‘আগেই ভোট’ ও হামলার অভিযোগ ইসলামী আন্দোলনের
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন আসনে অনিয়ম হওয়ার অভিযোগ তুলেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
দলটি বলছে, কোনো কোনো কেন্দ্রে ভোট ‘আগেই হয়ে গেছে’। কেন্দ্র থেকে হাতপাখা মার্কার লোকজনকে বের করে দেওয়ার অভিযোগও তুলেছে চরমোনাই পীরের দলটি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ বলেন, ভোলা-১ আসনে ‘বহু কেন্দ্রে ভোট আগে হয়ে গেছে’।
“পটুয়াখালী-৪ আসনে বিভিন্ন কেন্দ্র ও বিভিন্ন জায়গায় বিএনপির লোকজন হাতপাখার নেতাকর্মীদের বাধা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।”
ময়পুর মেমোরিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি।
কোনো জোটে না গিয়ে এককভাবে নির্বাচন করা দলটি বলেছে, ভোলা-১ আসনে ভেদুরিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ব্যাংকের হাট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জামায়াতের এজেন্ট নারীরা জোর করে নারীদের থেকে সিল নিয়ে নিজেদের মার্কায় সিল দিচ্ছে।”
দলটির অভিযোগ, “ওই আসনের উত্তর দিঘোলদী ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ইসলামী আন্দোলনের ভোলা জেলা উত্তরের সেক্রেটারি ও প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্টসহ পর্যবেক্ষণ টিমকে স্থানীয় বিজেপি নেতাকর্মীরা দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে সেনাবাহিনী তাদের উদ্ধার করে।”
ভোলা-৪ সংসদীয় আসনের বিষয়ে দলটির অভিযোগ, সেখানকার চরকলমী ইউনিয়নে ভোট কারচুপিতে বাধা দেওয়ায় বিএনপির লোকজন হাতপাখার নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালায়।
ইসলামী আন্দোলনের দাবি, নরসিংদী-৫ আসনের রায়পুরাতেও তাদের লোকজনের ওপর ধানের শীষের কর্মী-সমর্থকরা হামলা চালিয়েছেন।
এছাড়া ঝালকাঠি-০১ আসনের বড়ইয়া ইউনিয়নে কোথাও হাতপাখার এজেন্টদের কেন্দ্রে থাকতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ দলটির।