বুধবার ২৫ মার্চ ২০২৬, চৈত্র ১০ ১৪৩২, ০৬ শাওয়াল ১৪৪৭

ব্রেকিং

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে নিহত ২, আহত অর্ধশত এবার ঘাট দখল নিয়ে দুগ্রামবাসীর সংঘর্ষে রণক্ষেত্র পাবনা, আহত অর্ধশত রমজানের ঘাটতি পূরণে ১০ শনিবার প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা ট্রাম্পের বিরতি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরানের ইস্পাহান জ্বালানিকেন্দ্রে হামলা মানবপাচার মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ৫ দিনের রিমান্ডে জুলাই দায়মুক্তি অধ্যাদেশে ‘সবাই একমত’: সালাহউদ্দিন জেট ফুয়েলের দাম লিটারে ৯০ টাকা বাড়লো বিদেশগামী শিক্ষার্থীকে ১০ লাখ টাকা ঋণ দেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ঢাকার পুঁজিবাজারে একদিনে সূচক কমল ৬৮ পয়েন্ট `হঠাৎ` চাহিদা বাড়ায় সারাদিনের তেল শেষ হচ্ছে তিন ঘণ্টায়: জ্বালানি মন্ত্রী মাসুদ উদ্দিন মানবপাচার মামলায় গ্রেপ্তার, আছে হত্যাসহ ১১ মামলা: ডিবি বাংলাদেশ থেকে বাহরাইনে ফিরতে প্রবাসীদের জন্য বিশেষ ফ্লাইট নাটোরে ট্রাক-ইজিবাইক সংঘর্ষে নিহত ৩ আবারও প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়ালো

জাতীয়

মেজরকে থানায় নিয়ে যাওয়া গুলশানের সেই এসি প্রত্যাহার

 প্রকাশিত: ১১:২০, ৩০ অক্টোবর ২০২৪

মেজরকে থানায় নিয়ে যাওয়া গুলশানের সেই এসি প্রত্যাহার

সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও তাকে ‘লাঞ্ছিত’ করার ঘটনায় জড়ানো রাজধানীর গুলশান জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. সোহেল রানাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে তাকে সরিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সদর দপ্তরে সংযুক্ত করার আদেশ দিয়েছেন কমশিনার মো. মাইনুল হাসান।

আগের দিন সোমবার গুলশান এলাকায় সেনাবাহিনীর ওই মেজরের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান গুলশান থানার এসি সোহেল ও কয়েকজন পুলিশ সদস্য। যে ঘটনার কয়েকটি ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে।

এমনই এক ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে বিতণ্ডার একপর্যায়ে মেজর পরিচয় দেওয়া ওই সেনা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। পরিচয় দেওয়ার পরও ওই সেনা কর্মকর্তাকে এসি সোহেলের নির্দেশে গুলশান থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ওই সময় মেজরের সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যরা ছিলেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থানার পুলিশ সদস্যরা বলেন, পরে সেনা সদস্যরা থানায় গিয়ে ওই মেজরকে ছাড়িয়ে আনেন। পরে এ ঘটনায় ওই কর্মকর্তার কাছে ক্ষমা চান এসি সোহেল রানা।

ফেইসবুকে ছড়িয়ে পড়া এ ঘটনার আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, বাগবিতণ্ডার


একপর্যায়ে মেজরকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন পুলিশ সদস্যরা। এ সময় মেজর তার পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করেন।

কিন্তু এসি সোহেলকে বলতে শোনা যায়, "আমি কনস্টেবল না আমি এসি, গুলশান জোনের এসি।"

ভিডিওতে এসিকে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলতে শোনা যায়। পরে মেজরকে গুলশান থানায় নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

এ ঘটনার পর অন্য আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তায় ওই সেনা কর্মকর্তার সঙ্গে উত্তেজিত আচরণ এবং তাকে থানায় নিয়ে আসার কারণে এসি সোহেল হাতজোড় করে ও পা ধরে ক্ষমা চাইছেন।

তবে শেষ পর্যন্ত ঘটনার পরদিনই তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিল ডিএমপি।

এ বিষয়ে রাতে এসি সোহেলকে কয়েকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি ধরেননি, ফলে তার বক্তব্যও জানা যায়নি।