শনিবার ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ১১ ১৪৩২, ০৫ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

তারেক রহমানের চট্টগ্রামের প্রচারাভিযান রোববার চাঁদাবাজি-আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মুছাব্বির হত্যাকাণ্ড: ডিবি পোস্টাল ব্যালটে সিল দিয়ে `দ্রুত` পোস্ট অফিসে জমা দিন: ইসি যে কোনো হামলাকে ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’ হিসেবে গণ্য করবে ইরান প্রশান্ত মহাসাগরে মাদকবাহী নৌযানে মার্কিন হামলা, নিহত ২ ইউক্রেনে রুশ হামলায় নিহত ১, আহত ১৫ দিল্লির সংবাদ সম্মেলনে অডিও বার্তায় ইউনূসকে তীব্র আক্রমণ হাসিনার জীবন যাবে, কিন্তু অন্যায়ের কাছে মাথা নত করব না: জামায়াত আমির ভোটের লড়াইয়ে ৭৬ নারী প্রার্থী, হিজড়া একজন ট্রাম্পের শুল্ক খড়্গ: ‘সবচেয়ে বড় চুক্তি’র পথে ভারত ও ইইউ আবু ধাবিতে রাশিয়া, ইউক্রেইনের মধ্যে বিতর্কিত আঞ্চলিক বিষয় নিয়ে আলোচনা তানজিদের রেকর্ড-গড়া সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রামকে গুঁড়িয়ে শিরোপা রাজশাহীর

ইসলাম

সিজদার আয়াত কি আস্তে নাকি জোরে তিলাওয়াত করা উচিত?

 প্রকাশিত: ০৭:৪২, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬

সিজদার আয়াত কি আস্তে নাকি জোরে তিলাওয়াত করা উচিত?

প্রশ্ন. আমরা বাসা-বাড়িতে প্রতিদিন কুরআন তিলাওয়াত করি। সাধারণত ফজরের পর তিলাওয়াত করা হয়। এ সময় ঘরের সদস্যদের কেউ অন্য কাজে ব্যস্ত থাকে। কেউবা যিকির-আযকার করে কেউ ঘুমায়। তিলাওয়াত কিছুটা উঁচু আওয়াজে পড়লেই ভালো লাগে। এখন জানতে চাই, সিজদার আয়াত এলে তখন কি আমার জন্য আস্তে পড়া জরুরি? যেন ঘরের অন্য কেউ না শোনে। আমি এমনটি করি, কিন্তু মনে খটকা লাগে যে, সিজদা করতে কষ্ট কিসের? জোরেই পড়া উচিত। যেন সকলে শুনতে পায় এবং সিজদা আদায় করে। কোনটি সঠিক?

উত্তর. উপস্থিত লোকজন যদি অন্য কোনো কাজে ব্যস্ত না থাকে; বরং অযুসহ সিজদা আদায়ের পরিবেশ থাকে তবে এক্ষেত্রে তিলাওয়াতকারী উচ্চ আওয়াজে সিজদার আয়াত পড়তে পারে। কিন্তু যদি উপস্থিত লোকজন অন্য কাজে লিপ্ত থাকে কিংবা সিজদা আদায়ের জন্য প্রস্তুত না থাকে, ফলে এ সময় সিজদার আয়াত জোরে পড়লে তাদের কষ্ট হবে কিংবা পরবর্তীতে আদায় করতে ভুল যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাহলে এসব ক্ষেত্রে সিজদার আয়াত আস্তে পড়াই শ্রেয়। কেননা, এ ধরনের পরিস্থিতিতে জোরে পড়লে তাদেরকে কষ্টে ফেলা হবে কিংবা অবহেলা বা ব্যস্ততার দরুণ সিজদা আদায় না করার গুনাহে পতিত করা হবে।

-মাজমাউল আনহুর ১/২৩৮; বাদায়েউস সানায়ে ১/৪৫০; ইনায়া ১/৪৭৮; আননাহরুল ফায়েক ১/৩৪৩; ফাতাওয়া সিরাজিয়া ১৪

মাসিক আলকাউসার