সোমবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ফাল্গুন ১১ ১৪৩২, ০৬ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

পুলিশের কাজে অবৈধভাবে কেউ বাধা দিতে পারবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ত্রয়োদশ সংসদ: প্রথম অধিবেশনের ডাক রাষ্ট্রপতির অন্তর্বর্তী সরকারের সময় চাঁদাবাজি বেড়েছে ২০-৫০%: ঢাকা চেম্বার গোপালগঞ্জে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১ মঈদুল হাসান, মোহন রায়হানসহ ৯ জন পাচ্ছেন বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, ৫ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল আমার দুঃসময়ে বিএনপির সহযোগিতা ছিল শতভাগ: রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত সরকার পছন্দের লোক বসাবে, এটাই স্বাভাবিক: তাজুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ নেপালে যাত্রীবাহী বাস গিরিসঙ্কটে পড়ে পর্যটকসহ নিহত ১৯ নড়াইলে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ৪ চট্টগ্রামে রান্নাঘরে গ্যাস `বিস্ফোরণে` দগ্ধ ৯, সবার অবস্থা ‘আশঙ্কাজনক` মেক্সিকোর শীর্ষ মাদক কারবারি ‘এল মেনচো’ সামরিক অভিযানে নিহত

জাতীয়

আপন বলতে কেউ নেই, হাসপাতালই ঠিকানা বৃদ্ধা পারভীনের!

 প্রকাশিত: ০৮:৫৩, ১২ জানুয়ারি ২০২১

আপন বলতে কেউ নেই, হাসপাতালই ঠিকানা বৃদ্ধা পারভীনের!

হাসপাতালের মেঝেতে কম্বল গায়ে গুটিশুটি মেরে শুয়ে আছেন। অন্য আরেকদিন এসে কথা বলবো কি-না এ নিয়ে সঙ্গে থাকা সহকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করতেই নড়েচড়ে উঠলেন। কেমন আছেন জানতে চাইতেই বৃদ্ধার চোখে পানি। হাউমাউ করে কী যেন বলতে চাইলেন। একটু কাছে গিয়ে কথা শুনে নিশ্চিত হওয়া গেল হাসপাতালই তার ঠিকানা।

বৃদ্ধার নাম পারভীন আক্তার। বয়স সত্তরের উপরে হবে বলে ধারণা পাওয়া যায়। আপন বলতে এই পৃথিবীতে কেউ নেই। অনেক বছর আগে স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি একা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলায় নারীদের ওয়ার্ডের মেঝেতে ঠাঁয় হয়েছে পারভীন আক্তারের। বয়সের ভারে যেসব সমস্যা থাকে সেগুলোর লক্ষণ আছে শরীরে। তবে তিনি রোগী নন। তবুও হাসপাতালে ঠাঁই নিয়েছেন শুধু থাকা আর ভাতের নিশ্চয়তায়।

সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওই বৃদ্ধা মাস তিনেকের মতো হাসপাতালে থেকে গেছেন। তবে এক সময় হাসপাতাল ছাড়তে হয়। গত ৬ জানুয়ারি আবার হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। রোগীর চাপ থাকায় মেঝেতে রাখা হয়েছে বৃদ্ধা পারভীন আক্তারকে। তবে অন্যান্য রোগীদের মতোই তিন বেলা নিয়মিত খাবার দেয়া হচ্ছে তাকে।

অস্পষ্ট ভাষায় পারভীন আক্তার জানান, সহায় সম্পদ কিংবা স্বজন কেউ নেই। আখাউড়ার খড়মপুর এলাকায় থাকতেন। দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে সুযোগ মতো কাজ করতেন। এখন আর পারেন না। শক্তিতে কুলায় না। তাই কয়েক মাস আগে হাসপাতালে চলে আসেন। কিছুদিনের জন্য বাইরে গিয়ে আবার এসেছেন। এখানে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা আছে বলে থেকে যেতে চান।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল