মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ফাল্গুন ১২ ১৪৩২, ০৭ রমজান ১৪৪৭

আন্তর্জাতিক

ভারতের ঝাড়খণ্ডে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ৭

 প্রকাশিত: ১১:১০, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ভারতের ঝাড়খণ্ডে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়ে নিহত ৭

ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়ে সাত আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন।

সোমবার সন্ধ্যায় ঝাড়খণ্ডের ছাতরা জেলার সিমারিয়া গ্রামের কাছে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়, খবর ভারতীয় গণমাধ্যমের।

ঝাড়খণ্ড রাজ্যে সরকারের এক শীর্ষ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, ফ্লাইটটি ঝাড়খণ্ডের রাচি থেকে দিল্লি যাওয়ার পথে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

ছাতরার ডিসি কীর্তিশ্রী জি বার্তা সংস্থা পিটিআইকে বলেন, “এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটিতে থাকা সাত আরোহীর সবাই এ দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। বিমানটি রাচি থেকে দিল্লির পথে ছিল।”

রেডবার্ড এয়ারওয়েজ প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালনাধীন বিমানটি সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিটে রাচি বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়েছিল।

কীর্তিশ্রী জি জানান, প্রায় সাড়ে ৭টার দিকে বিমানটি নিখোঁজ হয় আর পরে সিমারিয়ার কাছে গভীর বনে আচ্ছাদিত বারিয়াতু পঞ্চায়েত এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।

মহকুমা পুলিশ কর্মকর্তা (এসডিপিও) শুভম খান্ডেলওয়াল পিটিআইকে জানিয়েছেন, সাত মৃতদেহের সবগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।

রাচির দেবকমল হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী অনন্ত সিং জানান, লাতেহার জেলার বাসিন্দা সঞ্জয় কুমারের (৪১) জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটির ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ৬৫ শতাংশ পুড়ে যাওয়া শরীর নিয়ে তিনি এ হাসপাতালটিতে চিকিৎসারত ছিলেন।

কুমারের পরিবারের এক সদস্য জানিয়েছেন, সড়ক পথে ভ্রমণ তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় তারা এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বেছে নিয়েছিলেন। কুমারের আরেক আত্মীয় বিজয় কুমার জানান, সড়ক পথে দিল্লি নেওয়া হলে রোগীর জীবন সঙ্কটাপন্ন হতে পারে বলে চিকিৎসক সতর্ক করেছিলেন।

দুর্ঘটনাস্থলের স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিমানটি যখন বিধ্বস্ত হয় তখন ওই এলাকায় প্রবল বাতাস, ভারি বৃষ্টি ও বজ্রপাত হচ্ছিল। ঝড়ো আবহাওয়ার মধ্যে বিকট শব্দের সঙ্গে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

রাচি বিমানবন্দরের পরিচালক বিনোদ কুমার জানান, উড্ডয়নের প্রায় ২০ মিনিট পরে বিমানটির সঙ্গে এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। খারাপ আবহাওয়া বিমান বিধ্বস্তের একটি সম্ভাব্য কারণ হলেও পূর্ণ তদন্তের পর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে মনে করছেন তিনি।