বুধবার ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ১৫ ১৪৩২, ০৯ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

জালিয়াতিতে বাংলাদেশ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন: প্রধান উপদেষ্টা কূটনৈতিক সম্পর্কে অবনতি হলেও বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবারহ বাড়িয়েছে আদানি রোডম্যাপ অনুসারে হজের সব কার্যক্রম এগিয়ে যাচ্ছে: ধর্ম উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিত চেয়ে রিট আবেদন ভারত থেকে বেনাপোলে এল ৫১০ টন চাল, কেজি ৫০ টাকা নিয়োগ সুপারিশ পেলেন সাড়ে ১১ হাজার প্রার্থী, খালি থাকছে এমপিওভুক্ত শিক্ষকের অর্ধলক্ষাধিক পদ শ্রমিক নেতা বাসু হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড জনগণ যাকে নির্বাচিত করবে তার সঙ্গেই কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র সাংবাদিক আনিস আলমগীর এবার দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার টেকনাফে পাহাড়ে কাজ করতে যাওয়া ৬ কৃষক ‘অপহৃত’ জামায়াত ৫ তারিখের আগ পর্যন্ত সবচেয়ে দুঃখকষ্ট পাওয়া দল: শফিকুর খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে ভারতের রাজ্যসভা ৬ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত ভারতে বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপমূখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার নিহত যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র শীতকালীন ঝড়ে ৩৮ জনের মৃত্যু ভেনেজুয়েলার জব্দ অর্থ ছাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের যাত্রীবাহী ট্রেনে রাশিয়ার ড্রোন হামলা, নিহত ১২

আন্তর্জাতিক

পশ্চিমবঙ্গে হিন্দু প্রতিবেশীর সৎকার করলেন মুসলিমরা

 প্রকাশিত: ২০:৫৯, ৩০ নভেম্বর ২০২০

পশ্চিমবঙ্গে হিন্দু প্রতিবেশীর সৎকার করলেন মুসলিমরা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বর্ধমান জেলার একটি গ্রামে রামধনু রজক (৭০) নামে এক বৃদ্ধ মারা যাওয়ার পর সন্তান ও আত্মীয়রা কাছে না থাকায় একমাত্র হিন্দু প্রতিবেশীর সৎকার করলেন মুসলিমরা।

পশ্চিম বর্ধমানের জামুরিয়া এলাকার দেশেরমহান গ্রামে রোববার এ ঘটনা ঘটে। এ গ্রামে ২৩০ মুসলিম পরিবারের মধ্যে রজকের পরিবারই একমাত্র হিন্দু পরিবার। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

রামধনু রজকের ছেলে ও মেয়েরা কাছে না থাকায় প্রতিবেশীরা খবর দেন তাদের। তার পর গ্রামের সবার সম্মতিতে হিন্দু ধর্মের রীতি অনুযায়ী তাকে রোববার সৎকারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সৎকারের পর তার এক ছেলে গ্রামে আসেন। বাকিরা অন্য রাজ্যে থাকায় তাই সৎকারের জন্য আসতে পারেননি।

কয়েক দিন আগে গাছ থেকে পড়ে মাথায় আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন রামধনু রজক। শনিবার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান।

গ্রামের বাসিন্দা শেখ মুবারক জানান, দেশেরমহান গ্রামের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি পুরো এলাকায় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। মৃত ব্যক্তি ধর্মীয় বিশ্বাসে হিন্দু হলেও আমাদের গ্রামেরই একজন সম্মানীয় ব্যক্তি ছিলেন। এই গ্রাম প্রমাণ করল, মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে। সে হিন্দু হোক, মুসলিম হোক বা অন্য যে ধর্মেরই হোক না কেন।

 

অনলাইন নিউজ পোর্টাল