বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ফাল্গুন ৭ ১৪৩২, ০২ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ট্রাম্পের চিঠি হাসিনাকে ফেরানোর প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সরকারি দল সংস্কারের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: নাহিদ বিদ্রোহের অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের যাবজ্জীবন সচিবালয়েই অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সাক্ষাৎ ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু: তথ্যমন্ত্রী ভারতীয় ভিসা প্রক্রিয়া দ্রুতই স্বাভাবিক হবে: সহকারী হাই কমিশনার আইজিপি বাহারুল স্বেচ্ছায় চলে যাচ্ছেন, আলোচনায় পুনরায় ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাদ মিত্রদের সঙ্গে এআইয়ের ‘নিয়মের কাঠামো’ গড়তে বদ্ধপরিকর মাখোঁ ভারতে এআই সম্মেলনে ভাষণ বাতিল করলেন বিল গেটস শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই প্রধান অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী ইরানে নতুন কোনো মার্কিন হামলার বিরুদ্ধে সতর্কতা জানালেন ল্যাভরভ

জাতীয়

আপন বলতে কেউ নেই, হাসপাতালই ঠিকানা বৃদ্ধা পারভীনের!

 প্রকাশিত: ০৮:৫৩, ১২ জানুয়ারি ২০২১

আপন বলতে কেউ নেই, হাসপাতালই ঠিকানা বৃদ্ধা পারভীনের!

হাসপাতালের মেঝেতে কম্বল গায়ে গুটিশুটি মেরে শুয়ে আছেন। অন্য আরেকদিন এসে কথা বলবো কি-না এ নিয়ে সঙ্গে থাকা সহকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করতেই নড়েচড়ে উঠলেন। কেমন আছেন জানতে চাইতেই বৃদ্ধার চোখে পানি। হাউমাউ করে কী যেন বলতে চাইলেন। একটু কাছে গিয়ে কথা শুনে নিশ্চিত হওয়া গেল হাসপাতালই তার ঠিকানা।

বৃদ্ধার নাম পারভীন আক্তার। বয়স সত্তরের উপরে হবে বলে ধারণা পাওয়া যায়। আপন বলতে এই পৃথিবীতে কেউ নেই। অনেক বছর আগে স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি একা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলায় নারীদের ওয়ার্ডের মেঝেতে ঠাঁয় হয়েছে পারভীন আক্তারের। বয়সের ভারে যেসব সমস্যা থাকে সেগুলোর লক্ষণ আছে শরীরে। তবে তিনি রোগী নন। তবুও হাসপাতালে ঠাঁই নিয়েছেন শুধু থাকা আর ভাতের নিশ্চয়তায়।

সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওই বৃদ্ধা মাস তিনেকের মতো হাসপাতালে থেকে গেছেন। তবে এক সময় হাসপাতাল ছাড়তে হয়। গত ৬ জানুয়ারি আবার হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। রোগীর চাপ থাকায় মেঝেতে রাখা হয়েছে বৃদ্ধা পারভীন আক্তারকে। তবে অন্যান্য রোগীদের মতোই তিন বেলা নিয়মিত খাবার দেয়া হচ্ছে তাকে।

অস্পষ্ট ভাষায় পারভীন আক্তার জানান, সহায় সম্পদ কিংবা স্বজন কেউ নেই। আখাউড়ার খড়মপুর এলাকায় থাকতেন। দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে সুযোগ মতো কাজ করতেন। এখন আর পারেন না। শক্তিতে কুলায় না। তাই কয়েক মাস আগে হাসপাতালে চলে আসেন। কিছুদিনের জন্য বাইরে গিয়ে আবার এসেছেন। এখানে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা আছে বলে থেকে যেতে চান।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল