সোমবার ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ফাল্গুন ৪ ১৪৩২, ২৮ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য ৩৭ বাড়ি প্রস্তুত, প্রধানমন্ত্রী থাকবেন কোথায় নির্বাচনে প্রচারণা ব্যয়ের সীমা লঙ্ঘন, শীর্ষে বিএনপি: টিআইবি পুরোনো জীবনে ফিরে যাবো, লেখালেখি করবো: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা অবশেষে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করছে এনসিপি শপথের পর সংসদীয় দলের সভা ডেকেছে বিএনপি নাসার নজরুলের স্ত্রীর ৫ কোটি ২৯ লাখ টাকার জমি জব্দ ভারতে এআই সম্মেলন শুরু, নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উদ্বেগ ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় রাশিয়ায় তেলের গুদাম ক্ষতিগ্রস্ত নিহত সেনা পরিবারের আবাসন উদ্বোধন কিমের তারেক রহমানকে ‘ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে অগ্রিম অভিনন্দন জামায়াত আমিরের ভোটের উত্তাপের পর নাহিদের বাসায় তারেক রহমানের এক ভিন্ন রাত মঙ্গলবার শেষ হচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ, সচিবালয়ে বিদায়ের সুর পিরোজপুরে বিএনপি নেতা ও ভাতিজাকে কুপিয়ে জখম নাটোরে মারপিট-ভাঙচুরের অভিযোগে বিএনপি সমর্থককে পিটুনি

ইসলাম

রোজা অবস্থায় তরকারির লবণ চেখে দেখা যাবে?

 প্রকাশিত: ১৫:৩৭, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

রোজা অবস্থায় তরকারির লবণ চেখে দেখা যাবে?

রমজান মাস এলেই গৃহিণীদের ব্যস্ততা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। সেহরি, ইফতার ও রাতের খাবার সবকিছু ঠিকঠাক ও সুস্বাদু হচ্ছে কি না, তা নিয়ে থাকে বাড়তি দুশ্চিন্তা। বিশেষ করে লবণ ঠিক পরিমাণে হয়েছে কি না, এ চিন্তাই বেশি পীড়া দেয়। কারণ রান্না যতই ভালো হোক, লবণ কম-বেশি হলে স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়।

কিন্তু রোজা রেখে রান্না করতে গিয়ে অনেকেই দ্বিধায় পড়েন লবণ চেখে দেখলে রোজা ভেঙে যাবে না তো?

ফিকহের কিতাবসমূহে উল্লেখ আছে, প্রয়োজন হলে যেমন লবণ কম-বেশি হলে পরিবারের কষ্ট বা অসন্তোষের আশঙ্কা থাকলে রোজা অবস্থায় অল্প করে জিহ্বায় স্বাদ নেওয়া জায়েজ। এতে রোজা ভঙ্গ হয় না।

তবে এ ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা জরুরি..........

  • স্বাদ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা ফেলে দিতে হবে।

  • ভালোভাবে কুলি করে নেওয়া উত্তম।

  • কোনোভাবেই যেন খাবারের অংশ গলার নিচে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

অন্যদিকে, যদি এমন প্রয়োজন না থাকে, অর্থাৎ স্বাদ কম-বেশি হলে কারও কষ্টের আশঙ্কা না থাকে, তাহলে অযথা স্বাদ দেখা থেকে বিরত থাকাই উচিত।

আর যদি ভুলবশত কোনো খাবার গিলে ফেলা হয়, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে। সে দিনের রোজা পূর্ণ করতে হবে এবং পরে একটি রোজা কাজা আদায় করতে হবে; তবে কাফফারা লাগবে না। কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবে গিলে ফেললে কাজা ও কাফফারা উভয়ই আদায় করতে হবে। এ বিধান উল্লেখ আছে ফতোয়ায়ে শামি-তে।

এ বিষয়ে আরও আলোচনা পাওয়া যায় মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা (হাদিস ৯৩৮৫–৯৩৮৬), আলমুহিতুল বুরহানি (৩/৩৫৬), তাবয়িনুল হাকাইক (২/১৮৪) এবং ফাতাওয়া হিন্দিয়া (১/১৯৯)-এ।