বুধবার ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ ২৪ ১৪৩২, ১৮ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

তারেকের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সাক্ষাৎ ভারতে বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ ‘অনড়’: আসিফ নজরুল ভোটের আগে-পরে ৭ দিন মাঠে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ‘আচরণবিধি লঙ্ঘন’: বিএনপি প্রার্থী রেজা কিবরিয়াকে শোকজ অর্থ আত্মসাৎ: কক্সবাজারের সাবেক মেয়র আবছারের ৩ বছরের সাজা রাজনীতির পাশাপাশি অর্থনীতিরও ‘গণতন্ত্রায়ন দরকার’: খসরু সরকার একটি দলে ‘ঝুঁকেছে’, নির্বাচন ‘পাতানো হতে পারে’: জামায়াতের তাহের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ডের তালিকায় বাংলাদেশ, ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত গুনতে হতে পারে দুবাইয়ে ৩ ফ্ল্যাট একরামুজ্জামানের, সাত বছরে ঋণ বেড়েছে ২২ গুণ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নওগাঁয় আইসিসির কাছ থেকে আল্টিমেটাম পাওয়ার খবর উড়িয়ে দিল বিসিবি বিশ্বকাপে খেলতে ভারতেই যেতে হবে বাংলাদেশকে, খবর ক্রিকইনফো ও ক্রিকবাজের যুক্তরাষ্ট্রে ২০০ কোটি ডলার মূল্যের তেল রপ্তানি করবে ভেনেজুয়েলা মার্কিন তাড়া খাওয়া তেল ট্যাংকার পাহারায় রাশিয়ার নৌবহর গ্রিনল্যান্ড দখলে সামরিক বিকল্প ভাবছে ট্রাম্প কলম্বিয়ার গেরিলারা মার্কিন হামলার পর ভেনেজুয়েলা থেকে পালাচ্ছে

অর্থনীতি

৬ ব্যাংককে ২২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে: গভর্নর

 প্রকাশিত: ১৮:৪৬, ২৮ নভেম্বর ২০২৪

৬ ব্যাংককে ২২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে: গভর্নর

দুর্বল ছয় ব্যাংককে এ পর্যন্ত ২২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আরও দেওয়া হবে, যাতে কোনো গ্রাহক ব্যাংকে টাকা নিতে এসে ফেরত না যান।

এমনটি জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।

গভর্নর বলেন, আমানতকারীদের আমানতের পুরো নিশ্চয়তার দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের, সরকারের। আমানত নিয়ে গ্রাহককে কোনো চিন্তা করতে হবে না। গ্রাহকের যখন যে পরিমাণ টাকা প্রয়োজন, রোববার থেকে পাবেন। ইতোমধ্যে সে প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে।  

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর বর্তমান গভর্নর দায়িত্ব নিয়ে টাকা ছাপিয়ে দুর্বল ব্যাংকগুলোকে দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই অবস্থান থেকে সরে এলো বাংলাদেশ ব্যাংক। স্বল্প পরিমাণে টাকা ছাপিয়ে ব্যাংকগুলোকে দেওয়া হবে বলে জানালেন গভর্নর।

সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর বলেন, সর্বোপরি টাকা ছাপিয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংককে দেওয়া হবে। তবে সমপরিমাণ টাকা বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে বাজার থেকে টাকা তুলে নেওয়া হবে, যাতে বাজারে বাড়তি টাকা না থাকে এবং মূল্যস্ফীতি না হয়। আগেরমতোই সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি অব্যাহত থাকবে।

অতীতে সরকার ছাপিয়ে ধার দিয়েছে, বর্তমান সরকারেও সময়েও তা করা হচ্ছে, পার্থক্য কী- সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দুর্বল ব্যাংকের আজ্ঞাবহ কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে, ব্যাংকগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনা হয়েছে।