মঙ্গলবার ১৬ জুন ২০২৬, আষাঢ় ৩ ১৪৩৩

ব্রেকিং

এমন ঘটনা প্রত্যাশা করি না: দিল্লিতে উপদেষ্টা জাহেদকে আটকানো প্রসঙ্গে শামা ট্রাইব্যুনালে বেনজীরের বিরুদ্ধে ১০ মামলা, ফেরাতে এনসিবিতে চিঠি ধর্ষণের ক্ষেত্রে ছোট-বড় বলে কিছু নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বড়দিনের আগেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেব: শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাজ্যে ষোলোর কম বয়সীদের ফেসবুক-টিকটক ব্যবহার নিষিদ্ধ অর্থনীতির পুনর্গঠন অন্যতম অগ্রাধিকার: সংসদে মন্ত্রী বাকলিয়ার শিশু ‘ধর্ষণ’: আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি শেষ, যুক্তিতর্ক মঙ্গলবার আবু সাঈদ হত্যা: পূর্ণাঙ্গ রায় প্রসিকিউশনে, ‘প্রয়োজনে আপিল’ বেনজীরকে দেশে ফিরিয়ে আনতে দুর্নীতির সব নথি গোছাচ্ছে দুদক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লিতে প্রবেশে বাধা: ভারতীয় দূতকে তলব দিল্লির ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত, দুঃখজনকও বটে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার দিল্লিতে প্রবেশে বাধা: খোঁজ নিচ্ছে ঢাকা কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলির মামলায় রায় ২৮ জুন নারিতা রুটে বিমান ফিরছে আগামী মাসে ফের বাড়লো সোনা-রুপার দাম ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি মানতে ইসরায়েল বাধ্য নয়: বেন-গভির

জাতীয়

কঠোর লকডাউনে অসহায় মানুষের করুন অবস্থা

 প্রকাশিত: ২১:৪৫, ১৫ এপ্রিল ২০২১

কঠোর লকডাউনে অসহায় মানুষের করুন অবস্থা

 এক সপ্তাহের জন্য কঠোর লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে সিলেট নগরীতে গাড়ির চাপ না থাকলেও রিকশা ও সিএনজি অটোরিকশার সংখ্যা রাস্তায় বেড়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে লকডাউন বাস্তবায়নে কাজ করা হলেও ক্ষোভ আর হতাশা নিম্নআয়ের মানুষের।
 এক সপ্তাহ দূরের কথা রিকশা না চালালে এক দিনও আমার ঘরে চুলা জ্বলবে না।  

এদিকে প্রথম দিনে কড়াকড়ি থাকলেও দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার নগরীর মোড়ে মোড়ে পুলিশের চেকপোস্টে খুব একটা কড়াকড়ি দেখা যায়নি। তবে কোথাও কোথাও গাড়ি থামিয়ে ‘মুভমেন্ট পাস’ আছে কিনা চেক করতে দেখা গেছে পুলিশকে। অনেকটা ঢিলেঢালাভাবে চলছে দ্বিতীয় দিনের লকডাউন।

প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিনও ইফতারি পসরা সাজিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ী। বিভিন্ন রকমের ইফতারি কিনতে দোকানগুলোয় ভিড় করেন ক্রেতারা। আর দুপুর পর্যন্ত রাস্তাঘাট কিছুটা ফাঁকা থাকলেও বেলা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে জনসমাগমও। তবে দ্বিতীয় দফা লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে নিত্যপণ্যের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ জরুরি সেবা চালু থাকলেও ব্যস্ততম এই নগরীতে মানুষের আনাগোনা কিছুটা কম ছিল।
 
বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, দুপুরের আগপর্যন্ত নগরী ছিল অনেকটা জনশূন্য। এ সময় প্রধান সড়কগুলোতে যান চলাচলও একেবারেই কম ছিল। পুলিশকেও বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান করতে এবং রাস্তায় বের হওয়া মানুষ ও যানবাহনের গতিরোধ করে চেক করতে দেখা যায়। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাস্তায় মানুষের উপস্থিতি বাড়তে থাকে।

একই সঙ্গে বাড়ে রিকশা, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের সংখ্যা। দুপুরের পর যারাই বের হয়েছিলেন তারা বেশিরভাগ ইফতার সামগ্রী ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতেই বের হয়েছেন।

 

অনলাইন নিউজ পোর্টাল