শনিবার ১৩ জুন ২০২৬, জ্যৈষ্ঠ ২৯ ১৪৩৩

ব্রেকিং

বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের আবার হারিয়ে ঐতিহাসিক সিরিজ জয় সামাজিক সুরক্ষায় বরাদ্দ বাড়ছে ১৩% পোশাক খাতসহ দেশি শিল্প ‘সুরক্ষায়’ কর ছাড় ঘাটতি মেটাতে নিট বিদেশি ঋণ দ্বিগুণ করার লক্ষ্য বাজেট ‘ব্যবসায়বান্ধব’, কার্যকর বাস্তবায়ন জরুরি: ডিসিসিআই ব্যাংক হিসাবে ৪ লাখ টাকা হলে আবগারি শুল্ক ‘সৃজনশীল অর্থনীতি’ উন্নয়নে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ স্থিতিশীলতায় ফেরার বাজেটে ব্যয় বাড়ল ১৯% ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল মন্ত্রিসভায় বাজেট অনুমোদন কল্যাণ রাষ্ট্রের ভিত্তি দেওয়াই বাজেটের লক্ষ্য: অর্থমন্ত্রী গাইবান্ধায় বিএনপি-জামায়াত ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ বাতিল করল অস্ট্রেলিয়া টানা ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে আজ মধ্যরাতে সাগরে নামবেন জেলেরা বান্দরবান সদর হাসপাতালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ শ্রমিকের মৃত্যু

জাতীয়

বরখাস্ত ওসি প্রদীপের স্ত্রী চুমকিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ

 প্রকাশিত: ১৪:২৪, ২৩ মে ২০২২

বরখাস্ত ওসি প্রদীপের স্ত্রী চুমকিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ

টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশের স্ত্রী চুমকি কারণ আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। অবৈধ সম্পতদ অর্জনের মামলায় তিনি আত্মসমর্পণ করার পর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। 

আজ সোমবার চুমকি চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেছিলেন। বিচারক মুন্সী আব্দুল মজিদ সেই আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।  

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এই মামলা করেছিল। গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর প্রদীপ ও চুমকির বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। এটি এখন সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।   

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন ওসি প্রদীপ। ওই হত্যা মামলায় তিনি ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত। তিনি কারাগারে আছেন। তবে তার স্ত্রী চুমকি এতদিন পলাতক ছিলেন।

অবৈধ সম্পদ অজর্নের অভিযোগে বরখাস্ত ওসি প্রদীপ ও তার স্ত্রী চুমকির বিরুদ্ধে  মামলা করে 

২০২০ সালের ২৩ আগস্ট দুদক বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ ও তার স্ত্রী চুমকির বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অজর্নের অভিযোগে মামলা করে। ওই বছরের ৩১ জুলাই অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ওসি প্রদীপকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর প্রদীপের বিরুদ্ধে তদন্তে নামে দুদক।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-২ এর সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন অভিযোগ অনুসন্ধান করেন। বাদী হয়ে প্রদীপ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলাটি করেছিলেন তিনি। 

সেই মামলায় দম্পতির বিরুদ্ধে ৩ কোটি ৯৫ লাখ পাঁচ হাজার ৬৩৫ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আসে। এই সম্পদের তথ্য গোপন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়। 

মামলার এজাহারে বলা হয় ঘুষ-দুর্নীতির টাকায় কিভাবে প্রদীপ তার স্ত্রীর নামে নানা সম্পদ গড়েছেন। সেখানে আরো বলা হয় কিভাবে প্রদীপ তার স্ত্রীকে কমিশন ব্যবসায়ী ও মৎস্য ব্যবসায়ী সাজিয়ে কালো টাকা সাদা করার চেষ্টা করেছেন।