ভূমি নিয়ে সন্দেহ অবিশ্বাস দূর করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: ভূমি মন্ত্রী
ভূমি মন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, ভূমি সেবা নিয়ে মানুষের মনে যে সন্দেহ ও অবিশ্বাস রয়েছেন, তা দূর করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।
আজ তেজগাঁওয়ে ভূমি ভবনে অবস্থিত সিটিজেন কেয়ার সেন্টার ও কল সেন্টারের কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল উপস্থিত ছিলেন।
মিজানুর রহমান মিনু বলেন, কল সেন্টারের ব্যাপক প্রচার দরকার, যাতে করে প্রান্তিক মানুষ ভূমিসেবা থেকে বঞ্চিত না হয়। সিটিজেন কেয়ার সেন্টার ও কল সেন্টারের সেবার পরিধি বাড়াতে হবে, যাতে প্রতিদিন কমপক্ষে ২ হাজার মানুষ এই সেবা পায়, যা বর্তমানে ২০০-৩০০ জনে সীমাবদ্ধ রয়েছে।
এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ভূমি মন্ত্রী বলেন, সেবা খাতে ঘুষ র্দ্নুীতি বন্ধ করতে চাই, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে ভূমি খাতে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে।
প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ঘুষ দুর্নীতির বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয় জিরো টলারেন্স থাকবে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের পূর্বের দায়িত্বপ্রাপ্তগণ ঘুষ ও দুর্নীতিতে দেশে বিদেশে কুখ্যাত ছিলো। আমাদের পূর্ব পুরুষরা কৃষক ছিলেন। তাদের প্রতিচ্ছবি সামনে রেখে আমরা কাজ করবো।
এ সময় তিনি আরও বলেন, ভূমি খাতের অভিযোগ, আপত্তি ও আপীল নিষ্পত্তিতে কিভাবে সময় কমানো যায়— তা নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নিতে হবে।
প্রয়োজনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মতো ভূমির মামলাগুলোর দ্রুত সমাধানের তাগিদ দেন তিনি।
আপত্তি ও আপীল নিষ্পত্তিতে নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল গুরুত্ব আরোপ করেন।
মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী সিটিজেন কেয়ার সেন্টার ও কল সেন্টারের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং সেবা আধুনিকীকরণে বিভিন্ন নির্দেশনা দেন।
এ সময় ভূমি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের দপ্তর প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
পরবর্তীতে ভূমি ভবনের সভাকক্ষে সিনিয়র সচিব এ এস এস সালেহ আহমেদের সভাপতিত্বে প্রকল্প পরিচালকদের অংশগ্রহণে ১৬৩তম পিডি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মহোদয় বিভিন্ন প্রকল্প দ্রুত শেষ করা তাগিদ দেন এবং ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্র, ভূমি অ্যাপ আরও জনবান্ধব করার নির্দেশনা প্রদান করেন।