রোববার ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ১২ ১৪৩২, ০৬ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডকে টিকেট দিল আইসিসি বাংলাদেশ বাদ: বিশ্বকাপে পাকিস্তানের খেলা নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত জানার অপেক্ষায় পিসিবি মার্কিন প্রতিরক্ষায় চীন আর প্রধান নিশানা নয় তারেক রহমানের চট্টগ্রামের প্রচারাভিযান রোববার চাঁদাবাজি-আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মুছাব্বির হত্যাকাণ্ড: ডিবি পোস্টাল ব্যালটে সিল দিয়ে `দ্রুত` পোস্ট অফিসে জমা দিন: ইসি যে কোনো হামলাকে ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’ হিসেবে গণ্য করবে ইরান প্রশান্ত মহাসাগরে মাদকবাহী নৌযানে মার্কিন হামলা, নিহত ২ ইউক্রেনে রুশ হামলায় নিহত ১, আহত ১৫ দিল্লির সংবাদ সম্মেলনে অডিও বার্তায় ইউনূসকে তীব্র আক্রমণ হাসিনার জীবন যাবে, কিন্তু অন্যায়ের কাছে মাথা নত করব না: জামায়াত আমির ভোটের লড়াইয়ে ৭৬ নারী প্রার্থী, হিজড়া একজন ট্রাম্পের শুল্ক খড়্গ: ‘সবচেয়ে বড় চুক্তি’র পথে ভারত ও ইইউ আবু ধাবিতে রাশিয়া, ইউক্রেইনের মধ্যে বিতর্কিত আঞ্চলিক বিষয় নিয়ে আলোচনা

জাতীয়

চুরি হওয়া নবজাতকের লাশ সেফটি ট্যাঙ্কে, মা-বাবা গ্রেফতার

 প্রকাশিত: ১২:৪০, ২৮ নভেম্বর ২০২০

চুরি হওয়া নবজাতকের লাশ সেফটি ট্যাঙ্কে, মা-বাবা গ্রেফতার

নিখোঁজের ৪০ ঘণ্টা পর সাতক্ষীরার নবজাতকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাত ১টার দিকে সদর উপজেলার হাওয়ালখালি গ্রামে তাদের বাড়ির সামনের সেফটি ট্যাঙ্ক থেকে শিশু সোহানের লাশটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে শিশুটির বাবা সোহাগ হোসেন ও মা ফাতেমা খাতুনকে।

পুলিশ জানায়, দু’বছর আগে নানির বাড়িতে আশ্রিতা ফাতেমা কলারোয়া উপজেলার সাহাপুর গ্রামের সোহাগ হোসেনের সাথে বিয়ে হয়। শ্বশুর বাড়িতে কিছুদিন থাকার পর পারিবারিক কলহের কারণে আবারো স্বামীকে নিয়ে তাকে আশ্রয় নিতে হয় নানির বাড়ি সদর উপজেলার হাওয়ালখালিতে। গত ১১ নভেম্বর সাতক্ষীরা শহরের আনোয়ারা ক্লিনিকে জন্ম নেয় তাদের একটি পুত্র সন্তান। শিশুটির নাম রাখা হয় সোহান হোসেন। এরপর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নিয়ে যেতে হয় খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। গত ২৫ নভেম্বর বুধবার তারা সন্তানকে নিয়ে বাড়ি ফিরে আসে। পরদিন বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ির বারান্দায় ঘুমন্ত মায়ের পাশ থেকে শিশুটি হারিয়ে যায়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা সোহাগ হোসেন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে।

সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মীর্জা সালাহ উদ্দীন জানান, পুলিশ এ ঘটনায় সন্দেভাজন শিশুটির মা ও বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা জানান, যে শিশুটি খুবই অসুস্থ ছিল। সে জন্ডিস, রিকেট ও নিউমোনিয়া, হার্টের সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিল। এ সমস্ত কারণে ও ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তারা স্বামী-স্ত্রী দু’জনের যোগসাজশে শিশু হত্যা এবং লাশ গুমের ঘটনাটি ঘটিয়েছে।

তিনি আরো জানান, শিশুটির বাবা সোহাগ হোসেন শিশুটিকে মেরে তাদের বাড়ির সামনের সেফটি ট্যাংকির ভিতরে লাশটি ফেলে দেয়। আর এ কাজে সহযোগিতা করে তার মা ফাতেমা খাতুন। পুলিশ বিষয়টি জানার পর শনিবার ভোর রাতে লাশটি উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। বিস্তারিত পরে প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে জানাবেন বলে এই পুলিশ কর্মকর্তা আরো জানান।
 

অনলাইন নিউজ পোর্টাল