ব্রেকিং:
ইসরায়েল যুদ্ধাপরাধ করছে: ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী চীনের টিকার প্রথম ডোজ দেয়া শুরু হবে ২৫ মে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের হামলায় নিহত বেড়ে ১৭০ লকডাউন পরিস্থিতিতে খুলছে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: শিক্ষা উপমন্ত্রী ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত থামাতে তেল আবিবে যুক্তরাষ্ট্রের দূত দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ও মৃত্যু কমেছে এবার করোনা টিকার ট্রায়াল চলবে শিশুদের উপর কোভিড-১৯: বিশ্বজুড়ে মৃত্যু ৩৪ লাখ ছুঁইছুঁই

মঙ্গলবার   ১৮ মে ২০২১,   জ্যৈষ্ঠ ৪ ১৪২৮,   ০৫ শাওয়াল ১৪৪২

সর্বশেষ:
শেখ হাসিনার ৪০তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ র‍্যাবে এই প্রথম ৪৮ পুলিশ সুপারকে উপ-পরিচালক পদে পদায়ন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মেজো ভাই অসীম বন্দ্যোপাধ্যায় মারা গেছেন ইসরায়েল থেকে ১২০ সেনা সরিয়ে নিল আমেরিকা ঈদের জামাতে বিশ্ব শান্তি কামনা ও করোনামুক্তির জন্য বিশেষ দোয়া দীর্ঘ সিয়াম সাধনার পর উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর ফিলিস্তিনে ইসরাইলি হামলায় নিহত বেড়ে ১০৩ টিকাগ্রহীতাদের ৯৭ শতাংশের শরীরে অ্যান্টিবডি : আইইডিসিআর
২৩৯

মুসলিম ব্রাদারহুডের শীর্ষ নেতাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রকাশিত: ৯ এপ্রিল ২০২১  

মিসরের রাজনৈতিক দল মুসলিম ব্রাদারহুডের শীর্ষ নেতা মাহমুদ ইজ্জতকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে সেনাবাহিনী সরিয়ে দেয়ার পর ইজ্জত জনগণকে সহিংস হওয়ার জন্য উস্কানি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছিল।

আগে ধারণা ছিল ৭৬ বছর বয়সী এই নেতা দেশ থেকে পালিয়েছেন। কিন্তু পুলিশ গত বছর অগাস্টে কায়রো থেকে তাকে গ্রেফতার করে। তার বাসভবন থেকে এনক্রিপ্টেড মেসেজ পাওয়া যায় বলে পুলিশ জানিয়েছিল। সেই সব বার্তা তিনি দেশ ও বিদেশের ব্রাদারহুডের সদস্যদের পাঠিয়েছিলেন।

ইজ্জতের বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ, তিনি ব্রাদারহুড সদস্য ও বিরোধীদের মধ্যে সংঘাতের সময় তার সংগঠনের সদস্যদের হাতে অস্ত্র তুলে নিতে বলেছিলেন। ২০১৫ সালে সাবেক প্রসিকিউটর জেনারেলের হত্যার ক্ষেত্রেও তার ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ। সাবেক প্রসিকিউটার জেনারেল ছিলেন মুসলিম ব্রাদারহুড আন্দোলনের বিরোধী।

ইজ্জতের আইনজীবীরা অবশ্য এই রায় সম্পর্কে কিছু বলেননি। তবে ব্রাদারহুড আগে জানিয়েছিল, ইজ্জতের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। এর আগে ২০১৫ সালে তার অনুপস্থিতিতে আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। তাকে গ্রেফতারের পর আবার বিচার শুরু হয়। ২০১৩ থেকে গ্রেফতার হওয়া পর্যন্ত তিনি ছিলেন মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রধান।

২০১৪ সাল থেকে সেনা প্রধান আবদুল ফাত্তাহ আল-সিসি প্রেসিডেন্ট হয়েছেন। তিনি নানাভাবে মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রভাব কম করার চেষ্টা করছেন। মুরসি ও ব্রাদারহুড সমর্থকরা ২০১৩ সালে কায়রোতে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। তখন সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে কয়েকশ মানুষ প্রাণ হারান। সাম্প্রতিক সময়ে মিসরের বিচারকরা কয়েকশ মুসলিম ব্রাদারহুড নেতা ও কর্মীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।


এই বিভাগের আরো খবর