বৃহস্পতিবার ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ফাল্গুন ১৩ ১৪৩২, ০৯ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

‘আস্থা বাড়ানো’, সুদের হার কমানোই প্রধান লক্ষ্য নতুন গভর্নরের প্রয়োজনেই গভর্নর পদে পরিবর্তন, আরও অনেক জায়গায় হবে: অর্থমন্ত্রী ৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা ৯ এপ্রিল এবারও ফিতরা সর্বনিম্ন ১১০ টাকা, সর্বোচ্চ ২৮০৫ ঈদযাত্রা: ট্রেনের আগাম টিকেট বিক্রি শুরু ৩ মার্চ স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর প্রাণদণ্ড বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান পিলখানা হত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাবি ছাত্রীকে বাসায় আটকে নির্যাতন, পোড়ানো হল হাত নিজেই সরে গেলেন ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাত আলী অবৈধ সম্পদের মামলায় সম্রাটের ২০ বছরের কারাদণ্ড বৃত্তির জন্য নির্বাচিত সাড়ে ৬৮ হাজার শিক্ষার্থী বগুড়ায় মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা সীমান্তে পাকিস্তান, আফগানিস্তান বাহিনীর গুলি বিনিময়

ইসলাম

সূরা ফালাক ও সূরা নাসের নাযিলের কারণ ও উপকারিতা কী?

 প্রকাশিত: ০৯:৩৬, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

সূরা ফালাক ও সূরা নাসের নাযিলের কারণ ও উপকারিতা কী?

প্রশ্ন. সূরা ফালাক এবং সূরা নাস নাযিল হওয়ার প্রেক্ষাপট জানতে চাই। আর এর উপকারিতাও জানতে চাই। শুনেছি, এই সূরার আমল করলে যাদুটোনা বা অন্যের অনিষ্ট থেকে হেফাযতে থাকা যায়।

উত্তর. প্রশ্নোক্ত সূরা দুটি নাযিল হওয়ার প্রেক্ষাপট বা শানে নুযূল হল, হুদাইবিয়ার ঘটনার পর লাবীদ ইবনে আসাম এবং তার কন্যারা রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর যাদু করেছিল। ফলে তিনি কিছুটা কষ্ট অনুভব করেন এবং অসুস্থ হয়ে পড়েন। ফেরেশতাদের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা যাদুকরের নাম এবং কোথায়, কিভাবে যাদু করা হয়েছে এ সম্পর্কে জানিয়ে দিয়েছেন। চিরুনী ও চুলের সাহায্যে যাদু করা হয়, যা যারওয়ান কূপের তলদেশে একটি পাথরের নিচে চাপা দিয়ে রাখা হয়েছিল। এই অসুস্থতার সময় প্রশ্নোক্ত সূরাদ্বয় নাযিল হয়েছে। সূরা দুটি নাযিল হওয়ার পর ফেরেশতাদের বিবরণ অনুযায়ী ওই কূপ থেকে তা তুলে আনা হয়। অতপর ওই সূরা দুটি পড়ে গিরা খুললে তৎক্ষণাত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুস্থ হয়ে উঠেন। 

এই সূরা দুটি পড়লে অনিষ্ট ও যাদু থেকে হেফাযতে থাকা যায়। হাদীস শরীফৈ প্রত্যেক ফরয নামাযের পর তা পড়ার গুরুত্ব এসেছে। এক বর্ণনায় এসেছে, যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যা সূরা ইখলাস ও এই দুই সূরা পড়বে সে সকল বিপদ-আপদ থেকে নিরাপদ থাকবে।

জামে তিরমিযী, হাদীস : ২৯০৩; সুনানে আবু দাউদ,হাদীস : ১৫২৩; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস : ১৯২৬৬; সুনানে নাসাঈ ২/১৫৪; তাফসীরে ইবনে কাসীর ৪/৯১৭

মাসিক আলকাউসার