বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২৯ ১৪৩২, ২৩ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

এবারের ভোট হোক নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন: প্রধান উপদেষ্টা প্রধান উপদেষ্টাসহ সব উপদেষ্টার সম্পদ বিবরণী প্রকাশ ফেইসবুকে সম্পদের বিবরণী দিলেন প্রেস সচিব: ব্যাংকে কোটি টাকা, তিন ফ্ল্যাট আশা করি আমাকে ভুলে যাবেন এবং মাফও করে দেবেন: বাণিজ্য উপদেষ্টা সরকারি ব্যয়ে কাউকে হজে নেওয়া হবে না: ধর্ম উপদেষ্টা কোন এলাকার কী অবস্থা, প্রচার শেষে খোঁজ নিচ্ছেন তারেক গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডির ৫ ও স্ত্রীর ৭ দিনের রিমান্ড দুর্নীতির ধারণা সূচকে বাংলাদেশের সামান্য উন্নতি হাদির পরিবার পেল ফ্ল্যাটের দলিল ও চাবি ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারির ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ১২৩৮৫ জন আমি সরে দাঁড়াতে চাই: ঢাবি উপাচার্য নেত্রকোণায় রাতের আঁধারে ৪ ভোটকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নেওয়া যাবে, ব্যবহার নয় গোপন কক্ষে প্রচার পর্ব শেষ, নিরাপত্তার চাদরে দেশ শনিবার পর্যন্ত জনসভা-শোভাযাত্রা-মিছিলে ইসির নিষেধাজ্ঞা জাতীয় নির্বাচন: আজ রাত থেকে ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ

জাতীয়

বরখাস্ত ওসি প্রদীপের স্ত্রী চুমকিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ

 প্রকাশিত: ১৪:২৪, ২৩ মে ২০২২

বরখাস্ত ওসি প্রদীপের স্ত্রী চুমকিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ

টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশের স্ত্রী চুমকি কারণ আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। অবৈধ সম্পতদ অর্জনের মামলায় তিনি আত্মসমর্পণ করার পর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। 

আজ সোমবার চুমকি চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেছিলেন। বিচারক মুন্সী আব্দুল মজিদ সেই আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।  

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এই মামলা করেছিল। গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর প্রদীপ ও চুমকির বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। এটি এখন সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।   

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন ওসি প্রদীপ। ওই হত্যা মামলায় তিনি ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত। তিনি কারাগারে আছেন। তবে তার স্ত্রী চুমকি এতদিন পলাতক ছিলেন।

অবৈধ সম্পদ অজর্নের অভিযোগে বরখাস্ত ওসি প্রদীপ ও তার স্ত্রী চুমকির বিরুদ্ধে  মামলা করে 

২০২০ সালের ২৩ আগস্ট দুদক বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ ও তার স্ত্রী চুমকির বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অজর্নের অভিযোগে মামলা করে। ওই বছরের ৩১ জুলাই অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ওসি প্রদীপকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর প্রদীপের বিরুদ্ধে তদন্তে নামে দুদক।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-২ এর সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন অভিযোগ অনুসন্ধান করেন। বাদী হয়ে প্রদীপ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলাটি করেছিলেন তিনি। 

সেই মামলায় দম্পতির বিরুদ্ধে ৩ কোটি ৯৫ লাখ পাঁচ হাজার ৬৩৫ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আসে। এই সম্পদের তথ্য গোপন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়। 

মামলার এজাহারে বলা হয় ঘুষ-দুর্নীতির টাকায় কিভাবে প্রদীপ তার স্ত্রীর নামে নানা সম্পদ গড়েছেন। সেখানে আরো বলা হয় কিভাবে প্রদীপ তার স্ত্রীকে কমিশন ব্যবসায়ী ও মৎস্য ব্যবসায়ী সাজিয়ে কালো টাকা সাদা করার চেষ্টা করেছেন।