শনিবার ২৭ জুন ২০২৬, আষাঢ় ১৩ ১৪৩৩

ব্রেকিং

বাংলাদেশ ও চীনের ১৩ সমঝোতা বাজেটের ‘ফরম্যাট’ পরিবর্তনের চেষ্টা চলছে: অর্থমন্ত্রী এক টাকা দুর্নীতির প্রমাণ মিললে সংসদ ছাড়ব: হাসনাত হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৯ জনের মৃত্যু দিনাজপুরে নদীতে গোসলে নেমে পানিতে ডুবে ৩ নারীর মৃত্যু সীমান্তের সমস্যা ‘দ্রুত’ ঠিক হয়ে যাবে, ‘আশা’ দীনেশ ত্রিবেদীর ফের চালু হচ্ছে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা, আবেদন নেওয়া হবে ২৮ জুন থেকে তারেক রহমান ও লি ছিয়াংয়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক বাসসের সাবেক এমডি মাহবুব মোর্শেদকে দুদকে তলব ডেঙ্গুতে আরো একজনের মৃত্যু ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৬৪, আহত ৯৭১ তিস্তা প্রকল্পে সহযোগিতার আশ্বাস চীনের চীনে বাংলাদেশের প্রথম বিনিয়োগ কার্যালয় খোলার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর দেশে ৮২ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে একই পরিবারের ৩ জনকে গলাকেটে হত্যা ভারতের হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীকে মন্ত্রীর মর্যাদা ভিনিসিউসের জোড়া গোলে গ্রুপ সেরা ব্রাজিল

জাতীয়

বরখাস্ত ওসি প্রদীপের স্ত্রী চুমকিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ

 প্রকাশিত: ১৪:২৪, ২৩ মে ২০২২

বরখাস্ত ওসি প্রদীপের স্ত্রী চুমকিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ

টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশের স্ত্রী চুমকি কারণ আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। অবৈধ সম্পতদ অর্জনের মামলায় তিনি আত্মসমর্পণ করার পর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। 

আজ সোমবার চুমকি চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেছিলেন। বিচারক মুন্সী আব্দুল মজিদ সেই আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।  

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এই মামলা করেছিল। গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর প্রদীপ ও চুমকির বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। এটি এখন সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।   

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন ওসি প্রদীপ। ওই হত্যা মামলায় তিনি ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত। তিনি কারাগারে আছেন। তবে তার স্ত্রী চুমকি এতদিন পলাতক ছিলেন।

অবৈধ সম্পদ অজর্নের অভিযোগে বরখাস্ত ওসি প্রদীপ ও তার স্ত্রী চুমকির বিরুদ্ধে  মামলা করে 

২০২০ সালের ২৩ আগস্ট দুদক বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ ও তার স্ত্রী চুমকির বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অজর্নের অভিযোগে মামলা করে। ওই বছরের ৩১ জুলাই অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ওসি প্রদীপকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর প্রদীপের বিরুদ্ধে তদন্তে নামে দুদক।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-২ এর সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন অভিযোগ অনুসন্ধান করেন। বাদী হয়ে প্রদীপ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলাটি করেছিলেন তিনি। 

সেই মামলায় দম্পতির বিরুদ্ধে ৩ কোটি ৯৫ লাখ পাঁচ হাজার ৬৩৫ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আসে। এই সম্পদের তথ্য গোপন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়। 

মামলার এজাহারে বলা হয় ঘুষ-দুর্নীতির টাকায় কিভাবে প্রদীপ তার স্ত্রীর নামে নানা সম্পদ গড়েছেন। সেখানে আরো বলা হয় কিভাবে প্রদীপ তার স্ত্রীকে কমিশন ব্যবসায়ী ও মৎস্য ব্যবসায়ী সাজিয়ে কালো টাকা সাদা করার চেষ্টা করেছেন।