রোববার ২৮ জুন ২০২৬, আষাঢ় ১৫ ১৪৩৩

ব্রেকিং

রোমে ৩ বাংলাদেশিকে হত্যা: সন্দেহভাজনের ছবি প্রকাশ আবরার ফাহাদের নামে বুয়েটে হল হবে: শিক্ষামন্ত্রী শহীদ জননী জাহানারা ইমামকে ‘জাহান্নামের কীট’ বললেন রাকসুর নেতা ইসলামী ব্যাংকে অমুসলিমরা চাকরি করতে পারবেন? আলোচনা সংসদে বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্ব ব্যাংক ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ছয়জনের মৃত্যু লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে বেক্সিমকো ফার্মার লেনদেন চালু যমুনায় বাড়ছে পানি ভাঙছে পাড়, বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি সিলেটসহ সাত জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যার আভাস ৩ জেলায় মৃদু তাপপ্রবাহ, অব্যাহত থাকার আভাস ‘বাংলাদেশ প্রথম’ নীতি নিয়েই বিদেশে কথা বলেছি: প্রধানমন্ত্রী রোমে বাংলাদেশি পরিবারের ৩ জন খুন, বাঁচলেন বড় ছেলে ডারবানের পথে ‘বাংলার জয়যাত্রা’ ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গ নিয়ে একদিনে ৪ শিশুর মৃত্যু ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৯২০ ইউরোপে মারাত্মক দাবদাহ, স্পেনে ৩ শতাধিক মৃত্যু

মতামত

কওমিরা রাজনীতিতে সফল না হওয়ার কারণ

 প্রকাশিত: ০৭:৪৩, ২০ জুন ২০২৬

কওমিরা রাজনীতিতে সফল না হওয়ার কারণ

|| মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম ||

কওমি মাদরাসাকেন্দ্রিক রাজনৈতিক দলগুলো দীর্ঘদিন ধরে ইসলামি রাজনীতির ময়দানে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু তাদের কাঙ্ক্ষিত সফলতা এখনো আসেনি। এর অন্যতম কারণ হলো তারা রাজনীতিকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে পূর্ণকালীন কাজ হিসেবে গ্রহণ করতে পারে না। তাদের প্রধান দায়িত্ব থাকে শিক্ষা ও মাদরাসা পরিচালনা। ফলে রাজনীতির জন্য তারা সীমিত সময় দিতে পারে।

অন্যদিকে বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জামায়াতসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের অনেক নেতাকর্মী তাদের অধিকাংশ সময় রাজনীতির পেছনে ব্যয় করে। রাজনীতিই তাদের প্রধান কর্মক্ষেত্র হয়ে থাকে। ফলে তারা সংগঠন, প্রচার, জনসংযোগ ও রাজনৈতিক কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অর্থনীতি। কওমি মাদরাসাকেন্দ্রিক রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অধিকাংশের ব্যক্তিগত অর্থনৈতিক উন্নতি রাজনীতির মাধ্যমে হয় না। তাই জীবিকা নির্বাহের জন্য তাদের আলাদা কাজে সময় দিতে হয়। ফলে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তারা পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারেন না। কিন্তু অন্যান্য অনেক রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রে রাজনীতি নিজেই একটি শক্তিশালী পেশাগত ক্ষেত্র হয়ে দাঁড়ায়।

ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, রাসুলুল্লাহ সা. ইসলাম প্রতিষ্ঠার কাজে সর্বোচ্চ ত্যাগ ও অবিরাম প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। মক্কায় দাওয়াত, মদিনায় রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং জিহাদের মাধ্যমে তিনি দীন প্রতিষ্ঠার জন্য নিরলসভাবে কাজ করেছেন। এখান থেকে শিক্ষা হলো, যে লক্ষ্য অর্জন করতে চাই, তার জন্য ধারাবাহিক, পরিকল্পিত ও সর্বাত্মক প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

পৃথিবীর সব সফল আন্দোলন ও রাজনৈতিক শক্তির একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো, তারা তাদের লক্ষ্য অর্জনের জন্য দীর্ঘ সময়, শ্রম ও ত্যাগ ব্যয় করে। কোনো বড় লক্ষ্য শুধু অবসর সময়ের কাজ দিয়ে অর্জন করা কঠিন। তাই যারা ইসলামি আদর্শকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে চান, তাদের উচিত সুদীর্ঘ পরিকল্পনা, নিয়মিত দাওয়াতি কাজ, সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি এবং ধারাবাহিক জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়া।