শুক্রবার ১৩ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ২৯ ১৪৩২, ২৪ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

বাগেরহাটের রামপালে বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ১২ ইরান যুদ্ধের প্রথম ৬ দিনেই খরচ ১১.৩ বিলিয়ন ডলার ইরানের ভেতরে বাস্তুচ্যুত ৩২ লাখ মানুষ: জাতিসংঘ ‘জিয়া স্বাধীনতার ঘোষক’, ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’: সংসদের ভাষণে আর যা যা বললেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আওয়ামী লীগ দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছিল: রাষ্ট্রপতি এই সংসদ বাংলাদেশের জনগণের: প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সংসদে থাকলে সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে সংসদে বিরোধীদের ওয়াকআউট আশা করি সরকারি ও বিরোধী দল আলাদা হবে না: স্পিকারকে শফিকুর ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে এই সংসদকে মুক্ত করেছিলাম: নাহিদ যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত সাতজনের জন্যও শোক জানাল ত্রয়োদশ সংসদ বাহরাইনের জ্বালানি ট্যাংকে হামলা, বাসিন্দাদের ঘরে থাকার আহ্বান যাত্রা করল ত্রয়োদশ সংসদ কয়েক হাত দূর থেকে গুলি, প্রাণে বেঁচে গেলেন জম্মু-কাশ্মীরের ফারুক আব্দুল্লাহ তেল-গ্যাস নয়, মধ্যপ্রাচ্যে বড় ভয় খাবার পানি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের কোনো সম্ভাবনা নেই ইরানের : ক্রীড়ামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক

‘সেভ আমেরিকা’ বিল পাসে মরিয়া ট্রাম্প

 প্রকাশিত: ১১:৪৫, ১৩ মার্চ ২০২৬

‘সেভ আমেরিকা’ বিল পাসে মরিয়া ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভোটদান বিধিমালায় বড় পরিবর্তন আনতে রিপাবলিকান আইন প্রণেতাদের ওপর চাপ দিচ্ছেন। 

সমালোচকদের মতে, নির্বাচনি নিরাপত্তার নামে আসলে লাখ লাখ মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করে মধ্যবর্তী নির্বাচনে পরাজয় এড়ানোই এই উদ্যোগের আসল উদ্দেশ্য।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

প্রতিনিধি পরিষদে ট্রাম্পের রিপাবলিকান দল ইতোমধ্যে ‘সেফগার্ড আমেরিকান ভোটার এলিজিবিলিটি’ (সেভ) আমেরিকা আইনের একটি সংস্করণ পাস করেছে। তবে উচ্চকক্ষ সিনেটে বিলটি বড় বাধার মুখে পড়েছে। কারণ সেখানে ডেমোক্র্যাটদের বিরোধিতা কাটিয়ে বিলটি পাস করানোর মতো প্রয়োজনীয় ভোট রিপাবলিকানদের নেই।

তবু ট্রাম্প বিলটিকে তার রাজনৈতিক এজেন্ডার কেন্দ্রে রেখেছেন। নভেম্বরের কংগ্রেস নির্বাচনের আগেই বিলটি পাস করাতে আইনপ্রণেতাদের তাগিদ দিচ্ছেন তিনি। ওই নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা ক্ষমতায় এলে তার এজেন্ডা আটকে যেতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন।

এই আইন ও এর বিতর্ক নিয়ে একটি বিশদ চিত্র তুলে ধরা হলো।

সেভ আমেরিকা আইন কী?

এই বিল অনুযায়ী, ফেডারেল নির্বাচনে ভোটার নিবন্ধনের সময় আমেরিকানদের নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে এবং ভোট দেওয়ার সময় পরিচয়পত্র উপস্থাপন করতে হবে।

আইনটির অধীনে ভোটারদের পাসপোর্ট বা জন্ম সনদের মতো নথিপত্র এবং ছবিসহ বৈধ পরিচয়পত্র দিয়ে প্রমাণ করতে হবে যে তারা মার্কিন নাগরিক।
সমর্থকরা বলছেন, এই পদক্ষেপ নির্বাচনের স্বচ্ছতায় জনআস্থা বাড়াবে।

সমালোচকদের যুক্তি, এতে লাখ লাখ যোগ্য ভোটার ক্ষতিগ্রস্ত হবেন যারা সহজে এসব নথি সংগ্রহ করতে পারেন না।

কেন ট্রাম্প এত মরিয়া?

ট্রাম্প বারবার বলে আসছেন, কঠোর ভোটদান বিধিমালা না হলে নির্বাচনে জালিয়াতি ঠেকানো যাবে না।

সোমবার হাউস রিপাবলিকানদের এক সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, এই আইন ‘মধ্যবর্তী নির্বাচনের নিশ্চয়তা দেবে’ এবং বিলটি পাস না হওয়া পর্যন্ত তিনি অন্য কোনো বিলে সই করবেন না। 

তবে সমালোচকরা বলছেন, রাজনৈতিক হিসাব পরিষ্কার। তাদের মতে, কঠোর ভোটদান বিধি চালু হলে ঐতিহ্যগতভাবে ডেমোক্র্যাটপন্থি গোষ্ঠীগুলোর ভোটার উপস্থিতি কমবে। এতে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো সহজ হবে।