কল্যাণ রাষ্ট্রের ভিত্তি দেওয়াই বাজেটের লক্ষ্য: অর্থমন্ত্রী
একটি সমাজকল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার ভিত্তি স্থাপন করাই এই বাজেটের লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার সকালে মন্ত্রিসভার বৈঠকে যোগ দিতে গুলশানের বাসা থেকে বের হওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি ।
তিনি বলেন, “অর্থনীতির সুফল যাতে সকলের কাছে যায় সেটাকে মাথায় রেখেই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে, একটা সমাজকল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার একটা ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার জন্য এই বাজেট করা হয়েছে।
“আমরা চেষ্টা করেছি সীমিত সম্পদের মধ্যে এবং সবাইকে নিয়ে এটা বাস্তবায়ন করতে হবে।”
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের মধ্য দিয়ে সরকার গঠন করা বিএনপি জাতীয় বাজেট দিতে যাচ্ছে দীর্ঘ ১৯ বছর বাদে। বিকাল ৩টায় জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন। আগামী অর্থবছরের বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।
বাজেটের উদ্দেশ্য সংক্ষিপ্তভাবে তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, “এবারের বাজেটের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় যেটা হচ্ছে প্রত্যেকটি নাগরিককে এই বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। জাতিকে সামনে রেখে, বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষকে মাথায় রেখে বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে, দেশের কল্যাণে… সবকিছুকে মাথায় রেখে বাজেটটা দেওয়া হয়েছে।”
“এবারের বাজেটের প্রেক্ষাপটটা একটু ভিন্ন। বহুদিন ধরে যে সমস্ত বাজেট হয়েছে বা হয় নাই আজকে বহুদিন পরে একটা নির্বাচিত সরকারের অধীনে একটা বাজেট হতে যাচ্ছে। জাতির প্রত্যাশা, আকাঙ্ক্ষা অনেক বেশি এবং আমরা জাতির সেই আকাঙ্ক্ষা, ভাবনা-চিন্তা-দর্শন আগামী দিনে জনগনের প্রত্যাশাকে মাথায় রেখে বাজেটটা করার চেষ্টা করেছি।”
যতটুকু সামর্থ্য ছিল, তার মধ্যে বাজেট করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
তিনি বলেন, “যে বিধ্বস্ত ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে আমরা স্থিতিশীলতা এবং সামনের দিকে একটা সমৃদ্ধ বাংলাদেশ দেখতে চাই। সেদিকে যাওয়ার একটা প্রচেষ্টা এখানে (বাজেটে) আছে।
“এবং সেটা সকল জনগণকে নিয়েই। জাতীয় কার্যক্রমে, অর্থনৈতিক কার্যক্রমে এবং অর্থনীতির সুফল যাতে সকলের কাছে যায় সেটাকে মাথায় রেখে কিন্তু বাজেটটা করা হয়েছে।”