বুধবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ফাল্গুন ১৩ ১৪৩২, ০৮ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

‘আস্থা বাড়ানো’, সুদের হার কমানোই প্রধান লক্ষ্য নতুন গভর্নরের প্রয়োজনেই গভর্নর পদে পরিবর্তন, আরও অনেক জায়গায় হবে: অর্থমন্ত্রী ৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা ৯ এপ্রিল এবারও ফিতরা সর্বনিম্ন ১১০ টাকা, সর্বোচ্চ ২৮০৫ ঈদযাত্রা: ট্রেনের আগাম টিকেট বিক্রি শুরু ৩ মার্চ স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর প্রাণদণ্ড বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান পিলখানা হত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাবি ছাত্রীকে বাসায় আটকে নির্যাতন, পোড়ানো হল হাত নিজেই সরে গেলেন ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাত আলী অবৈধ সম্পদের মামলায় সম্রাটের ২০ বছরের কারাদণ্ড বৃত্তির জন্য নির্বাচিত সাড়ে ৬৮ হাজার শিক্ষার্থী বগুড়ায় মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা সীমান্তে পাকিস্তান, আফগানিস্তান বাহিনীর গুলি বিনিময়

জাতীয়

স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর প্রাণদণ্ড

 প্রকাশিত: ১৮:৪৭, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর প্রাণদণ্ড

তের বছর আগে ভাটারা এলাকায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে স্বামী জীবন হোসেন ওরফে মুকুলকে প্রাণদণ্ড দিয়েছে আদালত।

ঢাকার দশম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বুধবার এ রায় দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী ফারুকুল ইসলাম দেওয়ান সাজার এই তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, দণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়েছে।

“জামিনে গিয়ে আসামি পলাতক রয়েছে। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে।"

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, “২০১২ সালের মুকুল ও মোছা. ফাহিমা বেগম বিয়ে করেন। তাদের ৬ মাসের একটা ছেলে সন্তান রয়েছে। মুকুল চট্টগ্রামে বার্ণিচারের কাজ করত। মামলার ঘটনার কয়েক দিন আগে তারা ঢাকার ভাটারা এলাকায় আসে। মুকুল পরনারীর প্রতি আসক্ত ছিলেন। ফাহিমাকে নির্যাতন করতো।

“২০১৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০ টার দিকে রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষে তারা ঘুমোতে যায়। পরদিন সকাল ৭ টার দিকে মুকুল ও ফাহিমার ছেলের কান্নার শব্দ শুনতে পায় প্রতিবেশীরা। তারা ফাহিমার পা বাঁধা অবস্থায় দেখেন।”

হত্যার অভিযোগ এনে পরদিন ফাহিমার বড় ভাই সিরাজুল ইসলাম ভাটারা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় ফাহিমাকে ওড়না দিয়ে পা বেঁধে ‘শ্বাসরোধ করে হত্যার’ অভিযোগ আনা হয় মুকুলের বিরুদ্ধে।

মামলাটি তদন্ত করে ২০১৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর মুকুলকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার এসআই শহিদুল ইসলাম।

২০১৫ সালের ১ জুন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে। মামলার আত্মপক্ষ শুনানি, যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে এদিন মৃত্যুদণ্ডের রায় এল।