শনিবার ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ১০ ১৪৩২, ০৫ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

ওয়াশিংটনকে ইরানের হুঁশিয়ারি, আলোচনার আভাস ট্রাম্পের আগাম নির্বাচনের লক্ষ্যে সংসদ ভাঙছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি স্পেনে ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৫ কেবল বিএনপি পালায় না: তারেক রহমান ২০০০ টাকার কার্ড নিতে ১০০০ টাকা ঘুষ লাগবে না তো: নাহিদ চাঁদা নেব না, নিতেও দেব না: শফিকুর রহমান ভোট চুরির প্রক্রিয়া তারা শুরু করেছে: তারেক রহমান ভারতে যাবে না বাংলাদেশ, ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকেও বদল নেই সিদ্ধান্তে নির্বাচন ঘিরে সরকারি চাকরিজীবীদের টানা চার দিনের ছুটি ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’: ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের বিচার শুরুর আদেশ হাসিনা যুগের সমাপ্তি? জয় বললেন, ‘সম্ভবত তাই’ উন্নয়নের নামে দেশের অর্থ লুটপাট করা হয়েছে: তারেক রহমান নির্বাচনে ১০ দলীয় জোট বিপুল ভোটে জয়ী হবে: নাহিদ ইসলাম রিমান্ড শেষে কারাগারে আবেদ আলী নির্বাচনে প্রার্থীদের ঋণের বোঝা ১৮ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকা ইয়েমেনে সরকারপন্থী বহরে হামলা, নিহত ৫ ভোটে ৫১ দল: ধানের শীষের ২৮৮ প্রার্থী, দাঁড়িপাল্লার ২২৪ যুক্তরাষ্ট্র ‘বিস্ময়কর অর্থনৈতিক অগ্রগতির’ মধ্য দিয়ে যাচ্ছে: ট্রাম্প

শিক্ষা

পেশাগত পরীক্ষায় অটো প্রমোশন চান মেডিকেল শিক্ষার্থীরা

 প্রকাশিত: ১২:৩৪, ২৪ অক্টোবর ২০২০

পেশাগত পরীক্ষায় অটো প্রমোশন চান মেডিকেল শিক্ষার্থীরা

করোনাভাইরাসের কারণে গত পাঁচ মাস ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে আছেন মেডিকেলের এমবিবিএস শিক্ষার্থীরা। গত মে মাসে তাদের প্রফেশনাল বা ফাইনাল পরীক্ষা হবার কথা ছিল।

কিন্তু এখন পর্যন্ত প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের প্রফেশনাল পরীক্ষা না হওয়ায় তারা দীর্ঘ সেশন জটে আটকে পড়ার আশঙ্কা করছেন।

এর ফলে একটা সময়ে ইন্টার্ন চিকিৎসকের সংকট দেখা দেবে বলেও মনে করছেন এই শিক্ষার্থীরা।

এছাড়া যারা প্রাইভেট মেডিকেল কলেজে পড়ছেন, তাদের মাসের পর মাস বেতন ও হোস্টেল ফি বাবদ টাকা দিতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এদিকে, ডিসেম্বরে এই প্রফেশনাল পরীক্ষা হতে পারে বলে শিক্ষার্থীদের জানানো হলেও মহামারির মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিতে তারা রাজী হননি।

তারা বিকল্প উপায়ে মূল্যায়ন করে প্রমোশন দেয়ার দাবি জানিয়েছেন। মেডিকেল শিক্ষার্থী নম্রতা মৌমিতা বলছিলেন যে, মেডিকেলের এই ফাইনাল পরীক্ষা হাসপাতালে হয়ে থাকে।

অনেক শিক্ষার্থীকে হলে উঠে পরীক্ষা দিতে হয়। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণ হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।

মিস নম্রতা বলেন, “হলে এতো শিক্ষার্থী গাদাগাদি করে থাকে। তারা একই রুমে ৭/৮জন করে থাকে, একই টয়লেট ব্যবহার করে, একই ডাইনিংয়ে খায়। এছাড়া হাসপাতালে কতো মানুষের যাতায়াত। এখানে স্বাস্থ্যবিধি মানা সম্ভব না। এই অবস্থায় যদি আমরা পরীক্ষা দিতে বসি তাহলে আমাদের মধ্যে ব্যাপকভাবে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়বে। আমরা সেটা চাই না।”

এই অবস্থায় শিক্ষার্থীরা বিকল্প উপায়ে মূল্যায়ন করে তাদেরকে প্রমোশন দেয়ার দাবি জানিয়েছেন।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল