণ মওকুফ হবে : তারেক রহমান এমপি হয়ে প্লট, শুল্কমুক্ত গাড়ি নেব না: হবিগঞ্জে জামায়াত আমির হাদি হত্যার বিচার না পাওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরবো না: হাদির বোন কারাগারে মারা গেলেন সাবেক এমপি রমেশ চন্দ্র সেন এনসিটি ইজারা: রোববার থেকে লাগাতার ধর্মঘটের ডাক মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আহত সেই শিশুর মৃত্যু আবার বাড়লো সোনার দাম, প্রতি ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা ‘খুব ভালো’ হয়েছে : ট্রাম্প জামায়াতের সঙ্গে ঐক্য সরকার? তারেক বললেন, বিএনপি ‘একাই সক্ষম’ তারেক রহমানকে ওপেন ডিবেটের আমন্ত্রণ জামায়াত আমিরের আসন্ন নির্বাচনে বিএনপিকে ‘ফেভারিট’ বলল দ্য ইকোনমিস্ট দুর্নীতিতে ‘চ্যাম্পিয়ন’: নির্বাচনি ইশতেহারে তারেকের ব্যাখ্যা ও প্রতিশ্রুতি বিশ্বকাপ শুরু, ৩০ বছর পর নেই বাংলাদেশ ইউক্রেইনে ‘মার্চের মধ্যে’ শান্তি চুক্তি ও দ্রুত নির্বাচন ‘চায় যুক্তরাষ্ট্র’

লাইফস্টাইল

কোন রোগে কোন ফল এড়িয়ে চলবেন?

 প্রকাশিত: ১৯:১৪, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

কোন রোগে কোন ফল এড়িয়ে চলবেন?

শরীর সুস্থ রাখতে খাবারের তালিকায় নানা ধরনের খাবার ও মৌসুমি ফল রাখা হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, স্বাস্থ্য বজায় রাখতে ফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে মনে রাখা দরকার, ফলের মধ্যে সব কিছু সবার জন্য উপকারী নয়।

অনেকের ধারণা, ফল খাওয়া মানেই ভালো। এতে কোনো সন্দেহ নেই, তবে সবার জন্য সব ফল সমান উপকারী নয়। প্রত্যেকের শারীরিক অবস্থা ভিন্ন, আর তাই রোগ অনুযায়ী ফল নির্বাচন করতে হয়।

যেমন, কারো অম্বল বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকে, আবার কারো রক্তে শর্করা বেশি। তাই সঠিক ফল খাওয়ার জন্য রোগ অনুযায়ী বাছাই করা জরুরি। কিছু ফল এমন থাকে, যা না জানিয়ে খেলে শারীরিক সমস্যা আরও বাড়তে পারে।

চলুন, জেনে নেওয়া যাক কোন রোগে কোন ফল এড়িয়ে চলা উচিত:

ডায়াবেটিস:

যদি রক্তে শর্করা অস্থির থাকে এবং নিয়মিত ইনসুলিন নিতে হয়, তবে কলা ও আঙুর জাতীয় ফল খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত। এ ধরনের ফলের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি হওয়ায়, রক্তে শর্করা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে। তবে পরিমিত পরিমাণে এবং চিকিৎসকের পরামর্শে খাওয়া যেতে পারে।

কিডনি রোগ:

কিডনি রোগে আক্রান্ত হলে বেশি পটাশিয়ামযুক্ত খাবার বা ফল খাওয়া যাবে না। তাই কলা, কমলালেবু, খেজুর, আখরোট এবং কিশমিশ খাওয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত, কারণ এগুলো রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।

গাঁটে ব্যথা:

বাতের ব্যথা বা হাঁটুর ব্যথায় ভুগলে টমেটো, বেগুন এবং অন্যান্য রাতের শাকসবজি এড়িয়ে চলা উচিত। এসব খাবার প্রদাহ বাড়াতে পারে, যার ফলে ব্যথা আরও তীব্র হয়ে উঠতে পারে।

পেটের সমস্যা (গ্যাস, অম্বল):

যদি গ্যাস, অম্বল বা গলা-বুক জ্বালার সমস্যা থাকে, তবে আপেল, তরমুজ, চেরি জাতীয় ফল খাওয়া উচিত নয়। এগুলোর ফ্রুক্টোজ ও স্যারবিটলের পরিমাণ বেশি, যা হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে। এছাড়া আপেলে ফাইবার বেশি থাকায় এটি বদহজমের কারণ হতে পারে।

ত্বকের সমস্যা:

যদি ত্বকে কোনো রোগ যেমন চুলকানি, একজিমা বা সোরিয়াসিস থাকে, তবে আম, আনারস ও কমলালেবু জাতীয় ফল খাওয়া উচিত নয়। এসব ফলে অ্যালার্জির সমস্যা বাড়তে পারে।

উচ্চ কোলেস্টেরল:

যদি রক্তে কোলেস্টেরল বা ট্রাইগ্লিসারাইডের পরিমাণ বেশি থাকে, তবে নারকেল ও লেবুজাতীয় ফল খাওয়া উচিত নয়। উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) থাকলে এগুলি মাইগ্রেনের সমস্যা আরও বাড়াতে পারে।