শুক্রবার ৩০ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ১৬ ১৪৩২, ১১ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

গ্রামের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে চাই: তারেক রহমান জামায়াতে ইসলামীর নারী সমাবেশ স্থগিত বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের বেড়া: পশ্চিমবঙ্গকে জমি ছাড়ার আদেশ আদালতের শেরপুরের ঘটনায় ওসি-ইউএনও প্রত্যাহার আমের জন্য হিমাগার হবে: রাজশাহীতে তারেক আগে একাত্তর নিয়ে মাফ চান, পরে ভোট চান: মির্জা ফখরুল তারা কেন আগে থেকেই লাঠিসোঁটা জড়ো করল: শেরপুরের সংঘাত নিয়ে বিএনপি হাদি হত্যা: ৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ নির্বাচন: রিটার্ন জমার সময় বাড়ল আরও এক মাস শেরপুরের ঘটনায় উদ্বেগ, সংযমের আহ্বান অন্তর্বর্তী সরকারের শেরপুরে সংঘর্ষে জামায়াত নেতার মৃত্যু: থমথমে ঝিনাইগাতী-শ্রীবরদী জামায়াতের আমিরের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের কার্যকর সমাধান: প্রধান উপদেষ্টা ভোটের পোস্টার মুদ্রণ নয়: ছাপাখানাকে ইসি সোনা-রুপার দামে টানা রেকর্ড, ভরিতে বাড়ল ১৬ হাজার

জাতীয়

মেজরকে থানায় নিয়ে যাওয়া গুলশানের সেই এসি প্রত্যাহার

 প্রকাশিত: ১১:২০, ৩০ অক্টোবর ২০২৪

মেজরকে থানায় নিয়ে যাওয়া গুলশানের সেই এসি প্রত্যাহার

সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও তাকে ‘লাঞ্ছিত’ করার ঘটনায় জড়ানো রাজধানীর গুলশান জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. সোহেল রানাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে তাকে সরিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সদর দপ্তরে সংযুক্ত করার আদেশ দিয়েছেন কমশিনার মো. মাইনুল হাসান।

আগের দিন সোমবার গুলশান এলাকায় সেনাবাহিনীর ওই মেজরের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান গুলশান থানার এসি সোহেল ও কয়েকজন পুলিশ সদস্য। যে ঘটনার কয়েকটি ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে।

এমনই এক ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে বিতণ্ডার একপর্যায়ে মেজর পরিচয় দেওয়া ওই সেনা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। পরিচয় দেওয়ার পরও ওই সেনা কর্মকর্তাকে এসি সোহেলের নির্দেশে গুলশান থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ওই সময় মেজরের সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যরা ছিলেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থানার পুলিশ সদস্যরা বলেন, পরে সেনা সদস্যরা থানায় গিয়ে ওই মেজরকে ছাড়িয়ে আনেন। পরে এ ঘটনায় ওই কর্মকর্তার কাছে ক্ষমা চান এসি সোহেল রানা।

ফেইসবুকে ছড়িয়ে পড়া এ ঘটনার আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, বাগবিতণ্ডার


একপর্যায়ে মেজরকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন পুলিশ সদস্যরা। এ সময় মেজর তার পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করেন।

কিন্তু এসি সোহেলকে বলতে শোনা যায়, "আমি কনস্টেবল না আমি এসি, গুলশান জোনের এসি।"

ভিডিওতে এসিকে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলতে শোনা যায়। পরে মেজরকে গুলশান থানায় নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

এ ঘটনার পর অন্য আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তায় ওই সেনা কর্মকর্তার সঙ্গে উত্তেজিত আচরণ এবং তাকে থানায় নিয়ে আসার কারণে এসি সোহেল হাতজোড় করে ও পা ধরে ক্ষমা চাইছেন।

তবে শেষ পর্যন্ত ঘটনার পরদিনই তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিল ডিএমপি।

এ বিষয়ে রাতে এসি সোহেলকে কয়েকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি ধরেননি, ফলে তার বক্তব্যও জানা যায়নি।