রোববার ০১ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ১৭ ১৪৩২, ১২ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

ইরানে হামলার জন্য তদবির করেছিলেন সৌদি যুবরাজ, ট্রাম্পকে একাধিকবার ফোন নৈতিক-আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে খামেনিকে নির্দয়ভাবে হত্যা করা হয়েছে: পুতিন প্রতিশোধ নেওয়া ইরানের ‘বৈধ অধিকার’: প্রেসিডেন্ট মধ্যপ্রাচ্যে ‘সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের নিন্দা’, ইরানের নাম নেয়নি ঢাকা ভারতের সাথে অনেক ‘লেনদেন’ আছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনির অবস্থান শনাক্ত করে সিআইএ, বোমা ফেলে ইসরায়েল ইরানের নেতৃত্ব পরিষদে আলিরেজা আরাফি ইরানের ৩০ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন: ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ইরানজুড়ে শোকের ছায়া করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটে হামলার চেষ্টা, নিহত ৯ খামেনির মৃত্যুতে জামায়াত আমিরের গভীর শোক ৬ দেশে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার পরামর্শ, হটলাইন চালু ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও আইআরজিসি প্রধান নিহত ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনি নিহত, ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক

আন্তর্জাতিক

অবরুদ্ধ গাজায় দারিদ্রসীমার নিচে লক্ষাধিক ফিলিস্তিনি: জাতিসংঘ

 প্রকাশিত: ১৭:৫৪, ২৬ নভেম্বর ২০২০

অবরুদ্ধ গাজায় দারিদ্রসীমার নিচে লক্ষাধিক ফিলিস্তিনি: জাতিসংঘ

মধ্যপ্রাচ্যের ইহুদিবাদী সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ইসরায়েল কর্তৃক অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় দুর্বিষহ হয়ে পড়ছে সাধারণ মানুষের জীবন।

গত ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে দখলদার বাহিনীর অবরোধে অঞ্চলটির আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ১৬ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় এক লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি। দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছে সেখানকার ১০ লাখেরও বেশি মানুষ।

এমনটাই উঠে এসেছে সদ্য প্রকাশিত জাতিসংঘের নতুন প্রতিবেদনে। এবার মূলত খবরটি প্রকাশ করেছে সংস্থাটির কনফারেন্স অন ট্রেড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ইউএনসিটিএডি)। বুধবার (২৫ নভেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রতিবেদনটি উত্থাপন করা হয়। এতে ২০০৭ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে অবিলম্বে গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি অবরোধ তুলে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

ইউএনসিটিএডির ফিলিস্তিনি সহায়তা বিষয়ক সমন্বয়কারী মাহমুদ এলখাফিফ বলেন, অন্যায্য এই অবরোধের ফলে গাজার অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে পৌঁছেছে। দারিদ্রসীমার নিচে দিনাতিপাত করছে অন্তত ৫৬ শতাংশ মানুষ। অবরোধ অব্যাহত থাকলে এ পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটবে।

মাহমুদ এলখাফিফ বলেন, গাজার ২০ লাখ লাখ বাসিন্দার ওপর থেকে এই অনর্থক অবরোধ অবিলম্বে তুলে নেওয়া উচিত। তাদের অবাধে চলাফেরা এবং বাইরের দুনিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যের সুযোগ দেওয়া উচিত। উপত্যকার বাইরে থাকা পরিবারের বাকি সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ দেওয়া উচিত।

ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস বলছে, গাজাবাসীর প্রাত্যহিক জীবনযাপনকে বিপর্যস্ত করে তুলতে দখলদার সন্ত্রাসী বাহিনী আগ্রাসী নীতির আশ্রয় নিয়েছে। তারা ফিলিস্তিন ইস্যুতে বিদ্যমান আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক নীরবতার সুযোগ নিচ্ছে।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল