বুধবার ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ফাল্গুন ৬ ১৪৩২, ০১ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

দেশের আকাশে চাঁদ দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার থেকে রোজা মন্ত্রীদের স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশে ‘মব কালচার শেষ’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল আহসান ‘সিরিয়াল কিলার’: সাবেক সেনাপ্রধান ঢাকায় ‘ফ্ল্যাট দুর্নীতি’: ব্রিটিশ এমপি টিউলিপকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা টাকা আত্মসাৎ: বসুন্ধরা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা করবে দুদক যত দ্রুত সম্ভব স্থানীয় সরকারের ভোট: মন্ত্রী ফখরুল মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার স্বাভাবিক গতিতে চলবে: আইনমন্ত্রী নতুন সরকারের প্রথম দিন সূচক হারাল পুঁজিবাজার জিয়া ও খালেদার সমাধিতে শ্রদ্ধা মন্ত্রিসভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে নতুন প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হলেন আব্দুস সাত্তার

আন্তর্জাতিক

দনবাসে জোর লড়াই চলছে

 প্রকাশিত: ১৫:৪০, ৬ জুলাই ২০২২

দনবাসে জোর লড়াই চলছে

ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে দনবাস এলাকায় মঙ্গলবার যুদ্ধের তীব্রতা আরো বেড়েছে। ন্যাটো যখন ফিনল্যান্ড ও সুইডেনকে সদস্যপদ দেয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলো তখন রাশিয়ান সৈন্যরা দনবাস অঞ্চলে যুদ্ধে ধারাবাহিক বিজয় অব্যাহত রাখার চেষ্টা চালায়।

মস্কো বাহিনী সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দনবাসের বেশ কয়েকটি শহর দখল করে উচ্ছ্বসিত। এই জয়ের মাধ্যমে তারা পশ্চিমের প্রতি চাপ বাড়িয়ে দেয়; তাদের পরবর্তী লক্ষ্যবস্তু স্লোভিয়ানস্ক শহর কেন্দ্র করে ‘ব্যাপক’ গোলাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে। স্লোভিয়ানস্ক শহরের মেয়র এ কথা জানান।

শহরের কেন্দ্রীয় মার্কেটে রাশিয়ান হামলায় অন্তত দুইজন নিহত ও সাতজন আহত হয়েছে। তারা কয়েকদিন ধরে এখানে একইভাবে মারাত্মক বোমা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

এএফপি সংবাদদাতা সরজমিনে ওই মার্কেট চত্বরে এবং আশপাশের সড়কে রকেট হামলা প্রত্যক্ষ করেছেন।অগ্নিনির্বাপকদের সেখানে আগুন নেভাতে তৎপর দেখা গেছে। যুদ্ধ শুরুর আগে শহরটিতে ১ লাখ লোক বাস করতো।
দোনেৎস্ক অঞ্চলের গভর্ণর পাভলো কিরিলেনকো দাবি করেছেন,যার মধ্যে স্লোভিয়ানস্কও রয়েছে। তিনি বলেন, ‘রাশিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক লোকদের অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে।’

তিনি টেলিগ্রামে বলেন, ‘এটি চূড়ান্ত ও সরাসরি সন্ত্রাসবাদ।’

মস্কোতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয় বলেছে, রাশিয়ান বাহিনী উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর খারকিভ লক্ষ্য করে গত ২৪ ঘন্টায় নির্ভুল লক্ষ্যবস্তুতে উন্নতমানের রকেট হামলা চালিয়েছে। এতে তারা ১৫০ জন ইউক্রেনীয় সেনাকে হত্যার দাবি করেছে।
কিয়েভ বলেছে, আরো অনেক এলাকায় রাশিয়ান বাহিনী মিসাইল ও আর্টিলারি হামলা চালিয়েছে।

এদিকে রাশিয়া বলেছে, তারা ইউক্রেনে আটক রুশ সৈন্যদের ওপর নির্যাতনের ব্যাপারে তদন্ত করছে। বন্দী বিনিময়ের অংশ হিসেবে তারা মুক্তি পেয়ে রাশিয়ায় ফিরেছে।