সরকার নির্বাচনের একটা ক্লিয়ার রোডম্যাপ দিয়েছে: তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, সরকার নির্বাচনের একটা ক্লিয়ার রোডম্যাপ দিয়েছে। নির্বাচনের ক্লিয়ার রোডম্যাপ আছে। গণভোটের মেসেজগুলো আছে কাজেই নির্বাচনের দিকে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক দলগুলো উৎসাহ নিয়ে নির্বাচনের কাজে অংশগ্রহণ করছে। দেশের গণতন্ত্রের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে- নির্বাচনটা করা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব।
আজ রোববার সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) এর মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএসআরএফ’র উদ্যোগে সংগঠনের সভাপতি মাসউদুল হকের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় সঞ্চালনায় করেন সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদল।
গণভোটের প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, গণভোটের বিষয়টি ব্যাপকভাবে প্রচার করতে হবে। গণভোটে আসলে কি কি প্রস্তাবনা রয়েছে, কেন মানুষকে এটাতে অংশগ্রহণ করতে হবে, গণভোটের ইমপ্লিকেশন কি- এসব বিষয়ে গণমাধ্যমে ইতিবাচকভাবে যদি প্রচার করা হয় তাহলে দেশের মানুষ এ সম্পর্কে জানতে ও বুঝতে পারবে।
তিনি বলেন, মানুষকে আসলে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। মানুষ ভোট দিতে আগ্রহী। মানুষ যাতে গণভোটে অংশগ্রহণ করে এ জন্য মানুষকে তো বিষযগুলো বুঝাতে হবে। তাদেরকে সাধারণ ভোট দিতে এবং গণভোট দিতে উদ্বুদ্ধ করতে কাজ করতে হবে।
নির্বাচনের পরিবেশ নেই এমন অভিযোগ কোন রাজনৈতিক দল করছেনা, এখন পর্যন্ত পরিবেশ গ্রহণযোগ্য আছে বলে জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনের দিকে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, বিচার কার্য শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেনা।
তিনি বলেন, নির্বাচনে অংশ নিতে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য মন্ত্রণালয় একসাথে কাজ করছে। বিভিন্ন টুল ব্যবহার করে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। যেমন ভোটের গাড়ির উদ্বোধন করা হয়েছে। তথ্যমন্ত্রণালয় ব্যাপকভাবে উঠান বৈঠক করার কাজ শুরু করেছে। গ্রামে গ্রামে গিয়ে মাইকিং করার মতো নানা কাজ শুরু হয়েছে।
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) থেকে বাংলাদেশের ক্রিকেটার মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়া হয়েছে-এর পরিপ্রেক্ষিতে আইন উপদেষ্টা আইপিএলের সম্প্রচার বাংলাদেশে বন্ধ রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘বিষয়টা হচ্ছে যে, খেলাটা যদি খেলার জায়গায় আমরা রাখতে পারতাম খুবই ভালো হতো। কিন্তু আনফরচুনেটলি, খেলাটার মধ্যে রাজনীতি নিয়ে আসা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের একজন খেলোয়াড়কে নিশ্চিত করার পরে, তাকে রাজনৈতিক যুক্তিতে যেটা আমরা বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেখেছি, বলা হচ্ছে যে ওকে (মুস্তাফিজ) নেওয়া হবে না। তো এরকম সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের দেশের জনগণেরও তো মনে একটা আঘাত লাগে। তাদের মধ্যেও একটা প্রতিক্রিয়া হয়। সেরকম জায়গায় আমাদেরকেও একটা অবস্থান নিতে হবে। আমরা সেই অবস্থানের আইনগত ভিত্তি পর্যালোচনা এবং প্রক্রিয়া যাচাই-বাছাই করছি এবং এর পরে আমরা একটা পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।’