সেহেরি ও ইফতার: ৯ মিনিট যোগ বা বিয়োগের হিসাব ‘ভুল ও ভিত্তিহীন’
ইসলামিক ফাউন্ডেশন বলেছে, আসন্ন রমজান মাসের জন্য ঢাকার সঙ্গে নয় মিনিট যোগ করে বা বিয়োগ করে সেহেরি ও ইফতারের সময়সূচি ঠিক করার কোনো তথ্য তারা প্রকাশ করেনি।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে রোজা শুরু হতে পারে বলে ফাউন্ডেশন জানিয়েছে। সে অনুযায়ী, আসন্ন রমজান মাসের জন্য সারাদেশের সেহেরি ও ইফতারের সময়সূচি শনিবার প্রকাশ করা হয়েছে।
তবে কিছু সংবাদমাধ্যম আগের মত ঢাকার সাথে নয় মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে সেহেরি ও ইফতারের সময়সূচির 'বিভ্রান্তিকর' তথ্য প্রকাশ করায় রোববার একটি ব্যাখ্যা দিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সেহেরি ও ইফতারের যে সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে, তা মূলত ঢাকা জেলা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য প্রযোজ্য।
কোনো কোনো সংবাদমাধ্যমে ওই সূচি প্রকাশ করে বলা হয়েছে, “দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মানুষ ভৌগোলিক অবস্থান ও দূরত্ব অনুযায়ী ঢাকার সময়ে সঙ্গে সর্বোচ্চ ৯ মিনিট পর্যন্ত যোগ করে অথবা ৯ মিনিট পর্যন্ত বিয়োগ করে সেহেরী ও ইফতার করবেন।”
ইসলামিক ফাউন্ডেশন বলছে, ৯ মিনিটের বিষয়টি ‘সম্পূর্ণ ভুল ও ভিত্তিহীন’।
“ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এ ধরনের বক্তব্য বা তথ্য প্রদান করেননি। প্রকৃতপক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এ বছর ৬৪ জেলার জন্য পৃথক সেহেরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রস্তুত করেছে।"
এবারই প্রথম প্রতিটি জেলার আলাদা সময়সূচি প্রকাশ করেছে ফাউন্ডেশন। ফলে আগের মত করে ঢাকার সময়ের সাথে কোনো সময় বা মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে সেহেরি ও ইফতারের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়নি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রত্যেক জেলার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন যে সময়সূচি নির্ধারণ করেছে, তা অনুসরণ করবেন ওই এলাকার রোজাদাররা।
এ বিষয়ে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব এবং সেহেরি ও ইফতার সময়সূচি প্রণয়ন কমিটির আহ্বায়ক আবদুল মালেক বলেন, “অন্যান্য জেলার মানুষ ঢাকা জেলার সময়সূচির সঙ্গে কোনো মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে নয়; বরং প্রত্যেক এলাকার মানুষ তার জেলার জন্য প্রণীত ও প্রকাশিত সময়সূচি অনুসরণ করবেন।”
১৯ ফেব্রুয়ারি প্রথম রোজা হলে সেদিন ঢাকায় সেহেরির শেষ সময় হবে ভোর ৫টা ১২ মিনিটে। আর সন্ধ্যা ৫টা ৫৮ মিনিটে ইফতার করতে হবে।
