রোববার ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ৪ ১৪৩২, ২৯ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

চট্টগ্রাম নগরীতে ৩৩০ ‘দুষ্কৃতকারীকে’ নিষিদ্ধ ঘোষণা ওসমানী হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, কর্মবিরতি তারেক রহমানের সঙ্গে নেপাল ও ভুটানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ কৌশলের নামে ‘গুপ্ত’ বা ‘সুপ্ত’ বেশ ধারণ করেনি বিএনপি: তারেক রহমান ট্রাম্প ইরানকে ‘ধন্যবাদ’ জানালেন বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি না দেওয়ায় নির্বাচনি সহিংসতায় মৃত্যু: ময়মনসিংহে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী খুনে গ্রেপ্তার ২ অপসাংবাদিকতার শিকার হয়েছি: মামুনুল হক ‘উপযুক্ত সময়ে’ ভেনেজুয়েলাকে নেতৃত্ব দেওয়ার অঙ্গীকার মাচাদোর লন্ডনে ইরানের দূতাবাসের ছাদে ওঠা বিক্ষোভকারী গ্রেফতার ইরানে ইন্টারনেট সংযোগ সামান্য সচল হয়েছে : নেটব্লকস নির্বাচন পর্যবেক্ষণে মাঠে নেমেছে ইইউ মিশন সিলেটে তিন বাসের মধ্যে সংঘর্ষে প্রাণ গেল দুজনের এবার টেকনাফ সীমান্তে মাইন পুঁতে রাখার অভিযোগ স্থানীয়দের গণহত্যা অস্বীকার, জাতিসংঘ আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থন শুরু মিয়ানমারের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের বিরোধী দেশগুলোর ওপর নতুন শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের

ইসলাম

তাহাজ্জুদ: আল্লাহ তায়ালার সান্নিধ্য লাভের অন্যতম মাধ্যম

 প্রকাশিত: ১৭:১৩, ৯ জানুয়ারি ২০২১

তাহাজ্জুদ: আল্লাহ তায়ালার সান্নিধ্য লাভের অন্যতম মাধ্যম

মধ্যরাতের পর ঘুম থেকে জেগে নামাজ পড়াকে তাহাজ্জুদের নামাজ বলা হয়।

ফরজ নামাজের পর অন্যান্য সুন্নাত ও নফল সব নামাজের মধ্যে তাহাজ্জুদ নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত সবচেয়ে বেশি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আল্লাহতায়ালা প্রতিদিন শেষ রাতে প্রথম আসমানে এসে বলেন, তোমরা কে আমাকে ডাকবে! আমি তার ডাকে সাড়া দেব। কে আমার কাছে কিছু চাইবে! আমি তাকে তা দেব। কে আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে! আমি তাকে ক্ষমা করে দেব (মুসলিম, মিশকাত ১০৯)।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি রাতে ঘুম থেকে জেগে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে এবং সে তার স্ত্রীকেও ঘুম থেকে জাগিয়ে নামাজ পড়ায়, এমনকি সে যদি জেগে না ওঠে, তবে তার মুখে খানিকটা পানি ছিটিয়ে দেয় তাহলে তার প্রতি আল্লাহ রহমত বর্ষণ করে থাকেন। অনুরূপ কোনো মহিলা যদি রাতে জাগ্রত হয়ে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে এবং সে তার স্বামীকে নামাজের জন্য জাগায়, এমনকি স্বামী না জাগলে স্ত্রী তার মুখে পানি ছিটিয়ে তার ঘুম ভাঙিয়ে দেয়, তাহলে তার প্রতিও আল্লাহর রহমত বর্ষিত হতে থাকে (আবু দাউদ, নাসায়ী, মিশকাত)।

নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুই দুই রাকাত করে এ নামাজ আদায় করতেন। তিনি কখনও চার রাকাত, কখনও আট রাকাত, কখনও ১২ রাকাত পড়েছেন। অন্যান্য নামাজের মতোই যে কোনো সূরা দিয়েই এ নামাজ পড়া যায়।

 

অনলাইন নিউজ পোর্টাল